মুসলিমরা কি পারবে তাদের হারানো ঐতিহ্য আবার ফিরিয়ে আনতে ?
সাউথ আফ্রিকার আল বারাকার ব্যন্কের ডাইরেক্টর জেনারেল, জনাব হাফেজ এ
বি এম মোহাম্মদের এক ভাষন থেকে কিছু উদৃতি দিয়ে আজকের পোষ্টটি উপস্থাপন
করলাম।
বিশ্বের জনসংখ্যাতাত্ত্বিক কিছু ভাবনা।
পৃথিবীর ইহুদী জনসংখ্যা ১৪ মিলিয়ন
৭ মিলিয়ন আমেরকিায়
৫ মিলিয়ন এশিয়ায়
২ মিলিয়ন ইউরোপে
১০০ হাজার অফ্রিকায়
বিশ্বের মুসলিম জনসংখ্যা : ১.৫ বিলিয়ন
১ বিলিয়ন এশিয়া/মধ্য প্রাচ্যে
৪০০ মিলয়িন আফ্রিকায়
৪৪ মিলয়িন ইউরোপে
৬ মিলিয়ন আমেরিকায়
প্রতি পাঁচ জন মানুষের মাঝে ১ জন মুসলিম।
প্রতি একজন হিন্দুর তুলনায় ২ জন মুসলিম।
প্রতি একজন বোদ্ধিষ্টের তুলনায় ২ জন মুসলিম।
প্রতি একজন ইহুদীর তুলনায় ১০৭ জন মুসলিম।
কিন্তু তা স্বত্তেও মাত্র ১৪ মিলিয়ন ইহুদী ১.৫ বিলিয়ন মুসলিমদের তুলনায় অনেক বেশী শক্তিশালী এবং বিশ্বের শক্তিশালী প্রতিটি রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি চলে তাদের স্বার্থে।
প্রশ্ন হল কেন?
এ প্রশ্নের উত্তরের আগে আসুন আরো কিছু তথ্য দেখি:
আধুনিক বিশ্বের মানব ইতিহাসে যারা ভুমিকা রেখেছেন তারা কারা?
Albert Einstein ইহুদী
Sigmund Freud ইহুদী
Karl Marx ইহুদী
Paul Samuelson ইহুদী
Milton Friedman ইহুদী
চিকিৎসা শাস্ত্রে যারা মাইলফলক রেখেছেন তারা কারা?
Vaccinating Needle Benjamin Ruben ইহুদী
Polio Vaccine Jonas Salk ইহুদী
Leukemia Drug Gertrude Elion ইহুদী
Hepatitis B Baruch Blumberg ইহুদী
Syphilis Drug Paul Ehrlich ইহুদী
Neuro muscular Elie Metchnikoff ইহুদী
Endocrinology Andrew Schally ইহুদী
Cognitive therapy Aaron Beck ইহুদী
Contraceptive Pill Gregory Pincus ইহুদী
Understanding of Human Eye G. Wald ইহুদী
Embryology Stanley Cohen ইহুদী
Kidney Dialysis Willem Kloffcame ইহুদী
নবেল পুরস্কার বিজয়ী :
বিগত ১০৫ বছরে ইহুদীর মাঝে নবেল পুরস্কার বিজয়ী হচ্ছেন ১৮০ জন
অতচ ১.৫ বিলিয়ন মুসলিমদের অর্জন হচ্ছে ৫ টি নবেল পুরস্কার!
যে সব আবিষ্কারকেরা প্রযুক্তির ইতিহাস সৃষ্টি হল তারা কারা?
Micro- Processing Chip Stanley Mezor ইহুদী
Nuclear Chain Reactor Leo Sziland ইহুদী
Optical Fibre Cable Peter Schultz ইহুদী
Traffic Lights Charles Adler ইহুদী
Stainless Steel Benno Strauss ইহুদী
Sound Movies Isador Kisee ইহুদী
Telephone Microphone Emile Berliner ইহুদী
Video Tape Recorder Charles Ginsburg ইহুদী
বিশ্বে প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যবসায়ী ব্যক্তি:
Polo Ralph Lauren ইহুদী
Coca Cola ইহুদী
Levi's Jeans Levi Strauss ইহুদী
Starbuck's Howard Schultz ইহুদী
Google Sergey Brin ইহুদী
Dell Computers Michael Dell ইহুদী
Oracle Larry Ellison ইহুদী
DKNY Donna Karan ইহুদী
Baskin & Robbins Irv Robbins ইহুদী
Irv Robbins Bill Rosenberg ইহুদী
সাম্প্রতিক কয়েক দশকের প্রভাবশালী ই্হুদী বুদ্ধীজীবি ও পলিটিশিয়ান কারা ছিলেন?
Henry Kissinger US Sec of State
Richard Levin President Yale University
Alan Greenspan US Federal Reserve
Madeleine Albright US Secretary of State
Casper Weinberger US Secretary of Defence
Maxim Litvinov USSR Foreign Minister
David Marshal Chief Minister, Singapore
Isaacs Isaacs Governor General., Australia
Benjamin Disraeli British Statesman
Yevgeny Primakov Russian PM
Barry Goldwater US Politician
Jorge Sampaio President Portugal
Herb Gray Canadian Deputy – PM
Pierre Mendes French PM
Michael Howard British Home Sec
Bruno Kriesky Austrian Chancellor
Robert Rubin US Sec of Treasury
Wolf Blitzer মিডিয়ায় প্রভাবশালী CNN
Barbara Walters মিডিয়ায় প্রভাবশালী ABC News
Henry Grunwald Time Magazine
বিশ্বের ইহুদী দানশীল ব্যক্তি:
George Soros
Walter Annenberg
পুরা মুসলিম বিশ্বে (৫৭ টি দেশ) মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা মাত্র পাঁচ শত।
আমেরিকার একাই আছে ৫,৭৫৮ ইউনির্ভাসিটি
ভারতে আছে ৮,৪৭০টি
গড় পড়তা শিক্ষার হার:
শিক্ষার হার ক্রিষ্টান বিশ্বে ৯০%
শিক্ষার হার মুসলমি দেশে ৪০%
১৫টি ক্রিষ্টান সংখ্যা গরিষ্ট দেশের শিক্ষার হার ১০০% শিক্ষিত
১০০% শিক্ষিত মুসলিম দেশ সংখ্যা : একটাও নাই!
৯৮% ক্রিষ্টান দেশের লোক কমপক্ষে প্রাইমারী স্কুল পর্যন্ত পড়ালেখা শেষ করেছে
মুসলমি বিশ্বের মাত্র ৫০% প্রাইমারী স্কুল পর্যন্ত পড়ালেখা শেষ করতে সক্ষম হয়েছে।
৪০% ক্রিষ্টান সংখ্যা গরিষ্ট দেশের মানুষ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করেছে
আর মুসলমি দেশে দশমিক অর্থাৎ পয়েন্ট ২% বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত অধ্যায়ন করতে পেরেছে।
এবার দেখুন বিজ্ঞানির হার:
মুসলিম দেশের গড়পড়তা ২৩০ জন বিজ্ঞানি প্রতি দশ লক্ষ বা এক মিলিয়ন মুসলমিদের মাঝে।
অমেরিকাতে ৫০০০ বিজ্ঞানি পাওয়া যাবে প্রতি মিলিয়নে।
ক্রিষ্টান বিশ্বে ১০০০ টেকনেশিয়ান পাওয়া যায় প্রতি মিলিয়নে।
পুরা আরব বিশ্বে মাত্র ৫০ জন টেকনেশিয়ান পাওয়া যায় প্রতি মিলিয়নে।
রিচার্স ও জ্ঞানবিজ্ঞান উন্নয়নে মুসলিম বিশ্ব খরচ করে দশমিক ২% জাতীয় আয়ের/GDP.
খৃষ্টান বিশ্ব এ খাতে জাতীয় আয়ের / GDP ব্যয় করে ৫%।
হাইটেক সামগ্রির রপ্তানির পরিমান ০.৯% পাকিস্থানে, ০.২% সৌদী আরব, কুয়েত, মরক্কো ও আলজেরিয়া ০.৩%।
আর অমুসলিম ছোট্ট দেশ সিঙ্গাপুর একাই ৬৮%।
এভাবে অন্যান্য খাতের বেলায় আরো খারাপ পরিসংখ্যান প্রকাশ পায় তাই আলোচনা দীর্ঘায়িত না করে পরিশেষে একথা বলা যায় মুসলিম সমাজ যে প্রক্রিয়ায় চলছে তার পরিবর্তন করতে না পারলে ভবিষ্যত অন্ধকার। একি কাজ একি পদ্ধতীতে সবসময় করে যারা আশা করে ভিন্ন রিজাল্ট তারা আসলে বাস করেন বোকার স্বর্গে।
তাই আজ সময় এসেছে বাক্সবন্ধী মানষিকতার আসান করে সমাজে যুগোপযুগী নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্টার।
উপরোক্ত পরিসংখ্যানের কথা শুনে মুসলিম হিসাবে হয়ত কারো মনে দুঃখ লাগবে আর কেউ হয়তবা বলবেন তো কি হয়েছে দুনিয়ায় এত সফলতা অর্জন মুসলিমদের কাম্য নয় বরং আখেরাতের সফলতা পেতে মনোনিবেশ করাই আমাদের কর্তব্য। তবে দুনিয়ার সফলতা অর্জনে আখেরাতের সফলতা অর্জন বিফল হয়ে যাবে মনে করা কি ঠিক হবে? মহান আল্লাহ তো তাঁর বান্দাকে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যান চাইতে দোয়া শিখিয়েছেন।"রাব্বানা আতিনা ফিদ দুনিয়া হাছানা ওযা ফিল আখিরাতি হাছানা" আর আল্লাহ এ কথাও কোরআনে বলেন যে আল্লাহ কোন জাতিকে সাহায্য করেন না যে তার অবস্থার পরিবর্তনে নিজে চেষ্টা না করে। আল্লাহ তো তাঁর বান্দাকে সৎ কাজের আদেশ ও মন্দ কাজের প্রতিহত করার কথা বলেন। অতএব,পৃথিবীতে শক্তিশালী জাতি হিসাবে দাড়াতে না পারলে মন্দ কাজ কি ভাবে প্রতিহত করা সম্ভব?
বটম লাইন হল,মুসলিমদেরকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে অগ্রসর হতে হবে বিশ্ব জয়ের উদ্দেশ্যে নয় বরং জাতি হিসাবে নিজেদেরকে স্মার্ট ও বুদ্ধিমান প্রমান করে পৃথিবীর বুকে সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধির মধ্যামে আদর্শ জাতি হিসাবে নিজেদের অস্থিত্ব রক্ষার স্বার্থে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে।
বিশ্বের জনসংখ্যাতাত্ত্বিক কিছু ভাবনা।
পৃথিবীর ইহুদী জনসংখ্যা ১৪ মিলিয়ন
৭ মিলিয়ন আমেরকিায়
৫ মিলিয়ন এশিয়ায়
২ মিলিয়ন ইউরোপে
১০০ হাজার অফ্রিকায়
বিশ্বের মুসলিম জনসংখ্যা : ১.৫ বিলিয়ন
১ বিলিয়ন এশিয়া/মধ্য প্রাচ্যে
৪০০ মিলয়িন আফ্রিকায়
৪৪ মিলয়িন ইউরোপে
৬ মিলিয়ন আমেরিকায়
প্রতি পাঁচ জন মানুষের মাঝে ১ জন মুসলিম।
প্রতি একজন হিন্দুর তুলনায় ২ জন মুসলিম।
প্রতি একজন বোদ্ধিষ্টের তুলনায় ২ জন মুসলিম।
প্রতি একজন ইহুদীর তুলনায় ১০৭ জন মুসলিম।
কিন্তু তা স্বত্তেও মাত্র ১৪ মিলিয়ন ইহুদী ১.৫ বিলিয়ন মুসলিমদের তুলনায় অনেক বেশী শক্তিশালী এবং বিশ্বের শক্তিশালী প্রতিটি রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি চলে তাদের স্বার্থে।
প্রশ্ন হল কেন?
এ প্রশ্নের উত্তরের আগে আসুন আরো কিছু তথ্য দেখি:
আধুনিক বিশ্বের মানব ইতিহাসে যারা ভুমিকা রেখেছেন তারা কারা?
Albert Einstein ইহুদী
Sigmund Freud ইহুদী
Karl Marx ইহুদী
Paul Samuelson ইহুদী
Milton Friedman ইহুদী
চিকিৎসা শাস্ত্রে যারা মাইলফলক রেখেছেন তারা কারা?
Vaccinating Needle Benjamin Ruben ইহুদী
Polio Vaccine Jonas Salk ইহুদী
Leukemia Drug Gertrude Elion ইহুদী
Hepatitis B Baruch Blumberg ইহুদী
Syphilis Drug Paul Ehrlich ইহুদী
Neuro muscular Elie Metchnikoff ইহুদী
Endocrinology Andrew Schally ইহুদী
Cognitive therapy Aaron Beck ইহুদী
Contraceptive Pill Gregory Pincus ইহুদী
Understanding of Human Eye G. Wald ইহুদী
Embryology Stanley Cohen ইহুদী
Kidney Dialysis Willem Kloffcame ইহুদী
নবেল পুরস্কার বিজয়ী :
বিগত ১০৫ বছরে ইহুদীর মাঝে নবেল পুরস্কার বিজয়ী হচ্ছেন ১৮০ জন
অতচ ১.৫ বিলিয়ন মুসলিমদের অর্জন হচ্ছে ৫ টি নবেল পুরস্কার!
যে সব আবিষ্কারকেরা প্রযুক্তির ইতিহাস সৃষ্টি হল তারা কারা?
Micro- Processing Chip Stanley Mezor ইহুদী
Nuclear Chain Reactor Leo Sziland ইহুদী
Optical Fibre Cable Peter Schultz ইহুদী
Traffic Lights Charles Adler ইহুদী
Stainless Steel Benno Strauss ইহুদী
Sound Movies Isador Kisee ইহুদী
Telephone Microphone Emile Berliner ইহুদী
Video Tape Recorder Charles Ginsburg ইহুদী
বিশ্বে প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যবসায়ী ব্যক্তি:
Polo Ralph Lauren ইহুদী
Coca Cola ইহুদী
Levi's Jeans Levi Strauss ইহুদী
Starbuck's Howard Schultz ইহুদী
Google Sergey Brin ইহুদী
Dell Computers Michael Dell ইহুদী
Oracle Larry Ellison ইহুদী
DKNY Donna Karan ইহুদী
Baskin & Robbins Irv Robbins ইহুদী
Irv Robbins Bill Rosenberg ইহুদী
সাম্প্রতিক কয়েক দশকের প্রভাবশালী ই্হুদী বুদ্ধীজীবি ও পলিটিশিয়ান কারা ছিলেন?
Henry Kissinger US Sec of State
Richard Levin President Yale University
Alan Greenspan US Federal Reserve
Madeleine Albright US Secretary of State
Casper Weinberger US Secretary of Defence
Maxim Litvinov USSR Foreign Minister
David Marshal Chief Minister, Singapore
Isaacs Isaacs Governor General., Australia
Benjamin Disraeli British Statesman
Yevgeny Primakov Russian PM
Barry Goldwater US Politician
Jorge Sampaio President Portugal
Herb Gray Canadian Deputy – PM
Pierre Mendes French PM
Michael Howard British Home Sec
Bruno Kriesky Austrian Chancellor
Robert Rubin US Sec of Treasury
Wolf Blitzer মিডিয়ায় প্রভাবশালী CNN
Barbara Walters মিডিয়ায় প্রভাবশালী ABC News
Henry Grunwald Time Magazine
বিশ্বের ইহুদী দানশীল ব্যক্তি:
George Soros
Walter Annenberg
পুরা মুসলিম বিশ্বে (৫৭ টি দেশ) মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা মাত্র পাঁচ শত।
আমেরিকার একাই আছে ৫,৭৫৮ ইউনির্ভাসিটি
ভারতে আছে ৮,৪৭০টি
গড় পড়তা শিক্ষার হার:
শিক্ষার হার ক্রিষ্টান বিশ্বে ৯০%
শিক্ষার হার মুসলমি দেশে ৪০%
১৫টি ক্রিষ্টান সংখ্যা গরিষ্ট দেশের শিক্ষার হার ১০০% শিক্ষিত
১০০% শিক্ষিত মুসলিম দেশ সংখ্যা : একটাও নাই!
৯৮% ক্রিষ্টান দেশের লোক কমপক্ষে প্রাইমারী স্কুল পর্যন্ত পড়ালেখা শেষ করেছে
মুসলমি বিশ্বের মাত্র ৫০% প্রাইমারী স্কুল পর্যন্ত পড়ালেখা শেষ করতে সক্ষম হয়েছে।
৪০% ক্রিষ্টান সংখ্যা গরিষ্ট দেশের মানুষ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করেছে
আর মুসলমি দেশে দশমিক অর্থাৎ পয়েন্ট ২% বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত অধ্যায়ন করতে পেরেছে।
এবার দেখুন বিজ্ঞানির হার:
মুসলিম দেশের গড়পড়তা ২৩০ জন বিজ্ঞানি প্রতি দশ লক্ষ বা এক মিলিয়ন মুসলমিদের মাঝে।
অমেরিকাতে ৫০০০ বিজ্ঞানি পাওয়া যাবে প্রতি মিলিয়নে।
ক্রিষ্টান বিশ্বে ১০০০ টেকনেশিয়ান পাওয়া যায় প্রতি মিলিয়নে।
পুরা আরব বিশ্বে মাত্র ৫০ জন টেকনেশিয়ান পাওয়া যায় প্রতি মিলিয়নে।
রিচার্স ও জ্ঞানবিজ্ঞান উন্নয়নে মুসলিম বিশ্ব খরচ করে দশমিক ২% জাতীয় আয়ের/GDP.
খৃষ্টান বিশ্ব এ খাতে জাতীয় আয়ের / GDP ব্যয় করে ৫%।
হাইটেক সামগ্রির রপ্তানির পরিমান ০.৯% পাকিস্থানে, ০.২% সৌদী আরব, কুয়েত, মরক্কো ও আলজেরিয়া ০.৩%।
আর অমুসলিম ছোট্ট দেশ সিঙ্গাপুর একাই ৬৮%।
এভাবে অন্যান্য খাতের বেলায় আরো খারাপ পরিসংখ্যান প্রকাশ পায় তাই আলোচনা দীর্ঘায়িত না করে পরিশেষে একথা বলা যায় মুসলিম সমাজ যে প্রক্রিয়ায় চলছে তার পরিবর্তন করতে না পারলে ভবিষ্যত অন্ধকার। একি কাজ একি পদ্ধতীতে সবসময় করে যারা আশা করে ভিন্ন রিজাল্ট তারা আসলে বাস করেন বোকার স্বর্গে।
তাই আজ সময় এসেছে বাক্সবন্ধী মানষিকতার আসান করে সমাজে যুগোপযুগী নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্টার।
উপরোক্ত পরিসংখ্যানের কথা শুনে মুসলিম হিসাবে হয়ত কারো মনে দুঃখ লাগবে আর কেউ হয়তবা বলবেন তো কি হয়েছে দুনিয়ায় এত সফলতা অর্জন মুসলিমদের কাম্য নয় বরং আখেরাতের সফলতা পেতে মনোনিবেশ করাই আমাদের কর্তব্য। তবে দুনিয়ার সফলতা অর্জনে আখেরাতের সফলতা অর্জন বিফল হয়ে যাবে মনে করা কি ঠিক হবে? মহান আল্লাহ তো তাঁর বান্দাকে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যান চাইতে দোয়া শিখিয়েছেন।"রাব্বানা আতিনা ফিদ দুনিয়া হাছানা ওযা ফিল আখিরাতি হাছানা" আর আল্লাহ এ কথাও কোরআনে বলেন যে আল্লাহ কোন জাতিকে সাহায্য করেন না যে তার অবস্থার পরিবর্তনে নিজে চেষ্টা না করে। আল্লাহ তো তাঁর বান্দাকে সৎ কাজের আদেশ ও মন্দ কাজের প্রতিহত করার কথা বলেন। অতএব,পৃথিবীতে শক্তিশালী জাতি হিসাবে দাড়াতে না পারলে মন্দ কাজ কি ভাবে প্রতিহত করা সম্ভব?
বটম লাইন হল,মুসলিমদেরকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে অগ্রসর হতে হবে বিশ্ব জয়ের উদ্দেশ্যে নয় বরং জাতি হিসাবে নিজেদেরকে স্মার্ট ও বুদ্ধিমান প্রমান করে পৃথিবীর বুকে সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধির মধ্যামে আদর্শ জাতি হিসাবে নিজেদের অস্থিত্ব রক্ষার স্বার্থে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন