কারবালা, এজিদ, মুয়াবিয়া নাসেবী, শিয়া, মওদূদী ও আহলে বায়েত
হযরত আলীকে অভিশাপ দেয়া ছিল মুয়াবিয়ার রাষ্ট্রীয় নীতি: সাহাদত হোসেন খান মৃত ব্যক্তিকে অসম্মান করা কেউ পছন্দ করে না। আর ইসলাম তো এ ধরনের ঘৃণ্য কাজের অনুমোদন দিতে পারে না। ৪১ হিজরিতে আমিরে মুয়াবিয়া কুরআন পরিপন্থী রাজতন্ত্র কায়েম করলে মুসলিম সাম্রাজ্যে ৭০ হাজারেরও অধিক মসজিদে জুম্মার খুৎবায় হযরত আলী ও পবিত্র আহলে বাইতদের উপর অভিসম্পাত প্রদানের হুকুম কার্যকর করা হয়। মুয়াবিয়ার আদেশটি ছিল এরূপ: ‘আল্লাহর কসম! কখনো আলীকে অভিসম্পাত দেয়া বন্ধ করবে না যতদিন শিশুগণ যুবকে এবং যুবকগণ বৃদ্ধে পরিণত না হয়। সারা দুনিয়ায় আলীর ফজিলত বর্ণনাকারী আর কেউ থাকবে না।’ মুয়াবিয়া নিজে এবং তার গভর্নররা রসূলের (সা.) পবিত্র রওজা মোবারকের পাশে মসজিদে নববীর মিম্বরে দাঁড়িয়ে তার প্রিয় আহলে বাইতদের অভিসম্পাত করতেন। হযরত আলীর সন্তান ও নিকটাত্মীয়গণ তা শুনতে বাধ্য হতেন। আর নীরবে অশ্রুপাত করতেন। যে বছর থেকে হযরত আলীর বংশধরদের অভিশাপ দেয়া শুরু হয় সেই বছর থেকে মুয়াবিয়া আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াত চালু করেন। মুয়াবিয়া ও তার উত্তরাধিকারীদের শাসন ব্যবস্থায় খুৎবা প্রদানকা...