শরীয়া আইনও মানব রচিত আইনই
শরিয়া আইনের পক্ষে ও বিপক্ষে বেশ কিছু বই পড়ার পর আমার ব্যক্তিগত মূল্যায়ন হলো একে পুরোপুরি ‘আল্লাহর আইন’ বলা কঠিন। কারণ প্রচলিত শরিয়া ব্যবস্থার বড় একটি অংশ গড়ে উঠেছে মানুষের ব্যাখ্যা, ফিকহ, কিয়াস, ইজতিহাদ ও বিভিন্ন আলেমের মতামতের ভিত্তিতে। তাই আমার কাছে এটি অনেকটাই মানব-রচিত আইনব্যবস্থা বলেই মনে হয়। এবং অনেক কিছুই সরাসরি কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক৷ শরিয়তের উৎস সম্পর্কে ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম মুহাম্মদ ইবন ইদরিস আল-শাফিঈ পৃথকভাবে দুটি বই লিখেছিলেন। বই দুটিতে প্রায় ছয় হাজার আইন রয়েছে। আর বাংলাদেশের ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত ইসলামি আইনের বইগুলোতে মোট আইনের সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার। অথচ কোরআনে আইন বা এ-সম্পর্কিত আয়াত রয়েছে মাত্র কয়েকটি, এবং হাদিসে রয়েছে আরও অল্প কিছু। বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন গ্রন্থের ৩য় খণ্ডের ৫১ অধ্যায়ে মোট ১৮৬টি আইন উল্লেখ আছে। সেখানে ৩৪৪টি সূত্রের মধ্যে কুরআনের আয়াত মাত্র ১টি, সহিহ হাদিস ১৮১টি এবং বাকি ১৬২টি সূত্র বিভিন্ন আলেম, ফকিহ বা মানবীয় ব্যাখ্যাভিত্তিক মতামত বলে দাবি করা হয়। শরিয়া আইনে মুরতাদকে তিন দিন সময় দেওয়া হয় তওবা ক...