পোস্টগুলি

মে, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নাস্তিকতার যুক্তি

পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ১.৯ বিলিয়ন মানুষ কেন পৃথিবীর প্রচলিত কোন ধর্মে বিশ্বাস করেন না আদম সম্পর্কে ইহুদি , খ্রিস্টান ও মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থে বলা হয়েছে, তিনি প্রায় ৬০ কীউবিট অর্থাৎ ৯০- ১০০ ফুট লম্বা একজন মানুষ ছিলেন।আদম ছিলেন পৃথিবীর ইতিহাসে হিব্রু বাইবেলের একটি চরিত্র।ইহুদীরাই সর্বপ্রথম পৃথিবীতে বুক অফ জেনেসিসের মাধ্যমে আদম নামক পৃথিবীর প্রথম মানবের গল্প প্রচার করে। চীনে ৮৫ মিলিয়ন বছরের পুরোনো ডায়নোসরের ডিম পাওয়া গেলেও পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত ৯০ ফুট লম্বা কোন মানবের অস্তিত্ব ও কঙ্কাল আবিস্কৃত হয়নি। Tyrannosaurus Rex নামক ৬৮ মিলিয়ন বছর পুরোনো ডায়নোসরের ফসিল অবিস্কৃত হলেও আজ পর্যন্ত সর্বোচ্চ দশ হাজার বছরের পুরোনো পৃথিবীর প্রথম মানবের কোন চিহ্ন কোন প্রত্নতাত্ত্বিক বিজ্ঞানী পুরো পৃথিবী তন্ন তন্ন করেও আবিষ্কার করতে পারেন নি।  পৃথিবীর প্রায় সব বড় ধর্ম তথা কোরআন , বাইবেল ও তোরাহ গ্রন্থে এক ঈশ্বরের কথা থাকলেও বিগ ব্যাং থিওরি তথা ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগের মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও চার্লস ডারউইনের থিউরি অফ ইভ্যালুশন বইগুলো পড়লে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব সম্পর্কে আপনি প্রশ্ন করতে বাধ্য হবেন।বিজ...

শরীয়া আইনও মানব রচিত আইনই

 শরিয়া আইনের পক্ষে ও বিপক্ষে বেশ কিছু বই পড়ার পর আমার ব্যক্তিগত মূল্যায়ন হলো একে পুরোপুরি ‘আল্লাহর আইন’ বলা কঠিন। কারণ প্রচলিত শরিয়া ব্যবস্থার বড় একটি অংশ গড়ে উঠেছে মানুষের ব্যাখ্যা, ফিকহ, কিয়াস, ইজতিহাদ ও বিভিন্ন আলেমের মতামতের ভিত্তিতে। তাই আমার কাছে এটি অনেকটাই মানব-রচিত আইনব্যবস্থা বলেই মনে হয়। এবং অনেক কিছুই সরাসরি কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক৷  শরিয়তের উৎস সম্পর্কে ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম মুহাম্মদ ইবন ইদরিস আল-শাফিঈ পৃথকভাবে দুটি বই লিখেছিলেন। বই দুটিতে প্রায় ছয় হাজার আইন রয়েছে। আর বাংলাদেশের ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত ইসলামি আইনের বইগুলোতে মোট আইনের সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার।  অথচ কোরআনে আইন বা এ-সম্পর্কিত আয়াত রয়েছে মাত্র কয়েকটি, এবং হাদিসে রয়েছে আরও অল্প কিছু। বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন গ্রন্থের ৩য় খণ্ডের ৫১ অধ্যায়ে মোট ১৮৬টি আইন উল্লেখ আছে। সেখানে ৩৪৪টি সূত্রের মধ্যে কুরআনের আয়াত মাত্র ১টি, সহিহ হাদিস ১৮১টি এবং বাকি ১৬২টি সূত্র বিভিন্ন আলেম, ফকিহ বা মানবীয় ব্যাখ্যাভিত্তিক মতামত বলে দাবি করা হয়।  শরিয়া আইনে মুরতাদকে তিন দিন সময় দেওয়া হয় তওবা ক...

আদম আ. এর উচ্চতা বিষয়ক জাল হাদীস

ছবি
 হাদিসে বর্ণিত ‘আদমের ৬০ হাত উচ্চতা’ কি বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিক? হাদিসের কিতাবগুলোতে (সহীহ বুখারী: ৩৩২৬, মুসলিম: ২৮৪১) বর্ণিত আছে— আদম (আ.)-কে ৬০ হাত উচ্চতায় সৃষ্টি করা হয়েছিল, তারপর মানুষের উচ্চতা ক্রমশ কমে যায়। কিন্তু এই বক্তব্য- যুক্তি ও বিজ্ঞানসম্মত নয়। বিজ্ঞানের তথ্য ও যুক্তি --- ১. পদার্থবিজ্ঞান ও স্কোয়ার-কিউব ল (The Physics Trap) গ্যালিলিও গ্যালিলিও প্রথম এই সূত্রটি ব্যাখ্যা করেন। যদি কোনো প্রাণীর উচ্চতা ও দৈর্ঘ্য ১০ গুণ বাড়ানো হয়, তবে তার পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল (Surface area) বাড়বে ১০০ গুণ (10^2), কিন্তু তার আয়তন ও ওজন বাড়বে ১,০০০ গুণ (10^3)।  *হাড়ের সীমাবদ্ধতা: মানুষের হাড়ের ঘনত্ব এবং শক্তি তার ওজনের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে পারে না। ৯০ ফুট উচ্চতার একজন মানুষের ওজন কয়েকশ টন হতো। তার পায়ের হাড় নিজের শরীরের ভার সইতে না পেরে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যেত। *কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেম: ৯০ ফুট উপরে মস্তিষ্কে রক্ত পাম্প করার জন্য যে শক্তিশালী হৃদপিণ্ড প্রয়োজন, তা মানবদেহের কাঠামোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বর্তমান মানুষের ১২০ mmHg রক্তচাপ সেখানে কয়েক হাজার mmHg হতে হতো, যা ধমনী ফাটিয়ে দেওয়ার জন্য ...