বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ভারতের নিকট হস্তান্তর
১. আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, মুসলিম শিশু কিশোরদের চরিত্র নষ্ট করার
জন্য পরিকল্পিতভাবে পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষার চ্যাপ্টার সংযোজন করেছে ।
২. জীবন দিয়ে দেশ রক্ষার দায়িত্ব পালনে শপথ নেয়া ৫৭ জন সেনা অফিসারকে নির্মমভাবে সূক্ষ্ম পরিকল্পনার মাধ্যমে হত্যা করা হয়।
৩. সকল গুরুত্বপূর্ণ থানার ওসি ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ডিসি হিন্দু। দেশে হিন্দুদের সংখ্যা ২%। অথচ পুলিশ বিভাগে হিন্ন্দু নিয়োগ দেয়া হয়েছে ৬০%-এর উপরে।
৪. পুলিশ বিভাগকে হিন্দুয়ায়ন করা হয়েছে অবিশ্বাস্য গতিতে। হাজার হাজার পশ্চিম বাংলার হিন্দুদেরকে গোপালগঞ্জের ঠিকানায় পুলিশ বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
৫. দেশের সকল স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানের প্রধান করা হয়েছে হিন্দুদের।
৬. কয়েক ডজন ভারতীয় চ্যানেল এদেশের মানুষের মগজ ধোলাই করার জন্য চালু করা হয়। অথচ পশ্চিম বাংলার বাঙালিদের বাংলাদেশী কোন চ্যানেল দেখতে দেয়া হয় না।
৭. আমাদের বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও মূল্যবান ব্লক নাম মাত্র মূল্যে ভারতকে ইজারা দেয়া হয়।
8. পার্বত্য চট্টগ্রামকে আলাদা করে ফেলার জন্য পাহাড়িদেরকে ব্যাপক হারে খ্রিস্টান বানানো হচ্ছে। দক্ষিণ সোমালিয়া এবং ইস্ট তিমুর অধিবাসীদেরকে ও এভাবে ধর্মান্তরিত করে মুসলমান দেশ থেকে আলাদা করে ফেলা হয়।
9. বাংলাদেশের ৬৬টি পণ্য ভারত নিজ নামে পেটেন্ট করে নিয়েছে।
10. বর্তমানে এদেশের পোশাক শিল্পে ভারতের কম/বেশি ১৫ লক্ষ কর্মকর্তা কাজ করে। পরিকল্পিতভাবেই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্পকে ধ্বংস করা হচ্ছে দিনের আলোতে, আমাদের সকলের চোখের সামনে।
11. বিশ্ব ইতিহাসের কোথাও একটি উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যাবে না যে, গোয়েন্দা কার্যক্রমের জন্য গোয়েন্দা প্রধানদের ফাঁসি হয়েছে। অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকার গোয়েন্দা প্রধানদের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে ভারতের নির্দেশে। গত ৪৩ বছর ধরে ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনী র’ যে আমাদের দেশের চাকমাদের অস্ত্র এবং প্রশিক্ষণ দিল তার জন্য কি আমরা (বন্ধুপ্রতীম?) ভারতের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বিচার দাবি করতে পারি? এরকম দাবি করলে ওরা (ভারত) তাদের পবিত্র গো-চনা পান করাবে আমাদের বর্তমান সরকারকে। বর্তমান সরকার যে নির্বিচারে খুন এবং গুমের সুনামি চালু করেছে সে জন্য কি পরবর্তী সরকার বর্তমানে কর্তব্যরত গোয়েন্দা, সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ ও বিজিবি প্রধান, সকলকে ফাঁসি দেবে?
12. দেশটি নিয়ন্ত্রণে নেয়ার জন্যে দুটি বিপরীতমুখী শক্তি কাজ করছে, এক দিকে আমেরিকা/ন্যাটো আর অন্য দিকে হচ্ছে চীন/রাশিয়া। আর আমাদের ক্ষেত্রে ও দুটি শক্তি কাজ করছে, তবে এরা বিপরীতমুখী নয়, একমুখী। ভারত এ দেশটিকে সিকিমের মতো দখলে নিতে চায় আর আমাদের সরকার প্রাক্তন সিকিম সরকারের মতো তা হস্তান্তর করতে চায়।
13. ভারতীয় বিভিন্ন আত্মঘাতী নীতিমালা গ্রহণের মাধ্যমে ২য় বৃহত্তম শিল্প গৃহায়ণ শিল্পকেও ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।
১৪. বর্তমান সরকারের অধিকাংশ মন্ত্রী নাস্তিক, সকল গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কিংবা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ হিন্দুদের দখলে।
১৫. দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নাস্তিক করার জন্য শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছে স¦ঘোষিত নাস্তিক এবং তার মন্ত্রণালয়ের ৭০ ভাগ কর্মকর্তা হিন্দু। শিক্ষা অধিদপ্তরেরও ওই একই অবস্থা।
১৬. বিভিন্ন দেশদ্রোহী বাহানায় প্রায় একশত দেশপ্রেমিক অফিসারদের চাকরিচ্যুতি করা হয়।
১৭. সেনাবাহিনী এতদিন পরিচালিত হয়েছে ২৩ জন জেনারেল কর্তৃক, অথচ বর্তমান আওয়ামী সরকার সূক্ষ্ম পরিকল্পনার মাধ্যমে ৫৫ জনকে জেনারেল বানিয়ে, সেনাবাহিনীকে একটি মাথা ভারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে।
১৮. আওয়ামী লীগ অত্র অঞ্চলের যে মানুষগুলোর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে, তারা হলো ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী মুসলমানদের। ধর্ম ইসলাম ও নবী রসূলদেরকে নিয়ে ব্লগারদের দ্বারা হেন ন্যক্কার জনক অপপ্রচার নেই যা করা হয়নি। পৃথিবীর কোন দেশে ধর্ম ইসলামকে এত জঘন্যভাবে বেইজ্জতি করা হয়নি, যা হয়েছে এবার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। আওয়ামী লীগ ওইসব ইসলাম বিদ্বেষী ব্লগারদেরকে পুলিশ গানম্যান দিয়ে নিরাপত্তা দিয়েছে। বিভিন্ন ষ্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিকল্পিতভাবে হিন্দু শিক্ষকদের দ্বারা মুসলমান ছাত্রীদের ধর্ষণ করানো হয়েছে।
১৯. যেখানে ভারত পশ্চিমবঙ্গের বাংলাভাষীদের বাংলাদেশী কেবল টিভি দেখতে দেয়া হয় না। সেখানে আমাদের মাননীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ভারতীয় চলচ্চিত্র আমাদের সিনেমা হলগুলোতে চালু করতে বদ্ধপরিকর। কেউ যদি এদেশে মন্ত্রী পর্যায়ের কোন ’র’ এর এজেন্ট দেখতে চান, ওই বর্ণচোরা আসাদকে একবার দেখে নিলেই তার জন্য যথেষ্ট হবে।
২০. পৃথিবীর কোন স্বাধীনদেশের প্রধানমন্ত্রী ব্যাবসায়িক প্রতিদ্বন্দী দেশ থেকে উপদেষ্টা নিয়োগ করে না। অথচ আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিক্রমদাশগুপ্ত নামে এক ভারতীয় নাগরিককে সফ্টওয়্যার উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। বাংলাদেশের উদীয়মান এ সফটওয়্যার শিল্পকে পঙ্গু করতে এর চেয়ে ভাল ব্যাবস্থা আর কি হতে পারে?
২. জীবন দিয়ে দেশ রক্ষার দায়িত্ব পালনে শপথ নেয়া ৫৭ জন সেনা অফিসারকে নির্মমভাবে সূক্ষ্ম পরিকল্পনার মাধ্যমে হত্যা করা হয়।
৩. সকল গুরুত্বপূর্ণ থানার ওসি ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ডিসি হিন্দু। দেশে হিন্দুদের সংখ্যা ২%। অথচ পুলিশ বিভাগে হিন্ন্দু নিয়োগ দেয়া হয়েছে ৬০%-এর উপরে।
৪. পুলিশ বিভাগকে হিন্দুয়ায়ন করা হয়েছে অবিশ্বাস্য গতিতে। হাজার হাজার পশ্চিম বাংলার হিন্দুদেরকে গোপালগঞ্জের ঠিকানায় পুলিশ বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
৫. দেশের সকল স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানের প্রধান করা হয়েছে হিন্দুদের।
৬. কয়েক ডজন ভারতীয় চ্যানেল এদেশের মানুষের মগজ ধোলাই করার জন্য চালু করা হয়। অথচ পশ্চিম বাংলার বাঙালিদের বাংলাদেশী কোন চ্যানেল দেখতে দেয়া হয় না।
৭. আমাদের বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও মূল্যবান ব্লক নাম মাত্র মূল্যে ভারতকে ইজারা দেয়া হয়।
8. পার্বত্য চট্টগ্রামকে আলাদা করে ফেলার জন্য পাহাড়িদেরকে ব্যাপক হারে খ্রিস্টান বানানো হচ্ছে। দক্ষিণ সোমালিয়া এবং ইস্ট তিমুর অধিবাসীদেরকে ও এভাবে ধর্মান্তরিত করে মুসলমান দেশ থেকে আলাদা করে ফেলা হয়।
9. বাংলাদেশের ৬৬টি পণ্য ভারত নিজ নামে পেটেন্ট করে নিয়েছে।
10. বর্তমানে এদেশের পোশাক শিল্পে ভারতের কম/বেশি ১৫ লক্ষ কর্মকর্তা কাজ করে। পরিকল্পিতভাবেই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্পকে ধ্বংস করা হচ্ছে দিনের আলোতে, আমাদের সকলের চোখের সামনে।
11. বিশ্ব ইতিহাসের কোথাও একটি উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যাবে না যে, গোয়েন্দা কার্যক্রমের জন্য গোয়েন্দা প্রধানদের ফাঁসি হয়েছে। অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকার গোয়েন্দা প্রধানদের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে ভারতের নির্দেশে। গত ৪৩ বছর ধরে ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনী র’ যে আমাদের দেশের চাকমাদের অস্ত্র এবং প্রশিক্ষণ দিল তার জন্য কি আমরা (বন্ধুপ্রতীম?) ভারতের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বিচার দাবি করতে পারি? এরকম দাবি করলে ওরা (ভারত) তাদের পবিত্র গো-চনা পান করাবে আমাদের বর্তমান সরকারকে। বর্তমান সরকার যে নির্বিচারে খুন এবং গুমের সুনামি চালু করেছে সে জন্য কি পরবর্তী সরকার বর্তমানে কর্তব্যরত গোয়েন্দা, সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ ও বিজিবি প্রধান, সকলকে ফাঁসি দেবে?
12. দেশটি নিয়ন্ত্রণে নেয়ার জন্যে দুটি বিপরীতমুখী শক্তি কাজ করছে, এক দিকে আমেরিকা/ন্যাটো আর অন্য দিকে হচ্ছে চীন/রাশিয়া। আর আমাদের ক্ষেত্রে ও দুটি শক্তি কাজ করছে, তবে এরা বিপরীতমুখী নয়, একমুখী। ভারত এ দেশটিকে সিকিমের মতো দখলে নিতে চায় আর আমাদের সরকার প্রাক্তন সিকিম সরকারের মতো তা হস্তান্তর করতে চায়।
13. ভারতীয় বিভিন্ন আত্মঘাতী নীতিমালা গ্রহণের মাধ্যমে ২য় বৃহত্তম শিল্প গৃহায়ণ শিল্পকেও ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।
১৪. বর্তমান সরকারের অধিকাংশ মন্ত্রী নাস্তিক, সকল গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কিংবা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ হিন্দুদের দখলে।
১৫. দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নাস্তিক করার জন্য শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছে স¦ঘোষিত নাস্তিক এবং তার মন্ত্রণালয়ের ৭০ ভাগ কর্মকর্তা হিন্দু। শিক্ষা অধিদপ্তরেরও ওই একই অবস্থা।
১৬. বিভিন্ন দেশদ্রোহী বাহানায় প্রায় একশত দেশপ্রেমিক অফিসারদের চাকরিচ্যুতি করা হয়।
১৭. সেনাবাহিনী এতদিন পরিচালিত হয়েছে ২৩ জন জেনারেল কর্তৃক, অথচ বর্তমান আওয়ামী সরকার সূক্ষ্ম পরিকল্পনার মাধ্যমে ৫৫ জনকে জেনারেল বানিয়ে, সেনাবাহিনীকে একটি মাথা ভারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে।
১৮. আওয়ামী লীগ অত্র অঞ্চলের যে মানুষগুলোর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে, তারা হলো ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী মুসলমানদের। ধর্ম ইসলাম ও নবী রসূলদেরকে নিয়ে ব্লগারদের দ্বারা হেন ন্যক্কার জনক অপপ্রচার নেই যা করা হয়নি। পৃথিবীর কোন দেশে ধর্ম ইসলামকে এত জঘন্যভাবে বেইজ্জতি করা হয়নি, যা হয়েছে এবার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। আওয়ামী লীগ ওইসব ইসলাম বিদ্বেষী ব্লগারদেরকে পুলিশ গানম্যান দিয়ে নিরাপত্তা দিয়েছে। বিভিন্ন ষ্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিকল্পিতভাবে হিন্দু শিক্ষকদের দ্বারা মুসলমান ছাত্রীদের ধর্ষণ করানো হয়েছে।
১৯. যেখানে ভারত পশ্চিমবঙ্গের বাংলাভাষীদের বাংলাদেশী কেবল টিভি দেখতে দেয়া হয় না। সেখানে আমাদের মাননীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ভারতীয় চলচ্চিত্র আমাদের সিনেমা হলগুলোতে চালু করতে বদ্ধপরিকর। কেউ যদি এদেশে মন্ত্রী পর্যায়ের কোন ’র’ এর এজেন্ট দেখতে চান, ওই বর্ণচোরা আসাদকে একবার দেখে নিলেই তার জন্য যথেষ্ট হবে।
২০. পৃথিবীর কোন স্বাধীনদেশের প্রধানমন্ত্রী ব্যাবসায়িক প্রতিদ্বন্দী দেশ থেকে উপদেষ্টা নিয়োগ করে না। অথচ আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিক্রমদাশগুপ্ত নামে এক ভারতীয় নাগরিককে সফ্টওয়্যার উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। বাংলাদেশের উদীয়মান এ সফটওয়্যার শিল্পকে পঙ্গু করতে এর চেয়ে ভাল ব্যাবস্থা আর কি হতে পারে?
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন