‘হিন্দুত্ব’ কোন ধর্মবিশ্বাস নয়, ওরফে একটি মুসলিম জাতিবিদ্বেষী মতবাদ মাত্র
ভারতে হিন্দু সন্ত্রাসবাদের পিতৃপুরুষদের একজন হলো বিনায়ক দামোদর সাভারকার।
সে ছিল অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভার প্রধান। ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই
সংগঠনটিকে বিজেপি আরএসএসের মতো বর্তমান যুগের উগ্র হিন্দু সংগঠনগুলোর আদি
পিতা বলে ধরে নেয়া হয়। ‘হিন্দুত্ব’ শব্দটি সাভারকারেরই মস্তিষ্কপ্রসূত।
সাভারকার তার রচিত ‘হিন্দুত্ব’ নামক পুস্তিকাতে উল্লেখ করেছিল,
“সেই ব্যক্তিই একজন হিন্দু, যে হিন্দুস্তানকে তার ‘পিতৃভূমি’ এবং ‘পুণ্যভূমি’ বলে স্বীকার করে। সে ব্যক্তি সনাতন ধর্মের অনুসারী কিনা, তা গুরুত্বহীন। একজন হিন্দুকে সামগ্রিকভাবে ‘হিন্দু সংস্কৃতি’কে ভালবাসতে হবে, গ্রহণ করতে হবে এবং তার পক্ষে থাকতে হবে।” (সূত্র: এন্ড অফ ইন্ডিয়া, খুশবন্ত সিং, পৃষ্ঠা ২৮)
উপরোক্ত বক্তব্যটি লক্ষ্য করলেই দেখা যায়, সাভারকার হিন্দুপরিচয়ের ভিত্তি হিসেবে দাঁড় করিয়েছে হিন্দু সংস্কৃতি তথা হিন্দুয়ানী আচারসর্বস্বতাকে। ধর্মীয় বিশ্বাসকে সে বলেছে গুরুত্বহীন! এর ব্যাখা কি?
গান্ধী তার ‘হিন্দুধর্ম কি?’ নামক পুস্তিকাতে বলেছিল, ‘হিন্দুধর্মের কোন নির্দিষ্ট মতবাদ নেই।’ হিন্দু মতবাদ অনুযায়ী একজন একজন হিন্দু ঈশ্বরে বিশ্বাস করতেও পারে, নাও করতে পারে, বিশ্বাসের কোন নির্দিষ্ট ধরাবাঁধা হিন্দুধর্মে নেই। উইকিপিডিয়াতে সাভারকারের ধর্মীয় পরিচয় দেয়া হয়েছে hindu atheist, অর্থাৎ হিন্দু নাস্তিক। কারণ সে কোন ধর্মে বিশ্বাস করত না, সে বিশ্বাস করত কেবলি ‘হিন্দুত্বে’। নাস্তিকতা ও হিন্দুত্ব কিভাবে হাত ধরাধরি করে চলতে পারে, তা আমরা দেখতে পাই এদেশে পূজার মৌসুমে। যখন বাম আওয়ামীপন্থী ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ নেতারা "দিদিদের" হাতে সিঁদুরের ফোঁটা নিতে মন্দিরে ভিড় জমায়। সাভারকারের মতো তাদের বিশ্বাসও কেবলি ‘বাঙালিত্বে’, কোন ধর্মে নয়।
হিন্দুধর্ম হলো একটি আচারসর্বস্ব মতবাদ। একারণে কঠোরভাবে হিন্দুধর্ম পালনকারীদের ধার্মিক বলে সম্বোধন করা হয়না, তাদেরকে বলা হয় ‘আচারনিষ্ঠ’। অন্যান্য ধর্মের ন্যায় সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসের বিষয়টি এখানে মুখ্য নয়, বরং বিভিন্ন আচার তথা রসম রেওয়াজ পালনের বিষয়টিই মুখ্য। কথিত দেবতাদের নিয়ে অশ্লীল বৈষ্ণব পদাবলী রচনা করলেও হিন্দুদের জাত যায়না, তাদের জাত যায় মুসলমানের ছোঁয়া লাগলে। নাউযুবিল্লাহ! কারণ বিভিন্ন মতবাদে বিভক্ত সব হিন্দুর লক্ষ্য একটি জায়গায় এসে মিলে যায়, আর তাহলো মুসলমানদের শহীদ করা।
ইতিহাসবিদ গোলাম আহমদ মোর্তজা তাঁর ‘ইতিহাসের এক বিস্ময়কর অধ্যায়’ নামক বইয়ের ৩৮তম পৃষ্ঠাতে একটি ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন। ভারতের পুনেতে বসন্ত ব্যাখ্যানমালা নামক সভায় উক্ত বিনায়ক সাভারকারের নাতি বিক্রম সাভারকার তার একটি বক্তৃতায় বলেছিল, প্রত্যেক হিন্দুর জীবনকালে অন্তত একজন মুসলমানকে হত্যা করা উচিত। বক্তৃতা প্রদানকালে দুঃখের সাথে সে উল্লেখ করেছিল, তার জীবনে একজন মুসলমানকে স্বহস্তে হত্যা করা তার পক্ষে সম্ভবপর হয়নি। তবে সে আশাবাদী, তার বক্তব্য থেকে অপরাপর হিন্দুরা উৎসাহ লাভ করবে। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
“সেই ব্যক্তিই একজন হিন্দু, যে হিন্দুস্তানকে তার ‘পিতৃভূমি’ এবং ‘পুণ্যভূমি’ বলে স্বীকার করে। সে ব্যক্তি সনাতন ধর্মের অনুসারী কিনা, তা গুরুত্বহীন। একজন হিন্দুকে সামগ্রিকভাবে ‘হিন্দু সংস্কৃতি’কে ভালবাসতে হবে, গ্রহণ করতে হবে এবং তার পক্ষে থাকতে হবে।” (সূত্র: এন্ড অফ ইন্ডিয়া, খুশবন্ত সিং, পৃষ্ঠা ২৮)
উপরোক্ত বক্তব্যটি লক্ষ্য করলেই দেখা যায়, সাভারকার হিন্দুপরিচয়ের ভিত্তি হিসেবে দাঁড় করিয়েছে হিন্দু সংস্কৃতি তথা হিন্দুয়ানী আচারসর্বস্বতাকে। ধর্মীয় বিশ্বাসকে সে বলেছে গুরুত্বহীন! এর ব্যাখা কি?
গান্ধী তার ‘হিন্দুধর্ম কি?’ নামক পুস্তিকাতে বলেছিল, ‘হিন্দুধর্মের কোন নির্দিষ্ট মতবাদ নেই।’ হিন্দু মতবাদ অনুযায়ী একজন একজন হিন্দু ঈশ্বরে বিশ্বাস করতেও পারে, নাও করতে পারে, বিশ্বাসের কোন নির্দিষ্ট ধরাবাঁধা হিন্দুধর্মে নেই। উইকিপিডিয়াতে সাভারকারের ধর্মীয় পরিচয় দেয়া হয়েছে hindu atheist, অর্থাৎ হিন্দু নাস্তিক। কারণ সে কোন ধর্মে বিশ্বাস করত না, সে বিশ্বাস করত কেবলি ‘হিন্দুত্বে’। নাস্তিকতা ও হিন্দুত্ব কিভাবে হাত ধরাধরি করে চলতে পারে, তা আমরা দেখতে পাই এদেশে পূজার মৌসুমে। যখন বাম আওয়ামীপন্থী ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ নেতারা "দিদিদের" হাতে সিঁদুরের ফোঁটা নিতে মন্দিরে ভিড় জমায়। সাভারকারের মতো তাদের বিশ্বাসও কেবলি ‘বাঙালিত্বে’, কোন ধর্মে নয়।
হিন্দুধর্ম হলো একটি আচারসর্বস্ব মতবাদ। একারণে কঠোরভাবে হিন্দুধর্ম পালনকারীদের ধার্মিক বলে সম্বোধন করা হয়না, তাদেরকে বলা হয় ‘আচারনিষ্ঠ’। অন্যান্য ধর্মের ন্যায় সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসের বিষয়টি এখানে মুখ্য নয়, বরং বিভিন্ন আচার তথা রসম রেওয়াজ পালনের বিষয়টিই মুখ্য। কথিত দেবতাদের নিয়ে অশ্লীল বৈষ্ণব পদাবলী রচনা করলেও হিন্দুদের জাত যায়না, তাদের জাত যায় মুসলমানের ছোঁয়া লাগলে। নাউযুবিল্লাহ! কারণ বিভিন্ন মতবাদে বিভক্ত সব হিন্দুর লক্ষ্য একটি জায়গায় এসে মিলে যায়, আর তাহলো মুসলমানদের শহীদ করা।
ইতিহাসবিদ গোলাম আহমদ মোর্তজা তাঁর ‘ইতিহাসের এক বিস্ময়কর অধ্যায়’ নামক বইয়ের ৩৮তম পৃষ্ঠাতে একটি ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন। ভারতের পুনেতে বসন্ত ব্যাখ্যানমালা নামক সভায় উক্ত বিনায়ক সাভারকারের নাতি বিক্রম সাভারকার তার একটি বক্তৃতায় বলেছিল, প্রত্যেক হিন্দুর জীবনকালে অন্তত একজন মুসলমানকে হত্যা করা উচিত। বক্তৃতা প্রদানকালে দুঃখের সাথে সে উল্লেখ করেছিল, তার জীবনে একজন মুসলমানকে স্বহস্তে হত্যা করা তার পক্ষে সম্ভবপর হয়নি। তবে সে আশাবাদী, তার বক্তব্য থেকে অপরাপর হিন্দুরা উৎসাহ লাভ করবে। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন