পরাধীনতার পথে সোনার বাংলাদেশ: গোয়েন্দাবাহিনী ও বিচারক পদে গণহারে হিন্দু নিয়োগের তালিকা




দেশের নিরাপত্তার জন্য সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা বাহিনী। আর বাংলাদেশের এক নম্বর গোয়েন্দা সংস্থা হচ্ছে,‘জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদফতর’বা ‘এনএসআই’।' কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য সেই গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা বাহিনীও নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে হিন্দুদের হাতে।

এনএসআই’র সহকারি পরিচালক পদে থেকে সরকারী ক্ষমতায় প্রভাব বিস্তার করে আছে তিন হিন্দু কর্মকর্তা:

১) বিপ্লবী রাণী (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক প্রটোকল অফিসার এবং বর্তমান এআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদারের স্ত্রী। উল্লেখ্য অতি স্বজনপ্রীতির কারণে ব্যাপক সমালোচিত এই প্রলয় কুমার জোয়ারদার। যার কারণে ক্ষমতার পালাবদলে সমস্যা হতে পারে এ ভয়ে বিদেশে পাড়ি দিতে দুই বছরের জন্য ছুটিও নিয়ে নিয়েছে প্রলয়)

২) সমিরণ হাওলাদার

৩) অসিত বরুন সরকার।

২০১১ সালে সরকার এনএসআইতে নতুন করে ৯৩ জনকে নিয়োগ দেয়। এর মধ্যে হিন্দু লবিং এ প্রবেশ করানো হয় ২৩ জনকে।

১. সুভংকর রায়

২. নরেশ কুমার বিশ্বাস

৩. পীযূষ কান্তি গুহ

৪. সুদীপ আইচ রায়

৫. সুবল চন্দ্র বণিক

৬. প্রদীপ কুমার অধিকারী

৭. কৃষ্ণচন্দ্র দাস

৮. পলাশ কান্তি তালুকদার (প্রলয় কুমার জোয়ারদারের আত্মীয়)

৯. উত্তম চন্দ্র হাওলাদার

১০. বিক্রমাদিত্য দাস

১১. জহরলাল রবিদাস

১২. পঙ্কজ তালুকদার (প্রলয় কুমার জোয়ারদারের আত্মীয়)

১৩. নিরূপম কুমার রায়

১৪. রাজীব ভট্টাচার্য্য রজত

১৫. রঞ্জিত পুরকায়স্খ

১৬. এমএলএসএস নীতিশ দাশ

১৭. খোকন চক্রবর্তী

১৮. প্রণয়চন্দ্র সরকার

১৯. তপন কান্তি পাল

২০. শংকর জোয়ারর্দার

২১. শিল্পী রানী দাস

২২. অপু হাজারী

২৩. নিতাইচন্দ্র দাস

উল্লেখ্য, পাশের দেশ ভারত ও পাকিস্তানের অনুকরণে বাংলাদেশেও এনএসআইতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকদের নিয়োগ দেয়ার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বনের রেওয়াজ দীর্ঘ দিনের। আওয়ামী লীগ সরকার গতবার ক্ষমতায় গিয়ে এ রেওয়াজ ভাঙতে শুরু করে ।

(hindumalu.wordpress.com/2011/07/08/জাতীয়-গোয়েন্দা-সংস্থায়-ব/#more-22)

এবার আসুন যারা এই দেশে বিচার করবে, সেই জজ-বিচারক পদেও প্রবেশ করানো হয়েছে হিন্দুদের। সম্প্রতি ৬ষ্ঠ ব্যাচে সহকারি জজ পদে নিয়োগ দেয়া ১২৪ জনকে। এর মধ্যে ২২ জনই হিন্দু। (শতকরা হিসেবে ১৭ শতাংশ)

নিয়োগপ্রাপ্ত হিন্দু জজরা হলো:

১) পলাশ কুমার দালাল

১. নির্জন কুমার মিত্র

২. রাজীব দে

৩. পশুপতি বিশ্বাস

৪. সম্পা রানী দাস

৫. শমিষ্ঠা বিশ্বাস

৬. নয়ন চন্দ্র মোদক

৭. দেবব্রত বিশ্বাস

৮. রাজেশ চৌধুরী

৯. সুব্রত মল্লিক

১০. শান্তি চন্দ্র দেবনাথ

১১. রাজীব কুমার রায়

১২. শিপলু কুমারদে

১৩. কাঞ্চন কুমার কুণ্ডু

১৪. বীণা দাশ

১৫. মুক্তা মণ্ডল

১৬. মুক্তা রাণী

১৭. সুলেখা দে

১৮. সঞ্চিতা বিশ্বাস

১৯. প্রবাল চক্রবর্তী

২০. বিপ্লব দেবনাথ

২১. জয়ন্তী রাণীরায়

২২. কৃষ্ণ কমলরায়

(সূত্র:http://www.lawjusticediv.gov.bd/static/6th_bjs_asst_judge_appointment_revised_notice_504.pdf)

অথচ দেখুন পার্শ্ববর্তী ভারত যে ৬৫ বছর ধরে ধর্ম নিরপেক্ষার লেভেল এটে আছে, তারই উত্তর প্রদেশে সম্প্রতি নিয়োগ দেয়া হয়েছে ৭০ জন জজকে। উত্তর প্রদেশে জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মুসলমান, কিন্তু নিয়োগপ্রাপ্ত ৭০ জনের মধ্যে একজনও মুসলমান নেই।

(http://muslimmirror.com/eng/no-muslim-among-70-newly-appointed-judges-in-up-justice-itself-wants-justice/)

উপরের সমীক্ষা গুলোদেখলে সহজেই অনুমেয়, বাংলাদেশকে যেভাবে হিন্দুকরণ করা হচ্ছে তাতে এদেশ নাইজেরিয়া হতে আর বেশিদিন সময় লাগবে না। নাইজেরিয়া যেমন সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশহলেও তার সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ খ্রিস্টানদের দখলে, মুসলমানরা সেখানে খ্রিস্টানদের অধীনস্ত। তেমনি বাংলাদেশের শতকরা ৯৫ ভাগ জনগণ মুসলমান হলেও দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদ চলে যাচ্ছে হিন্দুদের দখলে। আর তাই আমরাও হয়ে যাচ্ছি হিন্দুদের অধিনস্ত.

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নির্ভেজাল ইসলামের স্বরুপ সন্ধানে

ইসলাম ও গনতন্ত্র

সাড়ে তিন হাত বডিতে ইসলাম !