আওয়ামিলীগের প্রতি ভারতের আকুন্ঠ সমর্থনের কারন
(১) শ্রমমুল্য কম >>>>> বাংলাদেশে হাজার হাজার কোটি ডলারের গার্মেন্টস ব্যাবসা।
(২) এই ব্যাবসা ভারতে নিতে হবে >>>>> কিন্তু ভারতের শ্রমমুল্য বাংলাদেশের চেয়ে বেশি >>> ফলে ব্যাবসাটা ভারতে নেওয়া যাচ্ছে না।
(৩) করণীয় ঠিক করতে ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনীকে বাংলাদেশের প্রতি কড়া নজর রাখার নির্দেশ।
(৪) গোয়েন্দা রিপোর্ট >>>> এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে যাতে শ্রমমুল্য কম হলেও কেউ বাংলাদেশে ব্যাবসা করতে যাবে না। সিদ্ধান্ত >>>>> বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধ লাগাতে হবে।
(৫) নির্দেশ -- পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কর।
(৬) "-----" এর কাছে ভারতের ফোন। = আপনি ভারতের শ্রেষ্ঠ বন্ধু। তাই ভারত আপনাকে ও আপনার দলকে সবসময় ক্ষমতায় দেখতে চায়। -- আমরাতো ক্ষমতায় থাকতেই চাই , কিন্তু তা সম্ভব নয়। = আমরা সম্ভব করে দেব , কিন্তু আপনাকে তিনটি কাজ করতে হবে।
(৭) (ক) = আপনাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যাবস্থা বাতিল করতে হবে। -- খুব কঠিন কাজ ,কেউ মানতে চাইবে না। =মোটেও কঠিন কাজ নয়,পার্লামেন্টে আপনার টু-থার্ড মেজরিটি আছে। --না, আসলে এটা করলে দেশে অনেক খুনো-খুনী হবে। =আপনি কি সেই জাতির প্রতি দরদ দেখাচ্ছেন যারা আপনার পুরো পরিবারকে হত্যা করেছে? --ঠিকআছে। ঠিকআছে। আর কী করতে হবে বলেন। (খ) = সড়ক ও নৌপথে ভারতকে সম্পুর্ন বিনা শুল্কে ট্রানজিট দিতে হবে। --তাহলে আমাকে সবাই ভারতের দালাল বলবে , আর ট্রানজিট না হয় দিলাম , অন্তত কিছু শুল্ক তো দিন। =আসলে এই ট্রানজিট আপনারই নিরাপত্তার স্বার্থে তাই শুল্কের প্রশ্ন আসছে না। --মানে ?? =আপনার সেনাবাহিনী বেয়াড়া আচরনের চেষ্টা করলে আমার সেনাবাহিনী তা প্রতিরোধ করবে। ট্রানজিট থাকলে তারা গোপনে আপনার পাশে যেতে পারবে। (গ) = ডাইভারশন সৃষ্টি করতে হবে। -- সেটা আবার কি ?? =আমাদের পরিকল্পনা যাতে কেউ বুঝতে না পারে তার ব্যাবস্থা। -- কিভাবে করবো ? =জামায়াতের যুদ্ধাপরাধের বিচারের ব্যাবস্থা করুন। আর বিএনপি থেকে জামায়াতকে আলাদা করুন। --কিন্তু জামায়াতের সাথে তো আমরাও জোট করেছি.. =আপনি ক্ষমতায়, মিডিয়া আপনার হাতে.......কি করতে হবে সব বলে দিতে হবে নাকি? (৮)--কিন্তু আমাদের প্রতি ভারতের এই সমর্থন সব সময় থাকবে তো? =যতদিন আপনারা আমাদের স্বার্থরক্ষা করবেন ততদিন অবশ্যই থাকবে। --আমি তো এখানে শুধু আমার স্বার্থ দেখতে পাচ্ছি,আপনার স্বার্থ কোথায়??? =সেটা আপনার না জানলেও চলবে..
ভারত আওয়ামিলীগকে সমর্থন করছে কারন তারা জানে আওয়ামিলীগ ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, আর এর ফলে হাজার হাজার কোটি ডলারের গার্মেন্টস ব্যাবসাটা ভারত নিয়ে নিতে পারবে। আর আমেরিকা বিএনপিকে সমর্থন করছে কারন আওয়ামিলীগ জামায়াতের সাথে যে আচরন করছে তা যদি অব্যাহত থাকে তাহলে সত্যি সত্যিই জংগী-বাদের উত্থান হবে, যে জুজুর ভয় আওয়ামিলীগ এতদিন দেখিয়ে আসছে। গার্মেন্টস ব্যাবসা ধংস হলে বাংলাদেশের কমপক্ষে দুই কোটি মানুষ সম্পুর্ন কর্মহীন হয়ে পড়বে। ছেলেরা হবে সন্ত্রাসী, মেয়েরা হবে জনগনের সম্পত্তি। আর বাংলাদেশ হবে ব্যার্থ রাষ্ট্র ।।
(২) এই ব্যাবসা ভারতে নিতে হবে >>>>> কিন্তু ভারতের শ্রমমুল্য বাংলাদেশের চেয়ে বেশি >>> ফলে ব্যাবসাটা ভারতে নেওয়া যাচ্ছে না।
(৩) করণীয় ঠিক করতে ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনীকে বাংলাদেশের প্রতি কড়া নজর রাখার নির্দেশ।
(৪) গোয়েন্দা রিপোর্ট >>>> এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে যাতে শ্রমমুল্য কম হলেও কেউ বাংলাদেশে ব্যাবসা করতে যাবে না। সিদ্ধান্ত >>>>> বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধ লাগাতে হবে।
(৫) নির্দেশ -- পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কর।
(৬) "-----" এর কাছে ভারতের ফোন। = আপনি ভারতের শ্রেষ্ঠ বন্ধু। তাই ভারত আপনাকে ও আপনার দলকে সবসময় ক্ষমতায় দেখতে চায়। -- আমরাতো ক্ষমতায় থাকতেই চাই , কিন্তু তা সম্ভব নয়। = আমরা সম্ভব করে দেব , কিন্তু আপনাকে তিনটি কাজ করতে হবে।
(৭) (ক) = আপনাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যাবস্থা বাতিল করতে হবে। -- খুব কঠিন কাজ ,কেউ মানতে চাইবে না। =মোটেও কঠিন কাজ নয়,পার্লামেন্টে আপনার টু-থার্ড মেজরিটি আছে। --না, আসলে এটা করলে দেশে অনেক খুনো-খুনী হবে। =আপনি কি সেই জাতির প্রতি দরদ দেখাচ্ছেন যারা আপনার পুরো পরিবারকে হত্যা করেছে? --ঠিকআছে। ঠিকআছে। আর কী করতে হবে বলেন। (খ) = সড়ক ও নৌপথে ভারতকে সম্পুর্ন বিনা শুল্কে ট্রানজিট দিতে হবে। --তাহলে আমাকে সবাই ভারতের দালাল বলবে , আর ট্রানজিট না হয় দিলাম , অন্তত কিছু শুল্ক তো দিন। =আসলে এই ট্রানজিট আপনারই নিরাপত্তার স্বার্থে তাই শুল্কের প্রশ্ন আসছে না। --মানে ?? =আপনার সেনাবাহিনী বেয়াড়া আচরনের চেষ্টা করলে আমার সেনাবাহিনী তা প্রতিরোধ করবে। ট্রানজিট থাকলে তারা গোপনে আপনার পাশে যেতে পারবে। (গ) = ডাইভারশন সৃষ্টি করতে হবে। -- সেটা আবার কি ?? =আমাদের পরিকল্পনা যাতে কেউ বুঝতে না পারে তার ব্যাবস্থা। -- কিভাবে করবো ? =জামায়াতের যুদ্ধাপরাধের বিচারের ব্যাবস্থা করুন। আর বিএনপি থেকে জামায়াতকে আলাদা করুন। --কিন্তু জামায়াতের সাথে তো আমরাও জোট করেছি.. =আপনি ক্ষমতায়, মিডিয়া আপনার হাতে.......কি করতে হবে সব বলে দিতে হবে নাকি? (৮)--কিন্তু আমাদের প্রতি ভারতের এই সমর্থন সব সময় থাকবে তো? =যতদিন আপনারা আমাদের স্বার্থরক্ষা করবেন ততদিন অবশ্যই থাকবে। --আমি তো এখানে শুধু আমার স্বার্থ দেখতে পাচ্ছি,আপনার স্বার্থ কোথায়??? =সেটা আপনার না জানলেও চলবে..
ভারত আওয়ামিলীগকে সমর্থন করছে কারন তারা জানে আওয়ামিলীগ ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, আর এর ফলে হাজার হাজার কোটি ডলারের গার্মেন্টস ব্যাবসাটা ভারত নিয়ে নিতে পারবে। আর আমেরিকা বিএনপিকে সমর্থন করছে কারন আওয়ামিলীগ জামায়াতের সাথে যে আচরন করছে তা যদি অব্যাহত থাকে তাহলে সত্যি সত্যিই জংগী-বাদের উত্থান হবে, যে জুজুর ভয় আওয়ামিলীগ এতদিন দেখিয়ে আসছে। গার্মেন্টস ব্যাবসা ধংস হলে বাংলাদেশের কমপক্ষে দুই কোটি মানুষ সম্পুর্ন কর্মহীন হয়ে পড়বে। ছেলেরা হবে সন্ত্রাসী, মেয়েরা হবে জনগনের সম্পত্তি। আর বাংলাদেশ হবে ব্যার্থ রাষ্ট্র ।।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন