পীরদের বেদাতী আকীদা আমল সমুহ
পীরগন দাবী করেন তারা সুন্নি (আশআরী ও মাতুরিদী) তাদের নিম্নোক্ত আকীদাগুলো আশআরী ও মাতুরিদী আকীদার কোন কোন কিতাবে রয়েছে?
১. নবিজী স. নুরের তৈরী, হাজির নাজির, ইলমে গায়েবের অধিকারী, হায়াতুন নাবী
২. পীরকে ওলী আল্লাহ বলা
৩। পীরগন মরেন না তারাও জীবিত
৪। জীবিতদের চাইতেও তারা বেশী শক্তিশালী
৫। তারা দুনিয়া পরিচালনা করেন
৬। তারা জীবতকে সাহায্য করেন
৭। হাজত পুরন করেন
৮। কবরকে মাজার বলা মাজার বানানো
৯। মাজারে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়
১০। ইসতিগাছা, ইসতিয়ানা
১১। তারা ফয়েজ ও তাওয়াজজুহ দেন
১২। তারাও হাজির নাজির (অনেক জায়গায় উপস্থিত হন)
১৩। পীর মরার আগেই বলে দেয়া আমার পীর আমাকে পরকালে বাচিয়ে নিবে
১৪। ফানাফিশ শায়েখ
১৫। ফানাফিল্লাহ
১৬। ওয়াহদাতুল ওয়াজুদ ও ওয়াহদাতুশ শুহুদ
১৭। রাসুল স. তার বাবা মাকে জীবিত করে কালিমা পড়িয়েছেন
১৮। পীরদের জানাজায় ফেরেশতাগন শামিল হন
পীরগন দাবী করেন তারা হানাফী মাজহাবের অনুসারী, তাদের নিম্নোক্ত আমলগুলো কোন কোন হানাফি ফিকহের কিতাবে রয়েছে?
১. কবরকে মাজার বলা।
২. মাজারে গিয়ে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়
৩. মৃত ব্যাক্তিকে জীবিত ও ওলী বলা
৪. ফয়েজ ও তাওয়াজজুহ নিতে মাজারে যাওয়া
৫. মাজারে ইসতিগাছা ইসতিয়ানা করা
৬. পীরের মুরিদ হওয়া, ৪ তরীকার মাদ্ধমে তাজকিয়াহ করা
৭. সুফি ও পীরকে ওলী আল্লাহ বলা
৮. ৪ তরীকায় হিন্দুদের চক্র (লতিফার জিকির) প্রবেশ করা
৯. শায়েখে তাসাওউর করা
১০. ফানাফিশ শায়েখ
১১. শবে বরাত, শবে মেরাজ, শবে কদরের নির্দিষ্ট নামাজ
১২. পীরের নামে দরুদ
১৩. চল্লিশা
১৪. কুরআন খতম, সবিনা খতম
১৫. মিলাদ কেয়াম
১৬. কদমবুচি
১৭. ওরশ ও ইসালে সওয়াব মাহফিল
১৮. গাউস, গাউসুল আজম, কিতুব, আবদাল, নকীব, আমীরে শরীয়ত আমীরে তরীকত ইত্যাদি লকব
১৯. টুপি, জুব্বা, পাগড়ি কে সুন্নাত বলা
২০. দাড়ীকে ওয়াজিব বলা
২১. প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজের পরে হাত তুলে সম্মিলিত মুনাজাত
২২. সেকুলার নাস্তিকলীগের দল করা ও ইকামতে দীন ও ইসলামী রাজনীতির বিরুধীতা করা
১. ঈদ-ই মিলাদুন্নবী পালন করা।
২.সকল মিলাদ।(কারোর মৃত্যুর পর তার জন্য মিলাদ/চল্লিশা/কুলখানি করলে বিদআত হয় আর দিন নিদিষ্ট করে যেমন চল্লিশা মরার ৪০ দিন পর করা হয়, এমন দিন নিদিষ্ট করে করলে শিরক + বিদআত দুটিই হবে)
৩.শব-ই বরাত পালন ও এর উদ্দেশ্যে রোজা থাকা।
৪. শব-ই মিরাজের সালাত বা সাওম বা এ উপলক্ষে কোন ইবাদাত করা।
৫. মৃত ব্যাক্তির জন্য- কুর’আন পড়া(মাদ্রাসা/হাফিজ খানা থেকে হুজুর/ছাত্র দিয়ে বা নিজে), কুলখানি, চল্লিশা, দু’আর আয়োজন, সওয়াব বখশে দেয়া।
৬. জোরে জোরে চিল্লিয়ে জিকির করা।
৭. হাল্কায়ে জিকির,ইসকের জিকির লাফালাফি,নাচানাচি জিকির।
৮. প্রচলিত/তথাকথিত পীর-মুরীদি মানা বিদাত ও শিরক।
৯. নামাজে মুখে মুখে উচ্চারণ করে নাওয়ায়তুয়ান বলে নিয়্যাত পড়া।(মনে রাখবেন নিয়াত করতে হয়। পড়তে হয় না। তাই নিয়াত মনে মনে করাই সুন্নত। কোন নিদিষ্ট শব্দ (যেমন নাওয়ায়তুয়ান) বলে নিয়াত করা যাবে না)।
১০. প্রসাবের পর ঢিলা কুলুখ নিয়ে ৪০ কদম হাঁটা, কাঁশি দেয়া উঠা বসা করা,লজ্জাস্থানে হাত দিয়ে হাটাহাটি ইত্যাদি নির্লজ্জতা।
১১. জায়নামাজের দুআ পড়া
১২.কবরে হাত তুলে সবাই একএে দূ’আ করা। ১৩.খতমে ইউনুস,তাহলীল, খতমে কালিমা, বানানো দরুদ পড়া, এবং যত প্রকার তাজবীহ খতম আছে সবই বিদাত, তাজবীহ দানা গননা করাও বিদাত।
১৩. ১৩০ ফরজ মানা।
১৪. ইলমে তাসাউফ বা সুফীবাদ মানা।
১৫.জন্মদিন, মৃত্যুদিবস,মা, বাবা দিবস বিবাহবার্ষিকী, ভ্যালেন্টাইন ডে, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, পহেলা বৈশাখ ইত্যাদি দিবস পালন করা।
১৬.আল্লাহকে “খোদা” বলা (কেননা খোদা শব্দে শিরক এর গন্ধ আছে) ।
১৭. অপরের কাছে তাওবা পড়া
১৮. বাতেনী এলেম বা তাওয়াজ্জুহ মানা।
১৯. ওরস পালন করা।কবর পাকা, কবর সাজানো, লাইটিং করা।
২০. এমন দু’য়া বা দুরুদ পড়া যা হাদিসে নাই যেমনঃ দুরুদে হাজারী, দুরুদে লক্ষী, দুরুদে তাজ, ওজীফা, দুরুদে জালালী
২১. ওয়াজ/মাহফিলে মিথ্যা বানোয়াট হাসির গল্প বলে মানুষকে হাসানো
২২। “আস্তাগ ফিরুল্লাহ [রব্বি মিন কুল্লি জাম্বি ৷ ওয়া ] আতুবুইলাইক লাহাওলা ওয়ালা কুয়াত্তা ইল্লা ‘আলিইল ‘আজিম”(এখানে রব্বি মিন কুল্লি জাম্বি অংশটুকু বিদআ’ত )
২৩। ৭০হাজারবার কালিমা খতম করা
২৪। ইসলামের নামে দলাদলি করা
২৫। বিদায় কালে ফি আমানিল্লাহ বলা।
২৬। জানাজা দেয়ার সময় কালিমা শাহাদাত পাঠ করা।
২৭। মৃত ব্যাক্তির কাজা নামাজের কাফফারা দেয়া বা আদায় করা।
২৮। কুর’আনকে সবসময় চুমু খাওয়া।
২৯। কুর’আন নীচে পড়ে গেলে লবণ কাফফারা দেয়া,সালাম করা, কপালে লাগানো ইত্যাদি।
৩০। দুই হাতে মোসাফা করা, মোসাফা শেষে বুকে লাগানো বিদাত।
৩১)কারোর গায়ে পা লাগলে গাঁ ছুঁয়ে সালাম করা।
৩২। ইছালেহ সোয়াব নামে ওয়াজ ও দোয়া করা।
৩৩। কোরআন, সহীহ্ হাদীসের বাহিরে যত দোয়া, দুরুদ, জিকির, কালেমা আছে সবই বিদাত।
৩৪। টুপি ছাড়া নামাজ পড়লে সোয়াব কম হয়, পাগড়ি মাথায় দিয়ে নামাজ পড়লে বেশী সোয়াব/ নেক হয় এই ধারণা করে পাগরী বা টুপি পরা বিদাত।
৩৫। রোযার সময় নাওয়াতুআন আছুম্মাগাদাম পড়া।
৩৬। কদম বুসি করা।
৩৭। খতমে ইউনুস, তাহলীল, খতমে কালিমা, বানানো দরুদ পড়া।
৩৮। ওরস পালন করা।
৩৯। জাক-জোমক ভাবে খাৎনার অনুষ্ঠান করা।
৪০। শুধু আল্লাহ বা ইল্লাল্লাহ যিকর: এটা খুবই গর্হিত ও আপত্তিজন কাজ।
৪১। জামায়াতবদ্ধ দরূদ বা সুরেলা সালাত-সালাম: নবীর শানে সালাত ও সালামের এই নবপদ্ধতি নিঃসন্দেহে বিদআ’ত। রাসূলুল্লাহ সা. যেভাবে উম্মাতকে দরূদ শিখিয়েছেন সেভাবেই দরূদ পড়তে হবে।
৪২)কোন বুযুর্গের মাযারে মৃত্যুবার্ষিকী বা ওরস পালন: ওরস পালন খুবই গর্হিত ও আপত্তিজনক কাজ, যদিও পীরপন্থীদের কাছে খুবই প্রিয়।
৪৩)কবর পাকাকরণ বা সজ্জিত করা ও উৎসবের আয়োজন।
৪৪)আযান ইকামতের মধ্যে বা অন্য যেকোনো সময় রাসুল সা. এর নাম শুনলে বৃদ্ধা আঙ্গুলে চুমু দিয়ে চোখে লাগানো।
৪৫) জানাযা ও দাফনের পর কবরের উপর চার কুল, সমবেত দু’আ, বা ব্যক্তিগত ইস্তেগফার বা দুআ ছাড়া সবই বিদআ’ত।
৪৬) দাফনের পর কবরের কাছে আযান দেয়া। ১৭) কবরে ফুল দেয়া, বাতি জ্বালানো (এগুলো অনেক সময় শিরক এ পরিণত হতে পারে)
৪৭)প্রথম মহররম রাত্রিতে নেকির আশায় অনুষ্ঠান করা।
৪৮)রমাদান মাসে “বদর দিবস” পালন করা। ২০)ঈদের পরে “ঈদ পূণর্মিলনী” অনুষ্ঠান করা।
৪৯। আজানের সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর নাম আসলে চোখে দুই বৃদ্ধ আঙুলি দিয়ে দুই চোখের মধ্যে লাগিয়ে চুমু খাওয়া।
৫০)মসজিদে নববীর সবুজ গম্বুজ দেখা মাত্রই দুরূদ ও সালাম পাঠ করা ।
৫১। কোন ইসলামী মাহফিলের দুআ, দুরূদ ও যিকরের সওয়াব রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম – এর কবরে, সকল ওলিদের রুহে ও মৃতদের কবরে পাঠিয়ে দেয়।
৫২। সুন্নতী পোশাকের নামে বিশেষ ধরনের পোশাক পরা ।
৫৩। নতুন নতুন দুরূদ এর আবিস্কার করা এবং তা পড়া।
৫৪। আশেকে রাসূল বলে দাবী করা । জসনে জুলুস করা।
৫৫। বালাগাল উলা বি কামালিহি, কাশাফাদ্জা বি জামালিহি…. ইত্যাদি বলা বিদ’আত ।
৫৬। সালাতুল আওয়াবীন নামে মাগরিবের পরে ৬ রাকাত সলাত আদায় করা(এই নামাজ অন্য সময় পড়তে হয়, মাগরিবের সময় নয়)
৫৭। সালাতের পর আমল করে মাথায় বা কপালে হাত রাখা ।
৫৮। উমরী কাযা সালাত আদায় করা।
৫৯)খুতবা বা অন্য সময় লাল বাতি জ্বালিয়ে রাখা এবং লিখে রাখা যে। লাল বাতি জ্বলন্ত অবস্থায় সালাত আদায় করা নিষেধ।
৬০)রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর কবরে গিয়ে কান্নাকাটি করাকে সওয়াব মনে করা।
৬১) জামাত শুরু হয়ে গেলেও বা ইকামত হয়ে গেলেও সুন্নাত পড়া।
৬২) সফরে কসর না পড়ে নিয়ম মত সালাত আদায় করা।
৬৩) সালাতের কাতারে শিশুদের রাখা মাকরূহ মনে করা।
৬৪) সালাত শেষে জায়নামাযকে চুমু খাওয়া।
৬৫)সালাত শেষে জায়নামাযের কোনা ভাজ করে রাখা।
৬৬)সালাত শেষে অতিরিক্ত একটি সাজদা দেয়া ।
৬৭). আশুরার দিন সাতদানার শিরণী পাকান সওয়াবের কাজ মনে করা।
৬৮)ভুল হলে তওবা তওবা বলে দুই গালে থাপ্পর দিয়ে তওবা করা।
৬৯)খাবার আগে ওযু করলে দারিদ্র দূর হয় বলে মনে করা
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন