এপস্টাইন ফাইল - বিশ্ব নেতাদের অমানবিক পৈচাশিকতা
সাত হাজার ফটো প্রকাশ
https://www.ecdhr.org/epstein-surveillance-and-the-shadow-networks-linking-israel-and-the-uae/
https://www.facebook.com/share/v/17xfM1HG5w/
Survivors of convicted sex offender Jeffrey Epstein released an emotional public service announcement calling on Congress to vote to release all files connected to the case.
Read more: https://cnn.it/4pcfMXt
Favourite caliph of Madkhalis also present on the epstein files
mReferenced in the #EpsteinFiles
🇺🇸 Donald Trump
🇺🇸 Elon Musk
🇺🇸 Michael Jackson
🇺🇸 Bill Gates
🇺🇸 Leonardo DiCaprio
🇺🇸 George W. Bush
🇺🇸 Bill Clinton
🇺🇸 Hillary Clinton
🇬🇧 Prince Andrew
🇺🇸 Cameron Diaz
🇺🇸 Bruce Willis
🇺🇸 Kevin Spacey
🇺🇸 Harvey Weinstein
🇺🇸 Jeffrey Epstein
🇬🇧 Mick Jagger
🇺🇸 George Lucas
🇬🇧 Tony Blair
🇺🇸 John Kerry
🇺🇸 Ted Kennedy
🇺🇸 Robert F. Kennedy Jr.
🇺🇸 Michael Bloomberg
🇺🇸 Woody Allen
🇺🇸 Alan Dershowitz
🇬🇧 Ghislaine Maxwell
🇺🇸 Andrew Cuomo
🇬🇧 Phil Collins
🇺🇸 Larry Summers
🇮🇱 Ehud Barak
🇺🇸 Chris Tucker
🇺🇸 Les Wexner
🇺🇸 Leon Black
🇺🇸 Glenn Dubin
🇫🇷 Jean-Luc Brunel
🇬🇧 Peter Mandelson
🇬🇧 Lynn Rothschild
🇶🇦 Hamad bin Jassim
🇦🇪 Abdullah bin Zayed
🇱🇧 Saad Hariri
🇪🇬 Ahmed Aboul Gheit
🇪🇸 Miguel Ángel Moratinos
🇬🇧 Minnie Driver
🇨🇦 Peter Dalglish
🇲🇦 Taieb Fassi-Fihri
🇧🇭 Khalid bin Ahmed Al Khalifa
🇵🇰 Makhdoom Shah Mahmood
🇳🇬 Henry Odein Ajumogobia
শয়তানি দ্বীপের রহস্য, লিবারেলিজমের ঘৃণ্য মুখ এবং পশ্চিমের মূর্তিগুলোর ধ্বংস হয়ে যাওয়া দেবত্ব: জেফরি এপস্টাইন ফাইলসের তদন্তমূলক পোস্ট মর্টেম! - বিলাল শওকত আজাদ
মানব ইতিহাসের এই নির্ণায়ক মোড়ে, যেখানে সত্য এবং অসত্যের লড়াই তার চরমে পৌঁছেছে, পশ্চিমের সেই তথাকথিত "সভ্য" এবং "আলোকিত" মুখের নকাব এমনভাবে খসে পড়েছে যে তার পেছনে লুকানো নেকড়ে পুরো বিশ্বকে তার রক্তপিপাসু রূপ দেখিয়ে দিয়েছে।
এটি একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক বিস্ফোরণ, যা "মানবাধিকার", "নারী স্বাধীনতা" এবং "লিবারেল মূল্যবোধ" এর সেই সব মূর্তিকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়েছে যাদের পূজা গত তিন শতাব্দী ধরে চলে আসছিল।
আমি কথা বলছি সেই ভয়ংকর, ঘৃণ্য এবং মানবতা-বিরোধী কেলেঙ্কারির, যাকে বিশ্ব "জেফরি এপস্টাইন ফাইলস" বা "এপস্টাইন লিস্ট" নামে জানে।
এটি কেবল কয়েকটা কাগজের সংগ্রহ নয়, এবং এটি কোনো এক ধনী ব্যক্তির ব্যক্তিগত বিলাসিতার গল্পও নয়, বরং এটি সেই "দজ্জালি ব্যবস্থা"র এফআইআর যা গত কয়েক দশক ধরে "আধুনিকতা"র নামে মানবতার শিরায় বিষ ঢেলে আসছিল।
সেই পশ্চিম যে আমাদের পূর্বে বসে নৈতিকতার উপদেশ দিত, যে আমাদের পারিবারিক ব্যবস্থার উপর আঙুল তোলে, যে আমাদের পর্দা এবং লজ্জাকে "বন্দিত্ব" এবং "পশ্চাৎপদতা" বলে অভিহিত করত, আজ সেই পশ্চিমের নিজের "এলিট শ্রেণি", তার প্রেসিডেন্টরা, তার রাজকুমাররা, তার বিজ্ঞানীরা এবং তার হলিউডের তারকারা এমন এক নোংরা নর্দমায় লুটিয়ে পড়েছে যার দুর্গন্ধে শয়তান নিজেও লজ্জা পাবে।
এই নথিপত্রগুলো প্রমাণ করে যে যখন মানুষ আল্লাহকে ছেড়ে নিজের খাহিশকে ইলাহ বানিয়ে নেয়, তখন সে জানোয়ারও হয় না, কারণ জানোয়ারও তার স্বভাব থেকে বিচ্যুত হয় না, বরং সে "আসফালাস সাফিলিন" (জানোয়ারদের চেয়েও নিকৃষ্ট) এর সেই স্তরে পড়ে যায় যেখানে সে নিরীহ শিশুদের তার লালসার শিকার বানায়।
এই গল্পের শুরু সেই "শয়তানি দ্বীপ" লিটল সেন্ট জেমস থেকে, যাকে এপস্টাইন তার ব্যক্তিগত সদর দপ্তর বানিয়ে রেখেছিল।
এই দ্বীপ আসলে একবিংশ শতাব্দীর সেই "মন্দির" ছিল যেখানে আধুনিক যুগের ফেরাউনরা তাদের লালসার উদ্দেশ্যে আসত।
যখন আমরা এই ফাইলগুলো অধ্যয়ন করি তখন প্রথম ধাক্কা এটাই লাগে যে এই লিস্টে সেই নামগুলো রয়েছে যাদের বিশ্ব "রোল মডেল" মনে করত।
স্টিফেন হকিং, যাকে আধুনিক বিজ্ঞানের আইনস্টাইন এবং আল্লাহর অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় অস্বীকারকারী মনে করা হত, যার বুদ্ধিমত্তার কসম খাওয়া হত, তার নামও এই দ্বীপের অতিথিদের মধ্যে রয়েছে।
এটি প্রকাশ্য প্রমাণ যে "বুদ্ধি" এবং "নৈতিকতা" দুটো আলাদা জিনিস।
আপনি পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র দিয়ে বিশ্বকে বুঝতে পারেন, কিন্তু যদি আপনার বুকে আল্লাহর ভয় না থাকে, তাহলে আপনার সেই সব বুদ্ধি আপনাকে হিংস্র জন্তু হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারবে না।
এটি সেই তথাকথিত আলোকিত শ্রেণি যারা আমাদের বলত যে "ধর্ম মানুষকে বন্দি করে রেখেছে", কিন্তু যখন তারা ধর্মের বন্ধন ছিন্ন করল তখন তারা স্বাধীনতার নামে শিশু ব্যবসায়ী হয়ে গেল।
এই লিস্টেই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের নাম রয়েছে, এখানে ব্রিটেনের রাজপরিবারের চোখের মণি প্রিন্স অ্যান্ড্রু রয়েছে। এরা সেই লোকেরা যারা বিশ্বকে আইন, গণতন্ত্র এবং ন্যায়ের উপদেশ দিত।
এরা সেই লোকেরা যারা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অজুহাতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করত।
আজ জানা গেল যে মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় কবরস্থান তাদের নিজস্ব ব্যক্তিগত দ্বীপগুলোতে তৈরি হয়েছিল।
এটি মুনাফিকির সেই চরম যার উদাহরণ ইতিহাসে মেলে না।
এটি পশ্চিমের সেই "সাংস্কৃতিক সংকট" যা প্রমাণ করে দিয়েছে যে সেক্যুলারিজমের গর্ভ থেকে "অরাজকতা" এবং "যৌন নৃশংসতা" ছাড়া আর কিছু জন্ম নিতে পারে না।
এখানে আমার দেশীয় লিবারেল, নাস্তিক এবং পশ্চিমপন্থী বুদ্ধিজীবীদের প্রতি তীব্র বিস্ময় এবং দুঃখ হয়, বরং ঘৃণা হয়।
এরা সেই শ্রেণি যারা আমাদের মাদ্রাসায় ঘটে যাওয়া কোনো একটা দুঃখজনক ঘটনা নিয়ে মাসের পর মাস সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলে রাখে, যারা দাড়ি এবং পাগড়ি দেখলেই তা "সন্ত্রাসবাদ" এবং "পশ্চাৎপদতা"র সাথে যুক্ত করে দেয়, যারা আমাদের পারিবারিক ব্যবস্থায় পর্দাকে "নারীর শোষণ" বলে।
আজ যখন তাদের "আকাবিরদের" (মালিকদের) কাঁচা চিঠি খুলে গেছে, যখন তাদের "সাংস্কৃতিক দেবতাদের" মুখ থেকে মাস্ক খসে পড়েছে, তখন তাদের জিহ্বায় তালা কেন লেগে গেছে?
এই বুদ্ধিজীবীরা যারা সবসময় "মৌলভী"কে গালি দেওয়াকে নিজের ফরজ মনে করে, আজ বিল ক্লিনটন এবং স্টিফেন হকিংয়ের নামে কেন চুপ?
তাদের মানবতা কি শুধু তখনই জাগে যখন অভিযুক্ত কোনো মুসলিম হয়?
সত্য হলো এরা মানসিক দাসত্বের সেই নোংরা জলাভূমিতে ডুবে গেছে যেখানে পশ্চিমের নোংরামি তাদের কাছে "সুগন্ধ" মনে হয়।
এপস্টাইন লিস্ট এই স্থানীয় লিবারেলদের দ্বিমুখীতাকে উন্মোচিত করে দিয়েছে।
যে "স্বাধীনতা"র নারা তারা তোলে, তার শেষ ফলাফলই এই "এপস্টাইন আইল্যান্ড"।
যখন আপনি সমাজ থেকে "হায়া" (লজ্জা)কে বের করে দেন, যখন পুরুষ-নারীর অবাধ মেলামেশাকে "অগ্রগতি" বলেন, যখন "সম্মতি"কে একমাত্র নৈতিক মাপকাঠি বানান, তখন সমাজ এমন এক ঢালু পথে পিছলে যেতে শুরু করে যেখানে শেষ পর্যন্ত "পেডোফিলিয়া"কেও "যৌন প্রবৃত্তি" বলে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা শুরু হয়।
এবং এটা আমি ফাঁকা কথা বলছি না, পশ্চিমের অনেক দার্শনিক এবং মনোবিজ্ঞানী এখন এই চেষ্টায় আছেন যে শিশুদের সাথে সম্পর্ককেও "স্বাভাবিক" করা যায়।
এপস্টাইনের দ্বীপ এই "ফিলসফা-ই ইবাহত" (ভোগবাদ)-এর বাস্তব প্রকাশ ছিল।
ইসলাম এবং পশ্চিমের তুলনা এখানে দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে যায়।
ইসলাম ১৪০০ বছর আগে মানুষের মনোবিজ্ঞান এবং তার দুর্বলতাগুলোকে ঘিরে "সদ যরাই" (উপায় বন্ধ করা)র নীতি দিয়েছিল।
ইসলাম শুধু "জিনা"কে হারাম করেনি, বরং আদেশ দিয়েছে:
و لا تقربوا الزنا
( আর তোমরা জিনার কাছেও যেয়ো না)।
এই কাছে না যাওয়া কী?
এটি পর্দা, এটি দৃষ্টির হেফাজত, এটি মাহরাম-নামাহরামের পার্থক্য, এটি খলওয়ত (একান্তে থাকা)র নিষেধ।
আল্লাহ জানতেন মানুষের নফস কত দুর্বল। যদি তাকে "স্বাধীনতা" দেওয়া হয় তাহলে সে এপস্টাইন হয়ে যাবে।
পশ্চিম বলল:
"না! মানুষকে স্বাধীন ছেড়ে দাও, শুধু পারস্পরিক সম্মতি থাকলেই হল।"
ফলাফল কী হল?
যখন মানুষকে আল্লাহর ভয় থেকে মুক্ত করে দেওয়া হল তখন সে তার শক্তি এবং টাকার জোরে দুর্বলদের "সম্মতি" কিনতে বা ছিনিয়ে নিতে শুরু করল।
এপস্টাইন কেসে কী ছিল?
গরিব, এতিম এবং অসহায় মেয়েরা যাদের টাকা এবং ক্যারিয়ারের লোভ দেখিয়ে দ্বীপে নেওয়া হত।
এটিই সেই "পুঁজিবাদী শোষণ" যা লিবারেলিজমের পর্দার আড়ালে লুকানো ছিল।
ইসলাম নারীকে "ঘরের রানী" এবং "সম্মানিতা" বানিয়েছিল, পশ্চিম তাকে "পণ্য" এবং "শোপিস" বানিয়ে দিয়েছে। আর যখন নারী পণ্য হয়ে গেল, তখন যে যাকে চাইল কিনে নিল এবং ব্যবহার করল।
এই ফাইলগুলো পশ্চিমের পারিবারিক ব্যবস্থার ধ্বংসের নৌহা।
যেখানে পারিবারিক ব্যবস্থা মজবুত থাকে, সেখানে মেয়েরা বাবার হেফাজতে থাকে, সেখানে ভাই-বোনেরা রক্ষক হয়।
পশ্চিম "ব্যক্তিবাদ"র নামে পরিবার ভেঙে দিয়েছে, মেয়েদের ১৮ বছর বয়সে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে যে যাও নিজের জীবন যাপন করো, আর সেই একাকী মেয়েদের এপস্টাইনের মতো নেকড়েরা ছিঁড়ে খেয়েছে।
এই কেলেঙ্কারি শুধু যৌন বিকৃতির নয়, বরং এটি এক "তাগুতি নেটওয়ার্ক"র উন্মোচন।
এটি প্রমাণ যে বিশ্ব চালানো "এলিট" আসলে শয়তানের পূজারী।
এরা বাইরে স্যুট-টাই পরে, জাতিসংঘে বক্তৃতা দেয়, গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিয়ে চিন্তিত হয়, কিন্তু ভিতরে এত কালো যে অন্ধকারও তাদের কাছে আশ্রয় চায়।
তাদের উদ্দেশ্য শুধু ধন সঞ্চয় নয়, বরং মানবতাকে অপমান করে শয়তানি তৃপ্তি লাভ করা।
এই গোষ্ঠী পুরো বিশ্বে অশ্লীলতা ছড়াচ্ছে। হলিউডের ফিল্ম, নেটফ্লিক্সের সিরিজ, ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির মাধ্যমে আমাদের যুবকদের মনে এই বিষ ঢালছে যে "বিলাসিতাই জীবনের উদ্দেশ্য"।
আর তাদের পেছনে কে?
এই এপস্টাইনের নেটওয়ার্ক।
এরা সবাই একে অপরের সাথে যুক্ত। গিলেইন ম্যাক্সওয়েল, যে এপস্টাইনের সঙ্গী ছিল, সে কোনো সাধারণ নারী ছিল না বরং মিডিয়া টাইকুনের মেয়ে।
এটি একটা পুরো মাফিয়া যা মিডিয়া, রাজনীতি এবং বিচার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে।
তাই দেখুন!
এপস্টাইনকে প্রথমবার ধরা হলে তাকে সামান্য শাস্তি দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
কেন?
কারণ তার কাছে এই "বড় লোকদের" ভিডিও ছিল, তাদের রহস্য ছিল।
এটি বিচার ব্যবস্থার মুখে চড় মারার সমতুল্য। যদি কোনো সাধারণ মুসলিম ছোট ভুলে ধরা পড়ে তাহলে তাকে "সন্ত্রাসী" বানিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু এরা হাজার হাজার মেয়ের জীবন নষ্ট করে "সম্মানিত" থেকে যায়।
আজ আমাদের, মুসলিম হিসেবে, নিজেদের গ্রীবায় ঝাঁকি দিয়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা উচিত যে তিনি আমাদের "ইসলাম" এর মতো নেয়ামত দিয়েছেন যা মানুষকে জানোয়ার হওয়া থেকে বাঁচায়।
আমাদের লিবারেল বন্ধুরা যারা পশ্চিমের প্রত্যেক অঙ্গভঙ্গিতে ফিদা হয়, তাদের এখন চোখ খুলতে হবে। এটা "আলোকিততা" নয়, এটা "অন্ধকার গর্ত"।
যে সভ্যতার ভিত্তি নোংরামির উপর রাখা, সে কখনো মানবতাকে শান্তি দিতে পারে না।
এপস্টাইন লিস্ট প্রমাণ করে দিয়েছে যে পশ্চিমের নৈতিক দেউলিয়াত্ব হয়ে গেছে। তাদের কাছে প্রযুক্তি আছে, টাকা আছে, শক্তি আছে, কিন্তু "চরিত্র" নেই। আর যে জাতির চরিত্র না থাকে তার পতন অনিবার্য।
ইতিহাস সাক্ষী যে কওমে লূত, রোমান সাম্রাজ্য এবং পম্পেইয়ের পতন তখনই শুরু হয়েছিল যখন তাদের অভিজাত শ্রেণি বিলাসিতা এবং যৌন বিকৃতিতে ডুবে গিয়েছিল।
আজকের পশ্চিম সেই পথে চলেছে, এবং এপস্টাইন লিস্ট তার কফিনে প্রথম পেরেক।
এই কেলেঙ্কারি আমাদের শেখায় যে আমাদের সন্তানদের কীভাবে রক্ষা করতে হবে। আমাদের পারিবারিক ব্যবস্থাকে মজবুত করতে হবে, হায়ার সংস্কৃতিকে প্রসার করতে হবে, এবং যুবকদের বলতে হবে যে
দেখো! যে চাকচিক্যের পেছনে তোমরা ছুটছ, তার পেছনে কত ঘৃণ্য এবং নোংরা সত্য লুকানো।
এটি সময় যে আমরা আমাদের "অনুভূতি কমতি" (ইনফিরিয়রিটি কমপ্লেক্স) শেষ করি এবং গর্ব করে বলি
হ্যাঁ! আমরা মুহাম্মদ আরবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মাত ,গোলাম, অনুসারী যিনি নারীকে সম্মান দিয়েছেন, শিশুদের প্রতি দয়ার শিক্ষা দিয়েছেন, এবং পবিত্রতাকে অর্ধেক ঈমান বলেছেন।
এখন পর্যন্ত আমরা এই দজ্জালি ফিতনার একটা হালকা ঝলক দেখেছি যাকে এপস্টাইন লিস্ট বলা হয়, কিন্তু সত্য হলো যে সেই "শয়তানি দ্বীপ" লিটল সেন্ট জেমস কেবল বিলাসিতার আড্ডা ছিল না, বরং তা বিশ্ব শক্তির কক্ষগুলো নিয়ন্ত্রণ করার একটা বড় "কন্ট্রোল রুম" ছিল।
যখন আমরা এই ফাইলগুলোর গভীরে যাই এবং যে নামগুলো এই নোংরামিতে জড়িত পাওয়া গেছে তাদের নেটওয়ার্ক বিশ্লেষণ করি, তখন এক ভয়ংকর সত্য সামনে আসে যাকে আধুনিক রাজনীতির ভাষায় "হানি ট্র্যাপ" বা "কম্প্রোম্যাট" বলা হয়।
এটি কেবল লালসার গল্প ছিল না, বরং পশ্চিমের "ডিপ স্টেট"র ঘৃণ্য মুখ যেখানে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর লোক, রাজনীতিবিদ, বিজ্ঞানী, ব্যাঙ্কার এবং রাজপরিবারের সদস্যদের দুর্বলতাগুলো ক্যামেরায় সংরক্ষিত করা হত যাতে প্রয়োজনের সময় তাদের সুতো টানা যায়।
এপস্টাইন কোনো সাধারণ বিলিয়নিয়ার ছিল না, সে এক "স্পাইডার" ছিল যে তার জালে পুরো পশ্চিমা অভিজাত শ্রেণিকে আটকে রেখেছিল।
চিন্তা করার বিষয় যে এক কলেজ ড্রপআউট, যার আয়ের কোনো স্পষ্ট উৎস ছিল না, সে হঠাৎ কোটি কোটি ডলারের মালিক কীভাবে হয়ে গেল?
সে হোয়াইট হাউস থেকে বাকিংহাম প্যালেস পর্যন্ত কীভাবে প্রবেশাধিকার পেল?
এই প্রশ্নগুলো চিৎকার করে বলছে যে সে একা ছিল না, বরং সে সেই "বিশ্ব মাফিয়া"র ফ্রন্টম্যান ছিল যা বিশ্বকে নিজের আঙুলে নাচাতে চায়।
দ্বীপে লাগানো গোপন ক্যামেরা, যার উল্লেখ এফবিআই রিপোর্টে পাওয়া যায়, প্রমাণ যে সেখানে আসা প্রত্যেক "অতিথি"র ফিল্ম করা হত, এবং সেই ফিল্মগুলো বিশ্ব সিদ্ধান্তগুলোকে প্রভাবিত করার জন্য ব্যবহার হত।
এটিই সেই "গণতন্ত্র" এবং "স্বাধীনতা"র আসল মুখ যার ঢাক পিটিয়ে পশ্চিম পুরো বিশ্বে ঘুরে বেড়ায়।
তাদের নেতারা স্বাধীন নয়, তারা নিজেদের নোংরা ভিডিওর বন্দি, এবং যে যত বড় গুনাহগার সে এই ব্যবস্থায় তত উপরে উঠে কারণ তাকে ব্ল্যাকমেল করা তত সহজ হয়।
এই লিস্টে সবচেয়ে চমকপ্রদ এবং শিক্ষণীয় অধ্যায় ব্রিটেনের প্রিন্স অ্যান্ড্রুর, যে রানী এলিজাবেথের প্রিয় ছেলে ছিল।
এই ব্যক্তি পশ্চিমের "দ্বিমুখী মানদণ্ড"র জীবন্ত উদাহরণ যা গরিবের জন্য এক আইন এবং ধনীর জন্য অন্য।
ফাইলগুলো বলে যে কীভাবে এই রাজকুমার এপস্টাইনের বাড়িতে এক অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের সাথে ছিল, কীভাবে তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য এসেছে, কিন্তু তারপর কী হয়েছে?
ব্রিটিশ পুলিশ কি তার হাতে হাতকড়া পরিয়েছে?
কি তাকে জেলের সেলে ঢোকানো হয়েছে?
না।
তাকে বাঁচাতে পুরো রাজপরিবার এবং রাষ্ট্রীয় যন্ত্র চালু হয়ে গেছে। তার মা (রানী) তার ছেলের আবরু রক্ষার জন্য কোটি কোটি পাউন্ড (জনগণের ট্যাক্সের টাকা) দিয়ে সেই মেয়ের মুখ বন্ধ করিয়েছে।
এটিই সেই পশ্চিম যে আমাদের "আইনের শাসন"র উপদেশ দেয়।
যদি একই অপরাধ কোনো মুসলমান বা আফ্রিকান অভিবাসী করত তাহলে আজ সে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করত এবং বিবিসি-সিএনএন-এ "ইসলামি সন্ত্রাসবাদ" এবং "মুসলিম সংস্কৃতির পশ্চাৎপদতা" নিয়ে ডকুমেন্টারি চলত।
কিন্তু যেহেতু অপরাধী "নীল চোখের রাজকুমার" ছিল, তাই "সেটেলমেন্ট" নাম দিয়ে তাকে ক্লিন চিট দেওয়া হয়েছে।
দেশীয় লিবারেলদের প্রশ্ন:
তোমাদের সেই ন্যায়ের তুলাদণ্ড কোথায়?
তোমাদের সেই মানবাধিকার সংস্থাগুলো কোথায় যারা আমাদের দেশে ছোট খবরে আকাশ মাথায় তোলে?
প্রিন্স অ্যান্ড্রুর ঘটনা প্রমাণ যে পশ্চিমের বিচার ব্যবস্থা মাকড়সার জালের মতো যেখানে ছোট মাছি আটকে যায় কিন্তু বড় মাছি তা ছিঁড়ে বেরিয়ে যায়।
এই ব্যবস্থা "জাস্টিস" নয়, বরং "জাস্ট-আস" অর্থাৎ শুধু অভিজাতদের রক্ষার ব্যবস্থা।
তারপর আসুন সেই "বিজ্ঞানের দেবতাদের" দিকে যাদের আমাদের নাস্তিকরা সিজদা করে। এপস্টাইন লিস্ট এমআইটি এবং হার্ভার্ডের মতো বড় বিশ্ববিদ্যালয়েরও কাঁচা চিঠি খুলে দিয়েছে।
এই প্রতিষ্ঠানগুলো, যাদের জ্ঞান এবং গবেষণার কাবা মনে করা হয়, এপস্টাইনের "ডোনেশন" খেয়ে বেঁচে ছিল।
বিখ্যাত ভাষাতত্ত্ববিদ নোয়াম চমস্কি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মারভিন মিনস্কির নামও এই নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত পাওয়া গেছে।
এরা সেই লোকেরা যারা যুক্তি, দর্শন এবং মানবতার বড় বড় দাবি করত, কিন্তু তাদের বিবেক কয়েক ডলারের বিনিময়ে এক পেডোফাইলের হাতে বিক্রি হয়ে গেছে।
এটি প্রমাণ যে "সেক্যুলার জ্ঞান" মানুষকে প্রযুক্তি দিতে পারে কিন্তু "চরিত্র" দিতে পারে না।
যখন জ্ঞান ওহীর সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যখন মানুষ নিজেকে খোদা মনে করতে শুরু করে, তখন সে এমআইটির ল্যাবে বসেও শয়তানের যন্ত্র হয়ে যায়।
আমাদের যুবকরা যারা পশ্চিমের বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকচিক্য দেখে অনুভূতি কমতিতে ভোগে, তাদের বুঝতে হবে যে এই দেয়ালের পেছনে কত নোংরামি লুকানো।
এই বিজ্ঞানীরা অ্যাটম বোমা বানাতে পারে, ইন্টারনেট আবিষ্কার করতে পারে, কিন্তু নিজের "লালসা" নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
ইসলাম জ্ঞানকে "নূর" বলেছে যা মানুষকে আল্লাহর কাছে নেয়, পশ্চিম জ্ঞানকে "পাওয়ার" বানিয়েছে যা মানুষকে ফেরাউন বানায়।
আর যখন ফেরাউনি জ্ঞানের সাথে মিলে যায় তখন এপস্টাইনের মতো ফিতনা জন্ম নেয়।
এবং তারপর এই গল্পের সবচেয়ে রহস্যময় এবং নাটকীয় মোড়, এপস্টাইনের "আত্মহত্যা"।
কি সত্যিই কোনো বুদ্ধিমান মানুষ বিশ্বাস করতে পারে যে আমেরিকার মতো সুপার পাওয়ারের হাই সিকিউরিটি জেলে (মেট্রোপলিটন করেকশনাল সেন্টার), যেখানে ২৪ ঘণ্টা পাহারা থাকে, যেখানে আত্মহত্যা রোধের বিশেষ প্রোটোকল থাকে, সেখানে এক হাই প্রোফাইল বন্দি হঠাৎ আত্মহত্যা করে এবং ঠিক তখনই সিসিটিভি ক্যামেরা খারাপ হয়ে যায়?
এবং পাহারাদাররাও ঘুমিয়ে পড়ে?
এটি আত্মহত্যা ছিল না, এটি "স্টেট স্পনসরড মার্ডার" ছিল।
এটি সেই "ডিপ স্টেট"র কাজ যার রহস্য এপস্টাইনের বুকে ছিল। যদি এপস্টাইন জীবিত থাকত এবং আদালতে মুখ খুলত তাহলে বিল ক্লিনটন থেকে রাজপরিবার পর্যন্ত, ওয়াল স্ট্রিটের ব্যাঙ্কার থেকে হলিউড তারকা পর্যন্ত সবাই নগ্ন হয়ে যেত। তাকে চুপ করিয়ে সবাইকে বাঁচানো হয়েছে।
এটিই পশ্চিমের "স্বচ্ছতা"র জানাজা। যে ব্যবস্থা পুরো বিশ্বের গুপ্তচরবৃত্তি করে, যে ওসামা বিন লাদেনকে গুহায় খুঁজে বের করার দাবি করে, সে নিজের জেলে এক বন্দির হেফাজত করতে পারেনি?
এই ঘটনা প্রমাণ করে যে পশ্চিমে গণতন্ত্র কেবল এক "ভ্রম"। আসল ক্ষমতা সেই গোপন হাতগুলোর কাছে যারা আইনের উর্ধ্বে।
এটিই সেই ফেরাউনি ব্যবস্থা যার সম্পর্কে কুরআন বলেছে যে এরা পৃথিবীতে ফাসাদ ছড়ায় এবং নিজেদের মুসলিহ (সংস্কারক) বলে।
এখানে আরেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে যে পশ্চিমের সেই সব ফেমিনিস্ট সংস্থা, "মি টু" মুভমেন্টের নেতৃত্বদানকারী নারীরা কোথায়?
সেই হলিউডের নায়িকারা যারা এক টুইটে বিশ্ব কাঁপিয়ে দেয়, তারা এপস্টাইন এবং তার বন্ধুদের দ্বারা ছিন্নভিন্ন হওয়া শত শত অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের জন্য রাস্তায় কেন নামেনি?
এই নীরবতা অপরাধমূলক। এটি বলে যে পশ্চিমের ফেমিনিজমও "সিলেকটিভ"।
এরা নারীর অধিকারের নারা শুধু তখন তোলে যখন তাদের রাজনৈতিক এজেন্ডা পূরণ করতে হয়, বা যখন ইসলামকে লক্ষ্য করতে হয়।
কিন্তু যখন তাদের নিজস্ব "গড ফাদারদের" কথা আসে, যখন তাদের ফাইন্যান্সারদের কথা আসে, তখন তারা সব বোবা এবং কালা হয়ে যায়। এটি মুনাফিকির চরম।
এপস্টাইন ফাইলস প্রমাণ করে দিয়েছে যে পশ্চিমে নারীর সম্মানের কোনো দাম নেই, সে কেবল এক "টুল" যাকে কখনো বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করা হয় এবং কখনো দ্বীপে।
এর বিপরীতে ইসলামের পর্দা এবং ইফফতের ব্যবস্থা দেখুন। ইসলাম জিনার শাস্তি ধনী-গরিবের জন্য সমান রেখেছে।
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
"যদি আমার মেয়ে ফাতিমাও চুরি করে তাহলে আমি তার হাত কেটে দিতাম।"
এটিই সেই ন্যায় যা সমাজকে জীবিত রাখে। পশ্চিমের ন্যায় মাকড়সার জাল এবং ইসলামের ন্যায় আল্লাহর তলোয়ার।
দেশীয় লিবারেল এবং সেক্যুলার বুদ্ধিজীবীদের অবস্থা এখন করুণ। এরা যারা দিনরাত আমাদের পশ্চিমের নৈতিক শ্রেষ্ঠত্বের গল্প শোনাত, তারা এখন মুখ লুকিয়ে ঘুরছে। তাদের কাছে কোনো উত্তর নেই যে যে সভ্যতাকে তারা "মানবতার চরম" মনে করত, তার ভিতর থেকে এত নোংরা লাশ কীভাবে বেরিয়ে এল?
সত্য হলো "লাদিনিয়াত" (নাস্তিকতা)র শেষ স্টেশন এটাই। যখন আপনি আল্লাহকে অস্বীকার করেন, যখন আখিরাতের জবাবদিহিতাকে মিথ্যা বলেন, তখন মানুষের জন্য "নৈতিকতা"র কোনো ভিত্তি থাকে না।
তখন "মজা"ই জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে যায়। আর যখন মজা উদ্দেশ্য হয় তখন মানুষ তার লালসা মেটাতে যেকোনো সীমায় পড়তে পারে।
তারা দুনিয়ার সব নেয়ামত পেয়েছিল, ধন, খ্যাতি, ক্ষমতা, কিন্তু তাদের রূহ তৃষ্ণার্ত ছিল।
এই তৃষ্ণা মেটাতে তারা শয়তানির পথ অবলম্বন করেছে।
কুরআন মজীদ বলে:
نسوا الله فنسیھم
(তারা আল্লাহকে ভুলে গেছে, তাই আল্লাহ তাদের ছেড়ে দিয়েছেন)।
এরা নিজেদের ভুলে গেছে। এরা মানুষের আকৃতিতে হিংস্র জন্তু।
এপস্টাইন লিস্ট পশ্চিমের "আধ্যাত্মিক শূন্যতা"র প্রমাণ। এটি বলে যে আল্লাহ ছাড়া সভ্যতা, যত উন্নতই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত নিজের নোংরামিতে ডুবে মরে যায়।
এখন পর্যন্ত আমরা পশ্চিমের এই ভয়ংকর মুখ থেকে নকাব তুলেছি যা "মানবাধিকার" এবং "আইনের শ্রেষ্ঠত্ব"র সুন্দর মাস্কের পেছনে লুকানো ছিল, এবং দেখেছি কীভাবে বিশ্বের সুপার পাওয়ারদের অভিজাত শ্রেণি এক দ্বীপে জড়ো হয়ে মানবতার ধ্বজা উড়িয়েছে।
কিন্তু যদি আপনি মনে করেন যে এই গল্প কেবল কয়েক ধনীর বিলাসিতা এবং যৌন বিকৃতিতে সীমাবদ্ধ, তাহলে আপনি এখনও এই "শয়তানি শতরঞ্জ"র শুধু প্যাদা দেখছেন, শাহ এবং উজির এখনও পর্দার আড়ালে।
এপস্টাইন কেলেঙ্কারির সবচেয়ে বিপজ্জনক, জটিল এবং সবচেয়ে দমন করা অংশ সেই যা মেইনস্ট্রিম মিডিয়া স্পর্শ করতে ভয় পায়, আর তা হলো এই নেটওয়ার্কের "ইসরায়েলি সংযোগ" এবং "বিশ্ব গুপ্তচরবৃত্তি"র দিক।
যখন আমরা এই নেটওয়ার্কের প্রধান নারী গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বংশপরিচয় এবং পটভূমি বিশ্লেষণ করি তখন এক ভয়ংকর সত্য সামনে আসে।
গিলেইন ম্যাক্সওয়েল কোনো সাধারণ সোশ্যালাইট ছিল না, বরং রবার্ট ম্যাক্সওয়েলের মেয়ে, যে ব্রিটেনের মিডিয়া টাইকুন হওয়ার পাশাপাশি ইসরায়েলের গোপন সংস্থা "মোসাদ"র "সুপার স্পাই" বলে মনে করা হত।
ইতিহাস সাক্ষী যে রবার্ট ম্যাক্সওয়েলকে পুরো সরকারি সম্মানে ইসরায়েলে দাফন করা হয়েছিল যেখানে ইসরায়েলি নেতৃত্ব উপস্থিত ছিল।
প্রশ্ন হলো এক গুপ্তচরের মেয়ে, যে তার সারা জীবন এপস্টাইনের সাথে কাটিয়েছে, যে এই মেয়েদের ফাঁদে ফেলে "প্রশিক্ষণ" দেওয়ার দায়িত্বে ছিল, সে এসব কেন করছিল?
কি সম্ভব যে এপস্টাইন এবং ম্যাক্সওয়েলের এই পুরো অপারেশন আসলে এক "গ্লোবাল হানি ট্র্যাপ" ছিল?
আধুনিক গোয়েন্দা যুদ্ধে শত্রুকে পরাজিত করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো তাকে এমন নৈতিক পতনে জড়িয়ে তার ভিডিও বানিয়ে নেওয়া যাতে সে সারা জীবন তোমার গোলাম হয়ে থাকে।
এই থিয়োরি নয় বরং এখন "ওপেন সিক্রেট" হয়ে গেছে যে এপস্টাইনের দ্বীপে লাগানো গোপন ক্যামেরা কেবল স্মৃতির জন্য ছিল না, বরং পশ্চিমা বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর লোক, মার্কিন প্রেসিডেন্ট, ব্রিটিশ রাজকুমার, সিনেটর এবং বিজ্ঞানীদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ছিল।
একটু চিন্তা করুন!
আমেরিকার বিদেশ নীতি কেন সবসময় ইসরায়েলের পক্ষে অন্ধ?
কেন পশ্চিমা নেতারা, লিবারেল হোক বা কনজারভেটিভ, ইসরায়েলের প্রত্যেক অত্যাচারে চুপ থাকে?
এর উত্তর সম্ভবত এপস্টাইনের তৈরি সেই "গোপন ভল্ট"গুলোতে পড়ে আছে।
যখন এক প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীর জানা থাকে যে তার কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের সাথে ভিডিও কোনো "তৃতীয় পক্ষের" কাছে আছে, তখন সে সেই সিদ্ধান্ত নেবে যা সেই পক্ষ চায়।
এটি পশ্চিমের "গণতন্ত্র"র সবচেয়ে বড় প্রতারণা। সেখানকার শাসকরা জনগণের ভোটে নয়, বরং নিজেদের "ব্ল্যাকমেলিং"র ভয়ে চালিত হয়।
এটি এক "শ্যাডো গভর্নমেন্ট" যা পর্দার আড়ালে বসে বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করছে।
এপস্টাইন এই শয়তানি সাম্রাজ্যের কেবল এক ম্যানেজার ছিল, আসল মালিক সেই "তাগুতি শক্তি" যারা দজ্জালের ব্যবস্থার জন্য পথ প্রশস্ত করছে।
দেশীয় লিবারেলরা যারা আমাদের পশ্চিমের স্বাধীনতার উদাহরণ দেয়, তাদের জানা নেই যে যে ব্যবস্থার তারা ওকালতি করে, তা আসলে এক "অপহৃত ব্যবস্থা" যেখানে নৈতিকতা নামের কিছু নেই, শুধু স্বার্থ এবং ব্ল্যাকমেলিংর রাজত্ব।
এই কেলেঙ্কারির আরেক অত্যন্ত ভয়ংকর দিক সেই যা এটাকে সরাসরি "দজ্জালি ফিতনা" এবং "ট্রান্সহিউম্যানিজম"র সাথে যুক্ত করে।
এপস্টাইনের সম্পর্ক শুধু রাজনীতিবিদদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং সে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় জেনেটিক বিজ্ঞানী এবং টেক জায়ান্টদের সাথেও গভীর সম্পর্ক রাখত।
ফাইল থেকে জানা যায় যে এপস্টাইনের এক উন্মাদ স্বপ্ন ছিল যে সে তার বংশকে পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে চায়।
সে "ইউজেনিক্স"র সমর্থক ছিল এবং চাইত যে তার ডিএনএ থেকে এক "সুপার হিউম্যান রেস" তৈরি করা হোক।
এটিই সেই শয়তানি চিন্তা যা ফেরাউনকে পেয়েছিল যে
"আমি সর্বোচ্চ রব"।
এরা আধুনিক যুগের নমরুদ যারা বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে আল্লাহর ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করতে চায়।
এরা ক্লোনিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে এমন বিশ্ব বানাতে চায় যেখানে মানুষ আল্লাহর মুখাপেক্ষী না থাকে (নাউজুবিল্লাহ)।
হার্ভার্ড এবং এমআইটির যে বিজ্ঞানীরা এপস্টাইনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে, তারা আসলে এই "শয়তানি প্রজেক্ট"র উপর কাজ করছিল।
এটি কেবল যৌন লালসা ছিল না, এটি "গড কমপ্লেক্স" ছিল।
এরা মনে করে যে যেহেতু তাদের কাছে টাকা এবং প্রযুক্তি আছে, তাই তারা নৈতিকতা এবং ধর্মের উর্ধ্বে।
কুরআন মজীদ সুরা আলাক-এ এই রবিয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে:
كَلَّاۤ اِنَّ الۡاِنۡسَانَ لَیَطۡغٰۤی اَنۡ رَّاٰهُ اسۡتَغۡنٰی
(কখনো না! নিশ্চয় মানুষ সীমালঙ্ঘন করে,
কেননা সে নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেখে)।
এপস্টাইন এবং তার সঙ্গীরা এই "ইস্তাগনা" (অভাবহীনতা)র নেশায় মত্ত ছিল, এবং এই নেশাই তাদের আসফালাস সাফিলিনের গর্তে নিয়ে গেছে।
এখন প্রশ্ন উঠে যে মুসলিম হিসেবে এবং পূর্বের বাসিন্দা হিসেবে, এই সব ঘটনায় আমাদের ভূমিকা কী এবং আমাদের কী শিক্ষা নিতে হবে?
প্রথম শিক্ষা আমাদের সেই পশ্চিমপন্থী বুদ্ধিজীবী এবং যুবকদের জন্য যারা অনুভূতি কমতির ক্যান্সারে আক্রান্ত।
এপস্টাইন লিস্ট পশ্চিমের কপালে লাগানো "সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্ব"র টিপকা চিরতরে মুছে দিয়েছে।
এই সভ্যতা ভিতর থেকে ফাঁপা, পচা এবং দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে গেছে। যে সমাজে বাবা মেয়ের হেফাজত করতে না পারে, যেখানে রাষ্ট্র ধনীদের ধর্ষণের লাইসেন্স দেয়, এবং যেখানে জ্ঞানের কেন্দ্র (বিশ্ববিদ্যালয়) পেডোফিলিয়ার টাকায় চলে, তাকে "উন্নত" বলা মানবীয় চেতনার অপমান।
ইকবাল বহু বছর আগে বলেছিলেন:
"তোমাদের সভ্যতা নিজের খঞ্জরে নিজেই আত্মহত্যা করবে
যে নাজুক ডালে আশিয়ানা বানাবে, তা অস্থায়ী হবে"
আজ সেই আশিয়ানা মাটিতে পড়ে গেছে। এই ফাইলগুলো পশ্চিমের কফিনে শেষ পেরেক প্রমাণিত হয়েছে।
আমাদের এখন পশ্চিমের দিকে তাকানো বন্ধ করতে হবে এবং নিজেদের মূল্যবোধ, দীন এবং ঐতিহ্যের দিকে ফিরতে হবে।
ইসলামের পারিবারিক ব্যবস্থা, পর্দার হুকুম, মাহরাম-নামাহরামের তফাৎ, এবং দৃষ্টির হেফাজত, এগুলো সেই "হেফাজতি প্রাচীর" যা আমাদের এবং আমাদের বংশধরদের এপস্টাইনের মতো নেকড়ে থেকে বাঁচায়।
ইসলামে "স্বাধীনতা"র অর্থ মাদার-পিতা স্বাধীনতা নয়, বরং "নফসের দাসত্ব থেকে স্বাধীনতা"।
যখন আপনি আল্লাহর গোলাম হয়ে যান, তখন আপনি খাহিশের গোলাম থাকেন না।
আমাদের লিবারেল বন্ধুদের বুঝতে হবে যে যাকে তারা "পর্দা" এবং "পাবন্দি" বলে, তা আসলে নারীর সম্মান এবং তাকরিমের জামিন।
যদি পশ্চিমে ইসলামের মতো পারিবারিক ব্যবস্থা থাকত তাহলে সেই হাজার হাজার মেয়ে যারা ঘর ছেড়ে বা মডেল হওয়ার শখে এপস্টাইনের চিংড়িতে পড়েছে, তারা নিজেদের ঘরে নিরাপদ থাকত।
আমাদের মেয়ে-বোনেরা যারা হায়ার অলঙ্কারে সজ্জিত, তারা পশ্চিমের বাজারে বিক্রি হওয়া "পণ্য" থেকে কোটি গুণ উত্তম।
এটি সময় যে আমরা আমাদের দীনে গর্ব করি, আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শিক্ষাকে মজবুত করে ধরি এবং আমাদের বংশধরদের বলি যে
"দেখো! বাইরে শুধু অন্ধকার, আলো শুধু মুহাম্মদ আরবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পায়ের নিচে।"
শেষ কথা এই যে এপস্টাইন ফাইলস প্রকৃতির পক্ষ থেকে এক "রেড অ্যালার্ট"।
এটি বলছে যে দজ্জালি ফিতনা তার চরমে। সেই বিশ্ব ব্যবস্থা যা সুদ, ফাহিশা এবং জুলুমের উপর প্রতিষ্ঠিত, তা এখন তার শেষ পর্যায়ে।
বাতিল যখন নগ্ন হয়ে যায়, তখন তার পতন শুরু হয়।
আমাদের এই পতন থেকে প্রভাবিত না হয়ে নিজেদের "নৌহের কিস্তি" (ইসলামী দীন)কে মজবুত করতে হবে। আমাদের ঘরগুলোকে "কেল্লা" বানাতে হবে যেখানে আমরা আমাদের মূল্যবোধ রক্ষা করতে পারি।
এই ফাইলগুলো প্রমাণ করে দিয়েছে যে আল্লাহ ছাড়া মানুষ কেবল এক "বুদ্ধিমান হিংস্র জন্তু"।
নাজাত প্রযুক্তিতে নেই, নাজাত ডলারে নেই, নাজাত শুধু "চরিত্র" এবং "খৌফে খোদা"য়।
এবং এই ধন শুধু মুসলিমদের কাছে।
বিশ্ব এখন এক নতুন বিকল্পের খোঁজে, এবং সেই বিকল্প শুধু "ইসলাম"।
যদি আমরা এখনও নিজেদের কদর না চিনি এবং পশ্চিমের অনুকরণে লেগে থাকি, তাহলে আমরাও সেই নর্দমায় পড়ব যেখানে আজ পশ্চিম পড়ে আছে।
সিদ্ধান্ত আমাদের হাতে:
সম্মানের পথ বেছে নেব নাকি অপমানের, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পথ বেছে নেব নাকি এপস্টাইনের বড়দের ?
اردو تحریر سر بلال شوکت آزاد
مترجم رکؤل شیخ
আপনার কাছে যদি একশ কোটি টাকা থাকে তাহলে আপনি গাড়ি কিনবেন, বাড়ি কিনবেন। যদি এক হাজার কোটি টাকা থাকে তাহলে জাহাজ কিনবেন, বিমান কিনবেন।
আর যদি দশ লক্ষ কোটি টাকা থাকে তাহলে বাচ্চা মেয়েদের মাংস খাবেন, জীবন্ত মেয়ে শিশুর পেট চিরে নাড়িভুঁড়ি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খাবেন।
কোন কল্পকাহিনী বলছি না। এমনটা সত্যিই ঘটেছে। পশ্চিমা বিলিয়নিয়াররা এতবছর এসবই করে এসেছে।
গতকাল Epstein ফাইলস ফাঁস হয়েছে। সেখানে হাজার হাজার ভিডিও এবং ৩০ লক্ষ পৃষ্ঠার এসব গোপন নথিপত্রের প্রমাণ রয়েছে।
এই পাশবিক এবং জঘন্য কাজগুলো কোন চুপিসারে হতো না। বরং আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে জমজমাট ভাবেই হতো।
ই*সরায়েলী গোয়েন্দা জেফ্রী এপস্টেইন এবং তার ওয়াইফ মিলে ফ্লোরিডার গোপন একটা দ্বীপে এই পাশবিক আয়োজন টা করতো। এমনকি ওরা এই অনুষ্ঠানের নাম দিয়েছিল ক্যালেন্ডার গার্ল।
এই অনুষ্ঠানে নামি দামী রাজনীতিবীদ থেকে শুরু করে, গায়ক, বিজ্ঞানী সব রকমের মানুষজন থাকতো। বিল গেটস, ডোলান্ড ট্রাম, ট্রামের ছেলেমেয়ে, প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, বব শাপিরো সহ আরও অনেকেই ছিল।
এপস্টেইন এবং তার বউয়ের কাজ ছিল বিভিন্ন দেশ থেকে বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদেরকে পাচার করে এই দ্বীপে নিয়ে আসা। তারপর তুলে দেয়া হতো অনুষ্ঠানের পাশবিক এই অতিথিদের হাতে।
ট্রাম্পসহ বাকিরা প্রথমে মেয়েদের যৌ*নাঙ্গে আঙুল দিয়ে ধ*র্ষণের জন্য প্রস্তুত করতো। কোন বাচ্চার যৌ*নাঙ্গ কতটা টাইট সেসব দেখে দেখে রেটিংও দিত।
তারপর অতিথিদের পছন্দমতো বাচ্চাদেরকে পাঠিয়ে দেয়া হতো তাদের রুমে।
সেখানেই দিনরাত চলতো ধ*র্ষণ এবং পাশবিক নির্যাতন। মেয়ে বাচ্চাগুলোকে বাধ্য করা হতো ওরাল সে*ক্স করতে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের টার্গেট থাকতো বাচ্চাগুলোকে প্রেগন্যান্ট করা।
প্রেগন্যান্ট করেই ওরা ক্ষান্ত থাকতো না। পরে সেই প্রেগন্যান্ট বাচ্চা মেয়েদেরকে এবরশন করে ভ্রুণ বের করে স্যুপ বানিয়ে খেতো।
এমনকি জীবন্ত মেয়েদের পেট চিরে নারিভুরি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খেতো।
কাবাবের মতো করে পুড়িয়ে পুড়িয়ে বাচ্চাদের মাংস খেতো, পার্টি করতো, উল্লাস করতো।
এদের মধ্যে বেশিরভাগ বাচ্চার বয়সই ছিল মাত্র ৩-৯ বছর! আই রিপিট মাত্র ৩ বছর বয়সের বাচ্চাও এতসব জঘন্য নির্যাতনের শিকার হয়ে মা*রা যেত।
এইসব জঘন্য অপকর্মের ব্যাপারে বহুবার বহুজন মুখ খুলতে চেয়েছিল কিন্তু তেমন কোন লাভ হয়নি।
২০০৯ সালেই একটা পার্টিতে গ্যাব্রিয়েলো রিকো নামের এক মেয়ে চিৎকার করে করে বলে দিয়েছিল- ওরা নরপশু, আমি দেখেছি ওরা মানুষের মাংস খেয়েছে।
এরপর ওই মেয়েকে আর কোথাও দেখা যায়নি। তাকে স্রেফ গায়েব করে দেয়া হয়েছিল।
ব্রাউন নামের এক সাংবাদিকও এসব বিষয়ে অনুসন্ধান করতে চেয়েছিল। পরে তাকে জেলে ভরা হয় এবং ২০১৯ সালে আশ্চর্যজনকভাবে জেলেই তার মৃ*ত্যু হয়। মূলত তাকেও মে*রে ফেলা হয়েছিল।
এপস্টেইন নামক লোকটা এতসব বাচ্চা মেয়েকে সাপ্লাই দিতো এবং জঘন্য কাজে সাহায্য করতো যাতে সে পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনীতিবীদদের ব্ল্যাকমেইল করতে পারে এবং গোয়েন্দা বাহিনীদের স্বার্থ হাসিল করতে পারে।
ক্ষমতা এবং স্বার্থের লোভেই তাদের বাহিনীগুলো এতবছর ধরে এ নোংরা কাজগুলো করে আসছিল।
বিল গেটস পর্যন্ত এসবের সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। রাশিয়ান এক মেয়ের সাথে যৌন সম্পর্ক করে STD রোগে আক্রান্ত হয়েছিল সে। এজন্যে তার ওয়াইফকেও রেগুলার ভ্যাকসিন নিতে হতো।
শুধু বিল গেটসই না, জোহরান মামদানীর মাও এসব পাশবিক অনুষ্ঠানে যোগদান করতো। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামও পাওয়া গেছে এই ফাইলে।
শুধু তাই না, নারী পাচারকারী চক্রের সাথে জড়িত আমেরিকার রাজনীতিবিদদের ক্যাম্পেইনে অনুদানও দিয়েছিল বিএনপির নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু।
এতসব বড়সড় নেটওয়ার্ক, হাজার কোটি ডলারের লেনদেনের মধ্যে দিয়েই ঘটে চলছিল এসব নোংরা এবং জঘন্য সব কার্যক্রলাপ। এই ফাইল ফাঁস না হলে আমরা হয়তো জানতেও পারতাম না যে পশ্চিমারা কতটা জঘন্য।
আজকে এই ফাইলে যদি কোন হুজুরের নাম থাকতো, কোন মাওলানার নাম থাকতো তাহলে হয়তো দেশে দেশে মশাল মিছিল বের হতো, আমেরিকা থেকে হুশিয়ারি আসতো।
অথচ ক্ষমতার মসনদে থাকা আমেরিকার বিলিয়নিয়াররা এসব করেছে বলে পুরো বিশ্ব নিশ্চুপ।
যেসব পশ্চিমা নেতাদেরকে আমরা অনুসরণ করি, বিজ্ঞানীদের সম্মান করি, সেলিব্রিটিদের দেখলে আনন্দে আত্মহারা হই তাদের মানসিকতাই এমন জঘন্য, কলুষিত।
এই পশ্চিমারাই আমাদেরকে নারী অধিকার শিখায়, নারীর ক্ষমতায়ন শেখায় অথচ এরাই আবার ছোট ছোট বাচ্চা মেয়েদের নাড়িভুঁড়ি ছিঁড়ে খেতে দুইবার ভাবে না!
=======================================
Epstein files হলো এমন একটি ফাইল যেখানে-
৩ মিলিয়নের বেশি পৃষ্ঠা, দুই হাজারের উপরে ভিডিও এবং প্রায় ২ লক্ষ্যের মত ছবিযুক্ত এই ফাইলে এমন ব/ র্বর/ তা উঠে এসেছে, যা আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মত না। এ নথির তথ্যগুলোতে বিশ্বের অনেক প্রভাবশালীদের নাম এবং অপকাজের বিবরণ আছে যারা কণ্যা শিশুদের বিভিন্ন দেশ থেকে পা/চা*র করে বছরের পর বছর ধ*র্ষ/ণ করে গেছে।কেবল ধ*র্ষ/ণ করেই খান্ত হয়নি কণ্যা সন্তানদের বেছে বেছে রো/স্ট করে খে*য়ে*ছে/ন।হ্যাঁ, সেসব ইভেন্টে তারা মানুষ হয়েও মানুষের বা/চ্চা/র মাং/স খে/য়ে/ছে। এসব প্রভাবশালীদের ভেতর ডো-না/ল ট্রা ম্প, বিল গেই টস, ইলো ন মা স্ক, সৌদির কিছু আমিররা সহ, বিশ্বের কোটিপতিরা জড়িত।এমনকি প্রতিবেশীদেশের নরেন্দ্র মুদিও জড়িত।মুদি তো কোনো এক ইভেন্টের ভোজ সভায় নৃত্যকর্মেও রত ছিলো।এক কথায়- Epstein files হলো প্রভাবশালী সয়তানগুলোর ক্ষুদ্র আমলনামার প্রমাণ।যা অ্যাপস্টেইন নামক ( নিজেদের লোকই!) লোকের দ্বারা লিক হয়।এরকম শতশত অ্যাপস্টেইন আছে যাদের কাজ হলো এরকম ব্রোথেল তৈরি করা। তারপর সমস্ত সাইকো পার্ভাট প্রভাবশালীদের কাছে পাঠিয়ে আনন্দ দেওয়া। এবং নিজের স্বার্থে সেগুলোর গোপন রেকর্ড রেখে দেওয়া (পরবর্তীতে থ্রেট হিসেবে ব্যবহারের জন্য)।এরকমই অসংখ্য নথি রয়েছে যেগুলো এখনও অপ্রকাশিত।বা প্রকাশ করা যায়নি।যেগুলো হয়তো এর চেয়েও ভয়ঙ্কর।তবে অচিরেই সব বেড়িয়ে আসবে।
কারণ পাপ বাপকেও ছাড়ে না...
মোটকথা- ওয়েস্টার্ন কালচারের সাথে জড়িত প্রত্যেকেই এসব ধ/র্ষণ, খু/ন এবং ন*ষ্টামির সাথে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে জড়িত।না! সবাই মানুষ খে/কু না, তবে মানুষ খে কু দের তেলাতে ব্যস্ত।এসব তেলবাজদের ভেতর বাদ নেই আপনাদের চিরোচেনা খেলোয়ার সহ মিডিয়া জগৎের কিংবা আরব আমিরাতের দুলালেরাও। এরাই তারা, যারা ওয়েস্টার্ন কার্লচার লালন করা হাস্যোজ্জ্বল প্রাণী! অর্থাৎ আম্রিকা যারে ভালো বলতাছে ধরে নিবেন সেওও এসব অপকর্মে সরাসরি জড়িত। আমি তো আলাভোলা মানুষদের জন্য আমার মতো সরল বাক্যে বুঝানোর চেষ্টা করলাম।আরো বিস্তারিত জানতে গুগুল/ উইকিপিডিয়া ঘাটুন।বিস্তারিত তথ্য ছবি/ ভিডিও গুলো দেখলে ঘৃণা আর বমিতে রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে.....
তবে সুস্থ জ্ঞান সম্পন্ন সচেতন মানুষদের প্রতি আকুল আবেদন।বিষয়টিকে বেশি বেশি ছড়িয়ে দিন।ওয়েস্টার্ন কালচারে অভ্যস্থ বেকুপ বন্ধুটিকেও তথ্যগুলো জানিয়ে দিন।যেন সেও মরিচীকা অনুসরণ থেকে ফিরে আসে...
বিদ্রঃ এখনও যাদের আমার লেখাটা পড়ে বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে। তথ্যের ঘাটতি হচ্ছে। তাঁরা বুঝার সুবিধার্থে আমার দেওয়া কমেন্টসেকশনের লিংক গুলো পড়ুন।ধন্যবাদ।
======================================
নিশ্চয়ই আপনারা সকলেই এপস্টিন ফাইলের কথা শুনেছেন পড়েছেন!
এই বিকৃত মনস্টারেরা শিশুদের ধর্ষণ করে হত্যা করে তাদের মাংস রান্না করে পার্টি করতো!
এইটা দেখার পর আমার এতটা বমি বমি ভাব চলে আসছে নিজেকে স্থির রাখতে পারি নাই!
সম্প্রতি এই কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত বিপুল নথি প্রকাশ করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ।
প্রকাশিত নথিতে দেখা যায়, জেফরি এপস্টেইনের শিশু পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িতদের তালিকায় নরেন্দ্র মোদি, ট্রাম্প, বিল গেটস, বুশ, বারাক ওবামার পাশাপাশি নাম আছে মার্কিন রাজনীতিবিদ বিল রিচার্ডসন।
আশ্চর্যজনকভাবে হলেও সত্য যে এই রিচার্ডসনের নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে ৫০০০ ডলার অনুদান দিয়েছিলেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী এবং ফেনী-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল আওয়াল মিন্টু।
আজকে ছাত্রদলের ভাইরা একদিকে একটা ফেইক/আনফেইক টুইট নিয়ে বিশাল শোডাউন দিছে অন্যদিকে এই কুখ্যাত মনস্টার নরখাদকদের সহযোগী আব্দুল আওয়াল মিন্টুর পক্ষে ভোটের প্রচার প্রচারণাও চালায়ে যাচ্ছেন!
এনাদেরও তো নিশ্চয়ই ছোট বোন আছে বা ভবিষ্যৎ -এ কন্যাসন্তানের জনক হবেন! কখনো সময় পাইলে একটু ভাইবেন কোন মুখ নিয়ে আপনারা এই শিশুদের সামনে দাড়াবেন?
====================================
এপস্টেইন তার একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নাম রেখেছিল Baal। Baal ছিল এক প্রাচীন দেবীর / (অনেক বর্ণনায় একে দেবতা বলা হয়েছে) নাম, যাকে শাম অঞ্চলে পূজা করা হতো। বাল পূজার মধ্যে শিশু বলি অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে শিশুদের আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হতো। একজন সাক্ষী বলেছে যে এপস্টেইনের পার্টিগুলোতে বড় বড় ধণী, ক্ষমতাশালীরা শিশুদের মাংস খেত।
এটা সেই বাল (baal) যাকে ইসলামপূর্ব আরবে কুরাইশদের তাড়িয়ে মক্কা দখল করা বনু খুজাআ গোত্রের ব্যবসায়ী আমর ইবনে লুহাই আল খুজায়ী ব্যবসা করতে গিয়ে শাম অঞ্চলে খুঁজে পায়। সেখানে বাল দেবীর পূজায় প্রচুর ব্যবসা হতো দেখে আমর ইবনে লুহাই বালের অনুকরণে আরেকটি বড় মূর্তি মক্কায় নিয়ে আসে। সেটাকে পাহাড়ে স্থাপন করে আর নাম রাখে "হুবাল"। এরপর মক্কাতেও নানা উৎসব করে এটার পূজা হতো আর আমর প্রচুর টাকা কামাতো।
পরবর্তীতে আরবের অন্য ব্যবসায়ীরাও নতুন পূজার কালচার আনতে থাকে আর হুবালের পর লাত, মানাত, উজ্জা, ইসাফ, নাঈলা নামক আরও মূর্তি আসতে থাকে।
আল্লাহর রাসুলের (সা) পূর্বপুরুষ কুশাই ইবনে কিলাব এই বনু খুজাআ গোত্রকে তাড়িয়ে কাবার নিয়ন্ত্রণ কুরাইশদের অধীনে নিয়ে আসেন। কিন্তু বনু খুজাআর প্রতিষ্ঠা করা আইন বানানোর পার্লামেন্ট দার-আন-নদওয়া আগের মতই রেখে দেন। এবং মূর্তিপূজার কালচারও রেখে দেন।
তারমানে বৃটিশরা চলে যাওয়ার পরেও যেমন আমাদের এই অঞ্চলে আবার ইসলামিক আইন না এনে বৃটিশ আইনই চালু রাখে ঠিক তেমন। আর মূর্তিপুজার মতো করেই তাদের অনুকরণে আমরা শহীদ মিনার, স্মৃতি সৌধের মত মনুমেন্ট বানাই।
মূল শয়তানের পূজাটা হয় মূলত সিস্টেমে। যেখানে আল্লাহকে বাদ দিয়ে মানুষ আইন বানায়। আর মূর্তি কিংবা সৌধ পূজা হলো এই কুফরি সিস্টেমেরই কালচার।
পরবর্তীতে আল্লাহর রাসুল (সা) নবুয়ত পেয়ে যখন এই সিস্টেম বাদ দিয়ে আল্লাহর বিধান দিয়ে শাসিত হবার আহবান জানান, তখনই মক্কার লিডারশীপ এটার সাথে সংঘর্ষে জড়ায়।
=====================================
এপস্টিন কে?
তরুণ বিলিয়েনেয়ার এবং ফাইন্যান্স জগতের লোক হিসেবে পরিচিত ছিল। দুনিয়ার হোমড়াচোমরাদের সাথে ঘনিষ্ঠ। টাকা আর নেটওয়ার্কের উৎস কী, কেউ ক্লিয়ারলি জানে না৷
.
.
সে কী করতো?
পশ্চিমা দুনিয়ার সবচেয়ে ধনী আর প্রভাবশালী লোকদের জন্য পার্টির ব্যবস্থা করতো নিজের ব্যক্তিগত দ্বীপে। টপ পলিটিশিয়ান, সেলেব্রিটি, বিযনেসম্যান, ইন্টেলেকচুয়াল - মোটামুটি সব ধরণের লোক তার এসব পার্টিতে আমন্ত্রন পেতো।
.
.
পার্টিতে কী হতো?
ড্রাগস, অরজি, রেইপ। অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে এবং ছেলেরা থাকতো। পাশাপাশি টর্চার, হত্যা এবং ক্যানিবালিসমের ইঙ্গিত আছে। তবে এখনো সাবস্টেনশিয়েটেড না।
.
.
কেন পার্টি অ্যারেঞ্জ করতো এপস্টিন?
নিজের আনন্দ, নেটওয়ার্ক, প্রভাবের জন্য। পাশাপাশি প্রভাবশালীরা কী করছে সেগুলো সে ভিডিও করে রাখতো। এই ভিডিও মোটামুটি নিশ্চিতভাবেই ব্ল্যাকমেইলের জন্য ব্যবহার হতো।
.
.
প্রভাবশালীরা কেন পার্টিতে যেতো?
কারণ, তারা বিকৃত রুচির পশু৷
.
ব্ল্যাকমেইল কে করতো?
যারা ২৩ সাল থেকে সারা বিশ্বের সামনে গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। দাজ্জালের চোসেন পিপল।
.
.
এপস্টিনের এখন কী অবস্থা?
জেলহাজতে নেয়ার পর সে রহস্যময়ভাবে 'আত্মহত্যা' করে। তার বাসা আর ডিভাইস থেকে ৬০ লাখের বেশি ফাইল পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৩৫ লাখের মতো প্রকাশ করা হয়েছে৷
.
.
এপস্টিন কী একা? ও মরার পর এসব বন্ধ?
আপনার কী মনে হয়?
=====================================
জেফরি এপস্টিন রথচাইল্ড পরিবারের সঙ্গে কাজ করত, যারা ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠনে অর্থায়ন করেছিল। সে মোসাদের দ্বারা সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত ছিল এবং তাদের কাছ থেকে অর্থ পেত। কিছু নথিতে তাকে মানুষ বলি দেওয়ার শয়তানি আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করা হয়েছে। তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নাম ছিল এক প্রাচীন কনানীয় শয়তানের নামে, যাকে প্রাচীনকালে হিব্রু লোকেরা পূজা করত।
গতকাল থেকে আমি জেফরি এপস্টিনের ফাইলগুলো নিয়ে ঘাঁটছি, যা আমাকে আক্ষরিক অর্থে একটা ভয়ংকর কালো গর্তের মধ্যে টেনে নিয়েছে। নথিগুলোতে যা দেখেছি, তা তোমার মাথায় ঢোকানো যায় না, যতই চেষ্টা করো না কেন। তারা কতটা নিচে নেমেছে, সেটা কল্পনাও করা যায় না।
এজন্য এই পোস্টটা একদম সাধারণ নয়।
আজ আমি তোমাকে কোনো গল্প বলব না, বরং নথি থেকে কিছু অংশ তোমার সামনে রাখব। মনে রাখো, এগুলো শুধু যেগুলো নিয়ে এখানে কথা বলা যায়। আরও অনেক খারাপ জিনিস আছে, কিন্তু সেগুলো পাবলিকলি বললে অ্যাকাউন্ট ব্যান হয়ে যাবে। তাই এটা শুধু প্রথম অংশ।
শেয়ার করতে ভুলো না, যাতে বিশ্বের সবাই এসব জানতে পারে। এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
চলো একটা একটা করে দেখি, নিজেকে কিছু অপ্রত্যাশিত ধাক্কার জন্য প্রস্তুত করো।
১. প্রথম ধাক্কা হলো একটা নথি, যেখানে বলা হয়েছে জেফরি এপস্টিন সরাসরি আর্থিক সাহায্য পেয়েছেন “আরিয়ান দে রথচাইল্ড” থেকে। তিনি ফরাসি ব্যাঙ্কার, ২০২৩ সালের মার্চ থেকে এডমন্ড দে রথচাইল্ড গ্রুপের সিইও এবং চেয়ারপার্সন। তিনি বেনজামিন দে রথচাইল্ডের স্ত্রী, যিনি গ্রুপের প্রধান ছিলেন।
এডমন্ড দে রথচাইল্ড গ্রুপটা আসলে কী?
এটা ২০০৫ সালে গঠিত একটা আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা, যার ঘোষিত লক্ষ্য শিক্ষা, শিল্প ও সামাজিক উদ্যোগে সাহায্য করা। এটা ইসরায়েলে সক্রিয়, যুব নেতৃত্ব তৈরি, বৈচিত্র্য ও উচ্চশিক্ষা প্রচার করে। এটা এডমন্ড দে রথচাইল্ড ফাউন্ডেশনের সামাজিক শাখা।
এডমন্ড দে রথচাইল্ড ফাউন্ডেশন নামকরণ করা হয়েছে ব্যারন এডমন্ড দে রথচাইল্ডের নামে, যিনি লর্ড মেয়ার আমশেল রথচাইল্ডের নাতি। এই রথচাইল্ড পরিবার বিশ্বের অনেক ব্যাঙ্কিং ও মিডিয়া প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ করে।
এডমন্ড দে রথচাইল্ড নিজেই ১৯শ শতাব্দীর আশির দশকে ফিলিস্তিনে প্রথম ইহুদি বসতি স্থাপনে অর্থায়ন করেছিলেন। তার ফাউন্ডেশন ২০১৫ সালে জেফরি এপস্টিনকে ২৫ মিলিয়ন ডলার দিয়েছিল, কিছু রহস্যময় “অ্যালগরিদম” নিয়ে কাজের জন্য।
২. দ্বিতীয়টা একটা এফবিআই নথি। এতে বলা হয়েছে, তারা তদন্ত করছিল এবং নিশ্চিত যে এপস্টিন সিআইএ, মোসাদ ও তাদের মিত্রদের সঙ্গে গোয়েন্দা হিসেবে কাজ করতেন। হার্ভার্ডের আইনের অধ্যাপক অ্যালান ডারশোভিটজ তার আইনজীবী ছিলেন। তিনি মোসাদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করতেন। জারেড কুশনার (ট্রাম্পের জামাই) ও তার ভাই জশ কুশনার তার ছাত্র ছিলেন। এপস্টিন মোসাদকে সরাসরি রিপোর্ট দিতেন।
নথিতে আরও বলা হয়েছে, এপস্টিনের ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাকের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। তাকে বারাকের অধীনে গোয়েন্দা হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকেও “অপরাধী” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
৩. তৃতীয়টা আরেকটা এফবিআই নথি, ২০১৯ সালের তদন্তের সময়ের একটা ইমেইল। দুই অজ্ঞাত ব্যক্তির মধ্যে (সম্ভবত অফিসার)। একজন ভুক্তভোগীর সাক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে এপস্টিনের শয়তানি পার্টিতে।
ভুক্তভোগী বলেছেন, এপস্টিনের ইয়টে একটা যৌন উৎসবে তিনি দেখেছেন আফ্রিকান পুরুষরা সাদা স্বর্ণকেশী মেয়েদের সঙ্গে যৌনকর্ম করছে, সবাই রক্তাক্ত ছিল।
তাকে শয়তানি বলি আচারের শিকার করা হয়েছে, পায়ে বাঁকা তলোয়ার (সিমিটার) দিয়ে কাটা হয়েছে, কিন্তু কোনো দাগ রাখেনি।
তিনি দেখেছেন শিশু বলি, তাদের অন্ত্র বের করে খাওয়া এবং মল খাওয়া। তাকে জর্জ বুশ সিনিয়র ধর্ষণ করেছে।
এগুলো বিশ্বাস করা বা না করার অধিকার তোমার। আমি নিজেও নিশ্চিত নই কতটা সত্যি। কিন্তু নথিটা নিচে রাখছি।
৪. চতুর্থটা আগেরটার সঙ্গে যুক্ত। এপস্টিন জে পি মর্গান ব্যাঙ্কে একটা ইমেইল পাঠিয়েছেন, ১১ হাজার ডলার ট্রান্সফার করতে বলেছেন তার অ্যাকাউন্টে, যার নাম “Baal”।
Baal কী?
এটা আরবি “বা’ল” এর ইংরেজি। প্রাচীন কনানীয় ও ফিনিশিয়ান দেবতা, উর্বরতা ও ঝড়ের। ইব্রাহিমীয় ধর্মে (ইহুদি, খ্রিস্টান) একে শয়তানে পরিণত করা হয়েছে, “মাছি প্রভু” বা “শয়তানদের প্রভু”।
এর উৎপত্তি ফিলিস্তিনের প্রাচীন শহর কেনানে। সেখানে চিকিৎসার দেবতা হিসেবে পূজা হতো। ইসলামে এটাকে মূর্তি হিসেবে দেখা হয়েছে, শয়তানের (ইবলিস বা লুসিফার) রূপ। Baalzebub এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
ইতিহাস অনুসারে, এর পূজায় শিশু বলি (পোড়ানো) হতো। ২০১৪ সালে অক্সফোর্ডের একটা গবেষণায় তিউনিসিয়ার কার্থেজে হাজার হাজার মাটির পাত্রে শিশুর পোড়া অবশেষ পাওয়া গেছে, Baal-এর বলির অংশ।
এগুলো আমার কথা নয়, ঐতিহাসিক ও বৈজ্ঞানিক সোর্স থেকে।
৫. পঞ্চমটা সবচেয়ে বড় ধাক্কা। একটা ইমেইল এপস্টিন পাঠিয়েছেন কোনো অজ্ঞাত ব্যক্তিকে (নাম মুছে ফেলা)।
এপস্টিন লিখেছেন: “তুমি কোথায়? ভালো আছো? টর্চার ভিডিওটা আমার খুব ভালো লেগেছে!”
অজ্ঞাত ব্যক্তি উত্তর দিয়েছেন: “আমি এখন চীনে... মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে আমেরিকায় থাকব।”
ইমেইলটা ২৫ এপ্রিল ২০০৯। আমি ইন্টারনেটে খুঁজে দেখলাম, ২০০৯ সালের এপ্রিলে চীনে কে ছিলেন।
খুঁজে পেলাম, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
দুই সপ্তাহ পর (মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে) নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ওবামার সঙ্গে দেখা করেন, তাদের প্রথম অফিসিয়াল মিটিং।
আমি কিছু যোগ করছি না, তুমি নিজে বোঝো। নিউজ সোর্স ও নথি নিচে।
এখানে থামি, যাতে তুমি আগের ধাক্কাগুলো হজম করতে পারো। দ্বিতীয় অংশ রাতে বা কাল করব, আরও বেশি চাঞ্চল্যকর জিনিস নিয়ে।
======================================
এপেস্টাইন ফাইলের বীভৎসতা পশ্চিমা মানবাধিকার ও নারী অধিকারের মুখোশ খুলে দিয়েছে।
৩ মিলিয়নের বেশি পৃষ্ঠা, দুই হাজারের উপরে ভিডিও এবং প্রায় ২ লক্ষ্যের মত ছবিযুক্ত এই ফাইলে এমন বর্বরতা উঠে এসেছে, যা আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মত না। মেয়ে শিশুদের সাথে নির্মম যৌন নিপীড়ন থেকে শুরু করে তাদের গোশত খাওয়া ( আবার পড়ুন মানুষের গোশত খাওয়া) এর মত বর্বরতা সবই হত সেই ইভেন্টে।
ইলন মাস্ক, ডোনাল্ড ট্রাম্প সহ নামিদামি সেলিব্রিটি গায়ক, নায়ক, খেলোয়াড়, নির্মাতা সহ আপনার স্বপ্নের অনেক মানুষ এই বর্বরতার সাথে যুক্ত।
দেখুন এরাই কিন্তু মুসলিম বিশ্বের উপর তাদের নির্ধারিত মানবাধিকার ও নারী অধিকার চাপিয়ে দেয়। হুমকি দেয়, অবরোধ আরোপ করে। কিন্তু দিনশেষে তাদের উদ্দেশ্য নারীদের পণ্য বানানো। ভোগ করা। এসব অধিকারের গল্প না ফাঁদলে তো আমেরিকান সৈন্যরা তাদের নারী সহকর্মীদের গড়ে ৩ জন করে ভোগ করতে পারবে না। কর্মক্ষেত্র, রাজনীতি, মিডিয়া, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি সব জায়গার চিত্র একই।
মুসলিমদের ভাবা উচিত, তারা কাদের থেকে নারী অধিকার আর মানবাধিকারের শিক্ষা নিয়ে নিজের ফিতরাত ও আইডেন্টির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চায়। যেসব নারীবাদী আর মডারেটরা আপনাদের পশ্চিম থেকে আমদানি কৃত নারী অধিকারের ফ্রেইমওয়ার্ক শেখায় আবার এর উপর ইসলামি লেভেল লাগাতে চায়, এদের বর্জন করুন।
এদের লড়াইটা অধিকার আর ক্ষমতায়নের নামে আপনাকে ভোগ্যপণ্যে রূপান্তরিত করা। আপনাকে ভোগের এক নীরব জগতের দিকে ঠেলে দেয়া। আপনাকে আপনার ফিতরাত ও দ্বীনের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দেয়া।
মনে গেঁথে নিন, মানবাধিকার আর নারী অধিকারের নামে তারা যেই কাঠামোর দিকে আপনাকে ঠেলে দিতে চায়, সেখানে যৌন নিপীড়ন এবং পণ্যায়ন আবশ্যকীয় বাস্তবতা ও ফলাফল।
পশ্চিমের কোন দেশ এই বাস্তবতার নির্মমতা থেকে মুক্ত না। কিন্তু আপনার সামনে কেবল সেগুলো আড়াল করে রাখার চেষ্টা করা হয়। কেবল চোখ ধাঁধানো কৃত্রিম দৃশ্য বারবার আপনার সামনে প্রচারিত হয়। কিন্তু আড়ালের আহাজারিকে প্রলেপ দেয়া হয়।
=======================================
প্রথমে মেয়েদের যৌ*নাঙ্গে আঙুল দিয়ে ধ*র্ষণের জন্য প্রস্তুত করতো। কোন বাচ্চার যৌ*নাঙ্গ কতটা টাইট সেসব দেখে দেখে রেটিংও দিত। তারপর অতিথিদের পছন্দমতো বাচ্চাদেরকে পাঠিয়ে দেয়া হতো তাদের রুমে।
সেখানেই দিনরাত চলতো ধ*র্ষণ এবং পাশবিক নির্যাতন। মেয়ে বাচ্চাগুলোকে বাধ্য করা হতো ওরাল সে*ক্স করতে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের টার্গেট থাকতো বাচ্চাগুলোকে প্রেগন্যান্ট করা।
প্রেগন্যান্ট করেই ওরা ক্ষান্ত থাকতো না। পরে সেই প্রেগন্যান্ট বাচ্চা মেয়েদেরকে এবরশন করে ভ্রুণ বের করে স্যুপ বানিয়ে খেতো।
এমনকি জীবন্ত মেয়েদের পেট চিরে নারিভুরি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খেতো।
কাবাবের মতো করে পুড়িয়ে পুড়িয়ে বাচ্চাদের মাংস খেতো, পার্টি করতো, উল্লাস করতো।
এদের মধ্যে বেশিরভাগ বাচ্চার বয়সই ছিল মাত্র ৩-৯ বছর! ২০০৯ সালেই একটা পার্টিতে গ্যাব্রিয়েলো রিকো নামের এক মেয়ে চিৎকার করে করে বলে দিয়েছিল- ওরা নরপশু, আমি দেখেছি ওরা মানুষের মাংস খেয়েছে।
বিল গেটস,বিল ক্লিনটন, জোহরান মামদানীর মা, ডোনাল্ড ট্রাম্প, নরেন্দ্র মোদি, জেফ বোজেস,ইলন মাস্ক, স্টিফেন হকিং
এসব পাশবিক অনুষ্ঠানে যোগদান করতো। এমনকি মাদার থেরেসার সাথে এপিস্টনের ভালো সম্পর্ক রয়েছে এমন একটি ফাইল ও পাওয়া গিয়েছে।
======================================
প্রথমে মেয়েদের যৌ*নাঙ্গে আঙুল দিয়ে ধ*র্ষণের জন্য প্রস্তুত করতো। কোন বাচ্চার যৌ*নাঙ্গ কতটা টাইট সেসব দেখে দেখে রেটিংও দিত। তারপর অতিথিদের পছন্দমতো বাচ্চাদেরকে পাঠিয়ে দেয়া হতো তাদের রুমে।
সেখানেই দিনরাত চলতো ধ*র্ষণ এবং পাশবিক নির্যাতন। মেয়ে বাচ্চাগুলোকে বাধ্য করা হতো ওরাল সে*ক্স করতে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের টার্গেট থাকতো বাচ্চাগুলোকে প্রেগন্যান্ট করা।
প্রেগন্যান্ট করেই ওরা ক্ষান্ত থাকতো না। পরে সেই প্রেগন্যান্ট বাচ্চা মেয়েদেরকে এবরশন করে ভ্রুণ বের করে স্যুপ বানিয়ে খেতো।
এমনকি জীবন্ত মেয়েদের পেট চিরে নারিভুরি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খেতো।
কাবাবের মতো করে পুড়িয়ে পুড়িয়ে বাচ্চাদের মাংস খেতো, পার্টি করতো, উল্লাস করতো।
এদের মধ্যে বেশিরভাগ বাচ্চার বয়সই ছিল মাত্র ৩-৯ বছর! ২০০৯ সালেই একটা পার্টিতে গ্যাব্রিয়েলো রিকো নামের এক মেয়ে চিৎকার করে করে বলে দিয়েছিল- ওরা নরপশু, আমি দেখেছি ওরা মানুষের মাংস খেয়েছে।
বিল গেটস,বিল ক্লিনটন, জোহরান মামদানীর মা, ডোনাল্ড ট্রাম্প, নরেন্দ্র মোদি, জেফ বোজেস,ইলন মাস্ক, স্টিফেন হকিং
এসব পাশবিক অনুষ্ঠানে যোগদান করতো। এমনকি মাদার থেরেসার সাথে এপিস্টনের ভালো সম্পর্ক রয়েছে এমন একটি ফাইল ও পাওয়া গিয়েছে।
======================================
এই পোস্টটা তাদের জন্য যারা এখনো Epstein কে আর Epstein Files টা কি,এটাই বা এখন কেন রিলিজ হলো সেটা বুঝতেছেন নাহ।
Jeffrey Epstein একজন মো|সা|দ এর উচ্চপদস্থ ব্যক্তি। সব Jউদের গোল একটাই। আ|মে|রিকার পতনের পর
ই|স|রা|য়েল কে নেক্সট সুপার পাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। এখন এই প্ল্যান এক্সিকিউট করার জন্য তার একটা মাস্টারপ্ল্যান ছিলো।
সে একটা কৃত্রিম আইল্যান্ড বানিয়েছিলো Little Saint James নামক দ্বীপে। যেটা পরবর্তীতে তার নামেই নাম হয়ে যায় Epstein's Private Island. সে এখানে দুনিয়ার সব নিষিদ্ধ আনন্দের পসরা খুলে রেখেছিলো। চাইল্ড ট্র্যাফিকিং করা,মানব বাচ্চাদের কে রান্নার খাবার হিসেবে প্রেজেন্ট করা,ছোট মেয়েদেরকে সেক্সুয়াল অব্জেক্ট হিসেবে পলিটিশিয়ান,মিডিয়া ফিগারস,ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টদেরকে সাপ্লাই দিয়ে সেসবের সব রকমের রেকর্ড রেখেছে।
এতোগুলো রেকর্ড কেন রেখেছিলো ? রেকর্ড রেখেছিলো যাতে আ(মে)রিকার পতনকালে রিলিজ করতে পারে।
প্রশ্ন আসতে পারে এটা এখন রিলিজ হলো কেন?
এখানে কয়েকটা বিষয় আছে। ট্রাম্পের ব্যাপারটা ইতোমধ্যেই মানুষ জানতো। সুতরাং ট্রাম্পের কাছে এটা আহামরি কোনো ব্যাপার ছিলোনা যে সেই ফাইলস রিলিজ হলে তার ক্ষতি হবে। কিন্তু শঙ্কাটা ছিলো বাকিদের। কারণ তাদের মধ্যেই ক্যানিবালিজম চর্চা করে অনেকেই আবার মোটিভেশনাল স্পিকার,বিজনেসম্যান।
এখন ট্রাম্প এটা রিলিজ করার অর্থ হলো Jউরা তাকে ফোর্স করছে এটা এখন রিলিজ করার জন্য। এতে ওয়েস্ট এর ব্যক্তিত্বদের প্রতি বিশ্বাস ভেঙে গেলে ওয়েস্ট এর যেই মানবাধিকারের বুলি সেগুলোর ভিত্তি ভেঙে পড়া অনিবার্য। যেটা ইতোমধ্যেই হয়ে গেছে। পরের প্রশ্ন তাহলে আফটারম্যাথটা কি হবে?
বিশ্ব এখন আবার মাল্টিপোলারিটির দিকে চলে যাবে,অনেকগুলো সুপার পাওয়ার তৈরি হবে। কিন্তু Jউরা যাচ্ছে তারা ই যাতে সুপার পাওয়ার হতে পারে। এইজন্য তারা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করতে চায়। যাতে আমেরিকার অর্থনীতি একেবারের জন্য ভেঙে যায় আর ই|স|রা|য়েল হয়ে ওঠে সুপার পাওয়ার। তবে সেই সময়টা কাছে হলেও এখনিই নয়। ৬ মিলিয়নের মধ্যে ৩.৫ মিলিয়ন রিলিজ হলেও ২.৫ মিলিয়ন এ কি আছে এখনো তা অজানা...
======================================
মাঝখানের লাল রংয়ে আটকানো বড় ছবিটা একটা নারীর বুকের অংশের ছবি। কোথার সেটার তো বুঝতে পারছেন? বুকের সেখানের লেখাটাও অদ্ভুত বিশ্রি! কী লেখা? তাই বলতেছি। একটু মনোযোগ দিয়ে পড়েন আর শেয়ার করেন। ভয়ংকর এপস্টেন জগত সম্পর্কে ভিন্ন আর একটা ধারণা পাবেন! আমি মূলত আলোচিত এপস্টিন ফাইলটাই পড়তেছি! পড়বো যতটুকু পারি!
অবশ্যই 'ত্রিশ লাখ পাতা, ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও' কোনোদিনও পড়া বা দেখা সম্ভব না। এছাড়াও এখানে এমনসব 'সাইকোপনা' আছে যা পড়তে গেলে নিজেই সাইকো হয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা আছে। অলরেডি যতটুকু পড়তেছি তাতেই আমার আসলে মাথায় কিছুই কাজ করতেছে না! যেমন এই ছবিগুলোও ওই ফাইল থেকেই নেওয়া। এই ছবিগুলো নিয়েই একটু বলি!
মাঝখানের বড় ছবিটা একটা নারীর বুকের অংশের ছবি। কোথার সেটার তো বুঝতে পারছেন? পায়ের ছবিটাও এক নারীর!
বুকের ছবিতে লেখা - "Lo-lee-ta: the tip of the tongue taking a trip of three steps down the palate to tap, at three, on the teeth."
পায়ের ছবিতে লেখা - "She was Lo, plain Lo, in the morning, standing four feet ten in one sock."
ছবি দুটোতে আসলে কী লেখা খুঁজতে গিয়ে মাথা ঘুরে গেছে! এটা একটা নস্ট উপন্যাসের আলাপ। নাম 'ললিতা'। যেই উপন্যাসটাই মূলত একজন বয়স্ক ব্যক্তির ১২ বছরের একটি কিশোরী মেয়ের প্রতি আসক্তি নিয়ে লেখা। সেখানে ১২ বছরের ওই মেয়েটিকে নিয়ে এমন কোনো কুরুচিপূর্ণ কথা নাই যা লেখা হয়নি। উপন্যাসে ওই মেয়েটির নামই দেওয়া হয়েছে 'ললিতা'!
'ললিতা' উচ্চারণে জিহ্বার নড়াচড়া এটাকেও যৌণতার সাথেই মেলানো হয়েছে। আপনি ওই সেন্সে ললিতা উচ্চারণ করে দেখেন! একটা অসুস্থ সুড়সুড়ি পাবেন! কী বিশ্রি...
এপস্টেন ফাইলে এই ছবিটা আছে। সেখানে কিশোরী ও বাচ্চা মেয়েদের নিয়ে এভাবেই আলাপ শুরু হতো।
এ তো কেবল শুরু... এরপরের পৃথিবী যে কতটা ভয়ংকর তা সম্ভবত পৃথিবীর কোনো মানুষের পক্ষেই বিশ্বাসে আনা সম্ভব না। কিন্তু এই অবিশ্বাস্য বিষয়গুলো সবই ঘটেছে। আমি নিজে ওই বিষয়ে লেখাও সম্ভব না! পারবোই না লিখতে। তবে কয়েকজনের কয়েকটা লেখা এখানে সংযুক্ত করে দিচ্ছি। সাহস হলে পইড়েন। আমি এখনও নিজে এপস্টেন ফাইল থেকে ওইগুলো না পড়লেও যারা লিখেছে তাদের উপর বিশ্বাস আছে আমার। তাই দিলাম -
#লেখা - ১ :
২০০০ ভিডিও এবং ৩০ লক্ষাধিক পৃষ্ঠার চাঞ্চল্যকর ও মারাত্মক সংবেদনশীল মেইল ডাটাবেইজ হ্যাক হয়েছে। সেখানে এমন মানুষদের কুকর্মের ফিরিস্তি রয়েছে যারা বর্তমান বিশ্বের ক্ষমতাধর এবং তারাই শেখায় আমাদেরকে কথিত সভ্যতা ও মানবতা। এই মেইল হ্যাকের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে অ্যাপস্টেইন মেইলস।
নিম্নোক্ত স্ক্রিনশটটে সেখান থেকেই নেওয়া হয়েছে। এটার অনুবাদ করার সাহস হচ্ছে না ঘৃণা ও লজ্জায়। কী নৃশংসতা ও নির্লজ্জতা!
ফ্লোরিডার সমুদ্র সৈকতে অবস্থিত রাজকীয় মারালাগো ক্লাবে আয়োজিত হত "ক্যালেন্ডার গার্ল" নামক এক অদ্ভুত ইভেন্ট। সেখানে জেফ্রি অ্যাপস্টেইন নামক লোক মেয়ে শিশু সরবরাহ করত। ডোনাল্ড ট্রাম্প ভরা মজলিসে সেসব শিশুদেরকে নিলামে তুলত।
পরের লাইনের অনুবাদ করার সাহস হল না। ভাষা আসছে না। না, পারব না। "He measured the children's vulva and vaginas by entering a finger and rated the children on tightness" —এই লাইনের অনুবাদ করা কখনোই সম্ভব নয় আমার জন্য। নিজেরা বুঝে নেবেন।
সেই যৌনতার নিলামে উপস্থিত থাকত ইলন মাস্ক, ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইনভানকা ট্রাম্প, এরিক ট্রাম্প সহ অনেকেই।
নিলাম শেষে প্রত্যেকের রুমে তাদের কাঙ্ক্ষিত মেয়ে শিশুকে পাঠিয়ে দেওয়া হত। তারপর তারা পাশবিক নির্যাতনে মেতে উঠত। ট্রাম্পের ছেলে তখন যাকে ভোগ করেছিল সেই সময় তার বয়স ছিল ১৩।
আর এই জানোয়াররাই নারী অধিকার নিয়ে কথা বলে। এরাই নাকি নারীদের জন্য নিরাপদ বিশ্ব তৈরি করছে। হাউ ফানি!
এই কোন জগতে আছি আমরা?
#EpsteinFiles
#লেখা - ২ :
কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা। বয়স ১২ কিংবা ১৩। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন। একদিন তাকে বলা হলো, তাকে একটি বিশেষ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। বলা হলো, সে বিশ্বের সবচেয়ে জ্ঞানী, ধনী এবং প্রভাবশালী মনীষীদের সাথে দেখা করার সুযোগ পাবে।
সরল বিশ্বাসে মেয়েটি প্লেনে উঠল। কিন্তু সে জানত না, চকচকে ওই প্লেনটির নাম 'ললিটা এক্সপ্রেস' (Lolita Express)। সে জানত না, এই প্লেনটি তাকে স্বপ্নের দেশে নয়, বরং দাজ্জালিক সভ্যতার এক গোপন জাহান্নামে নিয়ে যাচ্ছে। যার গন্তব্য প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ 'লিটল সেন্ট জেমস'।
দ্বীপটি দেখতে দুনিয়াবী জান্নাতের মতো। চারদিকে নীল সমুদ্র, মাঝখানে রাজকীয় প্রাসাদ। কিন্তু প্রাসাদের ভেতরে ঢুকতেই মেয়েটির স্বপ্ন কাঁচের মতো চুরমার হয়ে গেল। সে দেখল, টিভির পর্দায় যাদের সে হিরো হিসেবে দেখেছে, নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী, বিশ্বনেতা, হলিউড সুপারস্টার তারা সেখানে বসে আছে। কিন্তু তাদের চোখে মমতা নেই, আছে এক আদিম, পৈশাচিক ক্ষুধা।
মেয়েটি চিৎকার করে বলেছিল, "আমি মায়ের কাছে যাব!" কিন্তু তার কান্না চাপা পড়ে গিয়েছিল প্রশান্ত মহাসাগরের গর্জনে আর শ্যাম্পেনের বোতল খোলার শব্দে। তাকে বলা হতো, "চুপ থাকো! এরা এই পৃথিবীর ঈশ্বর। এদের সেবা করাই তোমার কাজ।" দিনের পর দিন, এই নিষ্পাপ শিশুদের ছিঁড়ে খেয়েছে তারা, যাদের পোস্টার আপনারা ঘরের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখেন।
আপনারা হয়তো ভাবছেন, এত বড় বড় রুই-কাতলারা জড়িত, তাহলে এই খবর বের হলো কীভাবে?
জেফ্রি এপস্টেইন ছিল অত্যন্ত চতুর। সে তার ক্লায়েন্টদের নাম এবং কন্টাক্ট ডিটেইলস লিখে রাখত একটি ছোট কালো ডায়েরিতে, যা 'দ্য ব্ল্যাকবুক' (The Black Book) নামে পরিচিত। এটি ছিল তার ইনস্যুরেন্স পলিসি। সে ভাবত, এই রাঘব-বোয়ালদের নাম তার কাছে আছে বলে কেউ তাকে ছোঁবে না।
কিন্তু পাপ বাপকেও ছাড়ে না। 'ভার্জিনিয়া জুফরে' (Virginia Giuffre) নামের এক সাহসী নারী, যে ছোটবেলায় এই পিশাচদের শিকারে পরিণত হয়েছিল, সে এপস্টেইনের সহযোগী এবং রক্ষিতা ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল এর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের নির্দেশে হাজার হাজার পৃষ্ঠার সিলড ডকুমেন্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করার আদেশ দেওয়া হয়।
বিশ্ববাসী অবাক হয়ে দেখল, এতদিন তারা যাদের ভদ্রলোক ভেবে এসেছে, আদালতের নথিতে তাদের নামগুলো জ্বলজ্বল করছে জঘন্য সব অপরাধের সাথে।
কাদের নাম নেই সেখানে? তালিকাটি দেখলে আপনার পায়ের তলার মাটি সরে যাবে।
১. বিল ক্লিনটন: আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট, গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা। তিনি এই দ্বীপে এবং এপস্টেইনের প্লেনে চড়েছেন বহুবার। নথিতে তাকে নিয়ে বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য রয়েছে।
২. প্রিন্স এন্ড্রু: ব্রিটিশ রাজপরিবারের অহংকার। যার আভিজাত্যের গল্প শুনে আপনারা বড় হয়েছেন, সেও ছিল এই দ্বীপের নিয়মিত খদ্দের।
৩. স্টিফেন হকিং: যার বিজ্ঞান আর কসমোলজি নিয়ে আপনারা মুগ্ধ। তিনিও গিয়েছিলেন সেই পাপের দ্বীপে। নথিতে তার নামও উঠে এসেছে মাইনরদের সাথে সম্পর্কিত এক প্রসঙ্গে।
৪. বিল গেটস: বিশ্বের সেরা ধনী এবং ফিলানথ্রোপিস্ট। আফ্রিকায় শিশুদের টিকা দেয় (যদিও মহামারী ছড়িয়ে দেয়ার টিকা, বিভিন্ন ভাইরাস টেস্ট করার টিকা) তারও ঘনিষ্ঠতা ছিল এই শিশু পাচারকারীর সাথে।
৫. ডোনাল্ড ট্রাম্প: বিশ্ব রাজনীতির আরেক মোড়ল।
৬. হলিউড ও গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড: কেভিন স্পেসি থেকে শুরু করে নামকরা সব মডেল ও অভিনেতারা, যারা আপনাদের আইডল, তারা অনেকেই ছিলেন এই চক্রের অংশ।
জেফ্রি এপস্টেইন কি কেবল একজন বিকৃতকামী ধনী ছিল? না। সে ছিল মোসাদ (Mossad) এবং পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার একটি হানি ট্র্যাপ প্রজেক্টের এজেন্ট।
তার কাজ ছিল বিশ্বনেতাদের এই দ্বীপে নিয়ে এসে তাদের নোংরা কাজের ভিডিও রেকর্ড করে রাখা যাকে গোয়েন্দা ভাষায় বলা হয় Kompromat। পরবর্তীতে এই ভিডিওগুলো দিয়েই তাদের ব্ল্যাকমেইল করা হতো।
আপনার প্রিয় নেতারা যখন টিভিতে দাঁড়িয়ে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে বা অদ্ভুত সব সেকুলার এজেন্ডার পক্ষে কথা বলে, তখন তাদের গলার দড়িটা আসলে জায়নবাদীদের হাতে থাকে। তারা জানে, মুখ খুললেই তাদের ওই গোপন ভিডিও ফাঁস হয়ে যাবে।
বাংলাদেশে কোনো মাদ্রাসার শিক্ষক যদি শরিয়া নিয়ে কথা বলে, নারীদেরকে ঘরমুখী, ফ্রি মিক্সিং মুক্ত পরিবেশ করার কথা বলে, অল্প বয়সে বিয়ে নিয়ে কথা বলে তখন এই দেশের সুশীলরা, নারীবাদীরা চিৎকার করে আকাশ-বাতাস ভারী করে ফেলে, "মোল্লারা সব শিশুকামী!"
কিন্তু আজ যখন শত শত প্রমাণ সামনে আসছে যে, তাদের স্বপ্নের আমেরিকা, তাদের সভ্যতার ধারক-বাহকেরা একেকজন জঘন্য লেভেলের পেড|ফ|ইল তখন তারা মুখে কুলুপ এঁটেছে। কেন? কারণ এই পিশাচরা টাই পরে, ইংরেজিতে কথা বলে এবং দামী পারফিউম মাখে। তাদের কাছে সাদা চামড়ার অপরাধ কোনো অপরাধ না, ওটা লাইফস্টাইল। যত্তসব ভন্ড হিপোক্রিটের দল, সবগুলারে আমেরিকান হাই হিল দিয়ে পিডানো দরকার।
এই দাজ্জালিক বা NWO (New World Order) এর মূলমন্ত্রই হলো পারিবারিক প্রথা ধ্বংস করা এবং বিকৃত যৌনতাকে নরমাল করা। এই এপস্টেইন চক্র কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, এটা সেকুলার পুঁজিবাদী ব্যবস্থার পচে যাওয়া কলিজার বাস্তব ছবি।
আপনার রব কি বলেননি, "ফিতনা হত্যা অপেক্ষা গুরুতর"?
ইসলাম ছাড়া, শরিয়াহ ছাড়া এই পিশাচদের থামানোর কোনো আইন দুনিয়াতে নেই। কারণ আইন যারা বানায় (Lawmakers), তারাই আজ এই অপরাধের হোতা।
কান্না করেন। শুধু ওই নির্যাতিত শিশুদের জন্য না, নিজের ঈমানের অবস্থার জন্য কান্না করেন। আপনি কাদের ফলো করছেন? হাশরের মাঠে এই পেডোফাইলরা যখন জাহান্নামে যাবে, আপনাকে যেন তাদের ফ্যান বা সাপোর্টার হিসেবে তাদের পেছনে লাইনে দাঁড়াতে না হয় সেই মোনাজাত করেন! এখন সিদ্ধান্ত আপনার।
— Sawtul Zilzal
#লেখা - ৩ :
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জেফরি এপস্টেইন–সংক্রান্ত তদন্তের অংশ হিসেবে ৩০ লাখেরও বেশি নতুন নথি, ভিডিও ও ছবি জনসমক্ষে প্রকাশ করেছে। এটি এপস্টেইন ফাইলস–এর ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় তথ্য প্রকাশ। নতুন এই নথিগুলোতে প্রায় দুই দশকের তদন্তের নানা পর্যায়ের দলিল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ফেডারেল সংস্থাগুলোর অভ্যন্তরীণ ইমেইল, সাক্ষাৎকারের সারসংক্ষেপ, আর্থিক লেনদেনের রেকর্ড, সামাজিক যোগাযোগ ও বিভিন্ন মামলার সংশ্লিষ্ট নথি।
বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রকাশের আওতায় প্রায় ৩০ লাখ পৃষ্ঠা লিখিত নথির পাশাপাশি দুই হাজারের বেশি ভিডিও এবং এক লাখ আশি হাজারের মতো ছবি রয়েছে। তবে এসব নথির একটি বড় অংশ ব্যাপকভাবে রেড্যাক্টেড, অর্থাৎ অনেক তথ্য কালো করে গোপন রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, ভুক্তভোগীদের পরিচয় সুরক্ষা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা এবং চলমান বা সম্ভাব্য আইনি প্রক্রিয়ায় ক্ষতি এড়ানোর জন্যই এই রেড্যাকশন করা হয়েছে।
নথিগুলোতে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে যৌন পাচার ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে পরিচালিত তদন্তের বিভিন্ন দিক উঠে এসেছে। এতে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে হওয়া মামলাগুলো, তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের কারাগারে মৃত্যুর পর চালানো তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট ফেডারেল সংস্থার অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনার তথ্য রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে সংগৃহীত ইমেইল, সাক্ষাৎকারের নোট এবং সামাজিক ও পেশাগত যোগাযোগের তালিকাও এতে অন্তর্ভুক্ত।
নতুন প্রকাশিত নথিতে বহু পরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম এসেছে, যার মধ্যে ট্রাম্প ও ইলন মাস্কের নামও রয়েছে।
নথিতে দেখা যায় ট্রাম্পের বাসভবনে পার্টিতে জেফ্রি এপস্টাইন
শি শুদের নিয়ে আসতেন, এরপর ট্রাম্প তাদের (নি লা মে) তুলে দিতেন।
তিনি এ সময় শিশুদের যৌ৷ ন হয়রানি করতেন এবং শি শু দের আঁটসাঁটতার উপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন করতেন।
এই পার্টিতে আগত অতিথিরা ছিলেন ইলন মাস্ক, জুনিয়র ট্রাম্প, ইভাঙ্কা ট্রাম্প এবং এরিক ট্রাম্প।
একজন অভিযোগকারী দাবি করেছেন যে তাঁর কাছে এমন ভিডিও ফুটেজ রয়েছে, যেখানে ট্রাম্প, এপস্টিন, ম্যাক্সওয়েল এবং ব্রিটিশ-আমেরিকান সাংবাদিক রবিন লিচের সঙ্গে যৌ / ন পার্টির দৃশ্য দেখা যায়। পাশাপাশি মেক্সিকোর সিনালোয়া মাদক চক্রের সঙ্গে লেনদেনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
নথিতে ট্রাম্পের প্রথম প্রেসিডেন্সির সময় ইসরায়েল তার প্রশাসনের ওপর অনেক প্রভাব খাটিয়েছিল বলে একটি এফবিআই রিপোর্টে বলা হয়েছে। রিপোর্টের অভিযোগ অনুযায়ী, ট্রাম্প এমন অবস্থায় ছিলেন যে ইসরায়েল তাকে চাপ বা প্রভাবের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারত।
এ সময় ট্রাম্পের মেয়ের জামাই জ্যারেড কুশনার ও তার পরিবারই মূলত ট্রাম্পের ব্যবসা ও প্রেসিডেন্সির প্রধান সিদ্ধান্তগুলো নিত।
একই সঙ্গে ইলন মাস্কের নামও বিভিন্ন অংশে দেখা গেছে। এই নথিতে কিছু ইমেইলে মাস্ক ও এপস্টেইনের কথোপকথনের রেকর্ড উঠে এসেছে, যেখানে মাস্ক ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে ইপস্টেইনের ক্যারিবিয়ান দ্বীপে (‘নীরজ দ্বীপ’) যাওয়ার জন্য সময় ঠিক করার বিষয় জানতে চেয়েছিলেন। ইমেইলগুলোর ভাষা তুলনামূলক বন্ধুত্বপূর্ণ, যেখানে মাস্ক তার ছুটির সময়সূচি জানাচ্ছেন এবং সাক্ষাতের সম্ভাব্য সময় আলোচনা করছেন।
এই নথিতে এমন ইমেইলও আছে যেখানে মাস্কের কাছ থেকে ইপস্টেইনে কোনও সময় দেখা করতে ইচ্ছা আছে কি না সে সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছে, এবং এক পর্যায়ে ইপস্টেইন জবাব দিয়েছেন যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেখা করা সম্ভব।
উল্লেখ্য, জেফরি এপসটেইনের একটি দ্বীপ ছিল। যেখানে গেলে নারী সঙ্গ পাওয়া যেতো। বড় বড় ধনী ব্যক্তিরা সেখানে যাতায়াত করতো
#fridaypost #epsteinfile
#লেখা - ৪ :
কেমন লাগবে যখন দেখবেন, আপনার ছোট শিশুটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে ধণী, প্রভাবশালী বুড়োরা মিলে ছিঁড়ে খাচ্ছে দেখতে?
সেইসব মানুষগুলো যাদের মোটিভেশনাল স্পিকিংয়ে আপনি ইনস্পায়ার্ড হতেন। আপনি আপনার বাচ্চাদের তাদের মতো জ্ঞানী, ধণী সেলেব্রিটি হবার জন্য উৎসাহিতও করেন। তাদের অভিনীত সিনেমা দেখেন, তাদের খেলা দেখেন, তাদের সাপোর্ট করেন।
এপস্টেইন ফাইল আপনাকে দেখাচ্ছে যে জগতে আপনি আছেন তার শীর্ষে বসে থাকা সবাই ভয়ঙ্কর ক্রিমিনাল, জঘন্য বিকৃত মানসিকতার শয়তান।
জেফ্রি এপস্টেইন যার শ্বশুর একজন ইসরাঈলি গোয়েন্দা ছিল। সে নিজেও ইসরাঈলের হয়ে কাজ করতো। তার কাজ ছিল অল্পবয়সী বাচ্চাদের ধরে নিয়ে গিয়ে তাদের বিকৃত উপায়ে রেইপ করা। দুনিয়ার সকল দেশ থেকে বড় বড় নেতা, ব্যবসায়ী, সেলেব্রিটিদের তার দ্বীপে নিয়ে গিয়ে এসব বাচ্চাদের দিয়ে এন্টারটেইন করানো।
এবং এই তালিকায় আছে আপনাদের সব প্রিয়জন। প্রিয় নেতা, প্রিয় অভিনেতা, প্রিয় লেখক, প্রিয় গায়ক। যে রিপোর্ট আপনারা দেখছেন - এটা একেবারেই সামান্য। মূলত আপনার পরিচিত সবগুলো সেলেব্রিটি এখানকার খদ্দের। কারণ, জেফ্রি এপস্টেইন একজন নয়। প্রতিটি দেশে এমন আলাদা আলাদা এপস্টেইন আছে। আর প্রতিটি দেশের সেলেব্রিটিরা তাদের খদ্দের।
তবে সবার একটাই মিল। তারা সবাই এই পূঁজিবাদী, সেকুলার সিস্টেমের শাসক, সমর্থক। সবকিছুর গোড়ায় এই শয়তানি সিস্টেম।
আপনার আমার প্রভু কি সব অপরাধের মূল কোথায় তা বলেন নি?
সমস্ত রকম শয়তানি অপকর্মের একটাই কারণ - ইসলাম ছাড়া ভিন্নকিছু দিয়ে শাসিত হওয়া।
আপনার বাংলাদেশ রাষ্ট্রটাকেও এই আমেরিকার অধীনে নিয়ে যেতে চাচ্ছে আপনার রাষ্ট্রের মাথায় বসে থাকা আরেক মোটিভেশনাল স্পিকার। চিনেন তাকে?
#লেখা - ৫ :
ইপস্টিন ফাইল ফাঁস হয়েছে। যেখানে উঠে এসেছে পশ্চিমা সভ্যতার লুকানো অন্ধকার জগৎ।
যদিও এগুলো লুকানো না। এগুলো সবই প্রকাশ্য যারা আখিরুজ্জামানের আয়না দিয়ে দেখে।
দা-জ্জা-লি সভ্যতার বিপরীতে মুসলিম সভ্যতা হইলো নারীর গৃহ। এটা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত৷
পুরুষ অভিভাবক শেষ জামানায় শিকল দিয়েও নারীদের আটকাতে পারবে না৷
এই ফি'তনার জামানায় নারী একটা পণ্য। নারীর মনস্তাত্ত্বিক ব্রেন ভেড়ার পালের মত। আধুনিকতা হলো লুকানো ফাঁদ। নারী জাগরণ মানে ভোগবাদীদের হাতের পুতুল৷ নারী স্বাধীনতা মানে ক্ষুধার্ত নেকড়ের বনে সুস্বাদু খাবার।
আমরা যখন এগুলো লিখি। তখন অনেকের রিয়েকশন গুলো দেখে আমাদের খারাপ লাগে না৷ খারাপ লাগে হিজাবী ফেমিদের নির্বোধ বিদ্রোহ দেখে৷ আফসোস লাগে তাদের নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারার জেদ দেখে৷
ইপস্টিন ফাইল ফাঁস হলেই যে ভয়াবহতা এমন নয়। তাদের ম্যাকানিজমটাই এমন।
ঢাকা সিটিতে কী অন্ধকার জগৎ কম?
দুনিয়া চলছে এখন চূড়ান্ত নোংরামীতে৷ যে নোংরামি আর বিকৃতির উপাদান টাই নারী৷
যেখানে ইউ এস আর্মির নারী সৈনিকরা ৩ জনের মধ্যে একজন ধ'র্ষিত হয়৷ সেখানে নারী অধিকার বা জাগরণ বলতে কিছু নেই৷ এটা সৃষ্টির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ যে নারীরা ঘর থেকে বের হয়ে যাওয়া৷ (পোস্ট লিংক কমেন্টে)
নারীকে গৃহে রাখার মাইন্ডসেট হলো পশ্চিমা সভ্যতার লুকানো ফাঁদ থেকে প্রটেক্ট করার মাইন্ডসেট।
চাকচিক্য দেখে নির্বোধ ভেড়ার পাল যে আক্টোপাসের জালে আটকে আছে৷ তারা কখনো বুঝবে না সে যে অজান্তেই পণ্য হয়ে গেছে৷
কী এক ভয়ানক জগতে আমাদের বসবাস 🥲 পৃথিবীর সকল জাহেলিয়াতকে একত্র করলেও লাস্ট ১০০ বছরের পৃথিবীর জাহিলিয়াতের সমান হবে না। হবে না।
আল্লাহ রহম করো। দয়া করো।
======================================
এপস্টিন ফাইল পার্শিয়ালি রিলিজ হয়েছিল গত পরশু রাতে। ক্রনিক্যালি অনলাইন থাকার সুবাদে তখনই সেটা নিয়ে জানতে পারি। কিন্তু সত্যি বলতে, এখন অব্দি জিনিসটা পুরোপুরি প্রসেস করতে পারিনি যে এটা নিয়ে বিস্তারিত কিছু লিখব।
কি বলা যায়? এতদিনের সব “কনস্পিরেসি থিওরি” সত্যি ছিল। এপস্টিন লোকটা মূলত একটা পেডোফাইল রিং চালাত। ছোট বাচ্চাদের কিডন্যাপ করে, হোমলেস-গরীবদের লোভ দেখিয়ে, বিভিন্নভাবে বাচ্চাদের কিনে নিয়ে, মডেল-প্যাজেন্ট হতে চাওয়া মেয়েদের ব্যবহার করে—মানে যাকেই যেভাবে তার লিটল সেন্ট জেমস আইল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া যায়। এই আইল্যান্ডটারই অন্য নাম এপস্টিন আইল্যান্ড।
কি হতো এই আইল্যান্ডে? বাচ্চাদের “নিলামে” তোলা হতো। ধর্ষ*-গ*ধর্ষণ করা হতো। টর্চা*র করা হতো। খু*ন করা হতো। রিচুয়াল স্যাক্রিফাইস করা হতো। ক্যানি*বালিজম করা হতো। এভ্রিথিং। এমন কোনো অসুস্থ কাজ নেই যে করা হতো না। শুধু যে ছোট বাচ্চাদের টার্গেট করা হতো এমন না, যদিও সেটার চাহিদাই বেশি ছিল। যেমন গর্ভবতী মা এবং তার বাচ্চাকে নিয়েও সিক অ্যাক্টিভিটিজের সাজেশন আছে।
এই অপরাধগুলো করত কারা? পার্শিয়াল রিলিজেই ৩ মিলিয়ন পৃষ্ঠা, প্রায় ২ লাখ ছবি, আর ২ হাজার ভিডিও আছে। তার মধ্যে অনেক পৃষ্ঠা, নাম, ছবি কালো কালি দিয়ে ঢাকা। বুঝতেই পারছেন, এটা কোনো ছোট অপারেশন না যে অল্প কিছু লোকের তালিকা করা যাবে। তাও কিছু লোকের পরিচয় শুনলেই বুঝতে পারবেন—ট্রাম্প এবং তার পরিবার, ইলন মাস্ক, বিল গেটস, জর্জ বুশ, স্টিফেন হকিং, র্যাপার জে-জেড, ব্রিটেনের প্রিন্স অ্যান্ড্রু, ইউরোপের বিভিন্ন রাজ পরিবারের আরও অনেক সদস্য, ওয়াল স্ট্রিটের অনেক নামীদামি লোক। মানে দ্যা এন্টায়ার ওয়েস্টার্ন এলিট ক্লাস ডিরেক্টলি জড়িত ছিল। ভারতের মোদীর নামও আছে সেখানে, সে নাকি নেচে গেয়ে ট্রাম্পের মন-মেজাজ ভালো করেছিল।
এরকম একটা বম্ব ড্রপ হওয়ার পরে আমার সবচেয়ে প্যারালাইজিং লেগেছে মানুষের রিয়্যাকশন। মানুষ নিন্দা জানাচ্ছে, সমালোচনা করছে, ক্ষোভ ঝাড়ছে, অনেকে এসব নিয়ে ফানও করছে। কিন্তু এরকম সংবাদ পাওয়ার পর যেকোনো সুস্থ সমাজের উচিত ছিলো তৎক্ষনাৎ এসব অপরাধীদের তাদের প্রাসাদ থেকে টেনে হেঁচড়ে নামিয়ে পাবলিকলি এক্সিকিউট করা।
অথচ আমাদের সমাজ এতটাই ডিসেন্সিটাইজড হয়ে গেছে যে এত বাজে খবরও অনেকের কাছে কেবলমাত্র কনটেন্ট। পড়ে স্ক্রল করে চলে যাই, এবং একসময় ভুলেও যাই।
আশা জাগানিয়া কথা হচ্ছে যে, এপস্টিন ফাইল এতটাই ইভিল যে এটা নিয়ে আন্দোলন হবে। খুব তাড়াতাড়ি মানুষ ভুলে যাবে না। তাই হয়তো কিছু বিচারও হবে। কিন্তু কোন বিচার কি আদৌ এরকম শয়তানদের জন্য যথেষ্ট? হাজার হাজার নিরীহ মানুষের সাথে তারা যা করেছে, সেটার শাস্তি তো কোনোভাবেই এক জীবনে দেওয়া সম্ভব না। এজন্যেই ঈশ্বরে বিশ্বাস করতে হয়। নাহলে পৃথিবীটা অনেক অনেক বেশিই নিষ্ঠুর লাগে।
এটা মাত্র একজন এপস্টিনের গল্প। এরকম আরও কত ছোট-বড় এপস্টিন আছে, কত কাল্ট আছে—আমরা জানিও না। হয়তো কখনো কেউ জানবে না। শুধু ধরিত্রী সাক্ষী থেকে যাবে কত চিৎকার, কান্নার, আর অভিশাপের।
=======================================
নাস্তিকদের আইডল অথবা পীর হিসেবে বিবেচিত ছিলেন বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং।
স্রষ্টা বা পরকাল নিয়ে আলোচনা হলেই নাস্তিকরা স্টিফেন হকিং এর বিগব্যাং থিওরি সামনে নিয়ে আসতেন।
স্টিফেন হকিংয়ের ব্যক্তিগত মতামত হলো- স্রষ্টা এবং পরকাল বলতে কিছু নেই। বিগব্যাং বা মহাবিষ্ফোরণের ফলে সবকিছু সৃষ্টি হয়েছে। এই পৃথিবী শূন্য থেকে সৃষ্টি হয়েছে। আবার শূন্যেই বিলীন হবে। মানুষকে চালানোর জন্যও কোনো স্রষ্টা লাগে না।
স্রষ্টা আছে কি নাই? পরকাল আছে কি নাই? বেশিরভাগ নাস্তিকদের এর নিজস্ব উত্তর না থাকলেও তারা স্টিফেন হকিং এর থিওরি টেনে আনতেন। স্টিফেন হকিং এর জন্ম না হলে অথবা থিওরি আবিষ্কার না হলে স্রষ্টা সম্পর্কে নাস্তিকদের কি উত্তর থাকত তা সয়ং নাস্তিকরাও মনে হয় জানেনা।
স্টিফেন হকিং ২০১৮ সালে মারা গেছে। আজ হঠাৎ করে আবার স্টিফেন হকিং আলোচনায় আসছে। তবে তার থিওরির জন্য নয়।
সম্প্রতি পুরো বিশ্ব জুড়ে যে Epstein filles নিয়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। সেই ফাইলে স্টিফেন হকিং এর নামও আসছে।
স্টিফেন হকিং দাদু নিজের পায়ে না দাঁড়াতে পারলেও তার মাঝখানের পা ঠিকই দাঁড়াতো। সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হল স্টিফেন হকিং শিশুদের সাথে অবৈধ যৌনাচার করত।
এভাবেই নাস্তিকদের মুখোস খসে পড়ে। মুখে মুখে এরা প্রচুর মানবতার সবক দেয়। নৈতিকতা শেখায়। অথচ এরা গোপনে ইনচেস্ট সে*ক্স করে,পেডোফাইল হয়,চাইল্ড রে*পি*ষ্ট হয়।
======================================
Epstein ফাইল নিয়ে আমি চিন্তিত। ইউটুবে মিসিং কেইস নিয়ে মিস্ট্রি কেইস স্টাডি, পডকাস্টগুলো মাথায় ঘুরতেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৭০-এর দশক থেকে অসংখ্য অমীমাংসিত মিসিং চিলড্রেন কেস ট্রু ক্রাইম ব্লগ এবং পডকাস্টে আলোচিত, যেমন Oakland County Child Killings (১৯৭৬-৭৭)-এ চারটি শিশু (Mark Stebbins, Jill Robinson, Kristine Mihelich, Timothy King) অপহৃত হয়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়, যেখানে শরীর ধোয়া এবং asphyxiation-এর চিহ্ন ছিল এবং DNA প্রমাণ Arch Sloane-এর গাড়িতে পাওয়া গেছে কিন্তু এখনও সমাধানহীন। একইভাবে Atlanta Child Murders (১৯৭৯-৮১)-এ ২৮টিরও বেশি শিশুর মৃত্যু ঘটে, Wayne Williams-কে দোষী সাব্যস্ত করা হলেও অনেক সন্দেহ রয়েছে এবং এগুলো "Atlanta Monster" পডকাস্টে বিস্তারিত। এই কেসগুলোতে পুলিশ প্রথমে রানওয়ে হিসেবে উপেক্ষা করে, যা তদন্তের ব্যর্থতা দেখায়।
Epstein files-এর সাথে সরাসরি সংযোগ না থাকলেও, North Fox Island চাইল্ড পর্ন রিং-এর ঘটনা (Michigan, ১৯৭০s) একটি চাওয়াইজ তৈরি করে। Francis Shelden (ধনী উত্তরাধিকারী) ১৯৬০-এ দ্বীপ কিনে ১৯৭৫-এ Brother Paul’s Nature Camp খোলে, যেখানে Gerald Richards ছেলেদের লালায়িত করে ৩০০+ ধনী "স্পনসর"-দের চাইল্ড পর্ন সরবরাহ করে। Shelden ১৯৭৬-এ ফাঁস হওয়ার আগে Netherlands পালিয়ে যায় এবং ১৯৯৬-এ মারা যায়, যখন Oakland killings-এর সন্দেহভাজন Christopher Busch (GM exec-এর ছেলে, client list-এ নাম) এই নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত বলে ধারণা।
Epstein files (DOJ-এর ২০২৬ রিলিজে ৬ মিলিয়ন+ পেজ) তার ১৯৯০s-এর সেক্স ট্রাফিকিং নিয়ে, যাতে flight logs, ১৩-১৪ বছর বয়সী ভিকটিমদের স্টেটমেন্ট এবং Clinton, Trump-এর মতো associates-এর উল্লেখ আছে কিন্তু ১৯৭০s কেসের কোনো রেফারেন্স নেই। তুলনা দেখা যায়: উভয় ক্ষেত্রেই private island, philanthropy front (Epstein-এর Interlochen donations দ্বীপের কাছে), powerful connections এবং অসম্পূর্ণ বিচার। Epstein-এর অপরাধ ১৯৮০s থেকে শুরু হলেও এই প্যাটার্ন elite child exploitation-এর ধারাবাহিকতা ইঙ্গিত করে।
এই সাদৃশ্যগুলো কনসার্ন জাগায় কারণ এগুলো systemic failure দেখায়—১৯৭০s-এ পুলিশ bias, poor investigation এবং elite protection-এর কারণে ৮৫,০০০+ US missing kids বার্ষিক unsolved থেকে যায়। কনস্পিরেসি থিওরি (QAnon-জাতীয়) এগুলোকে একটি বড় pedo network-এ যুক্ত করে, যা অপ্রমাণিত হলেও Franklin scandal-এর মতো historical patterns distrust বাড়ায়। Michigan State Police reports এবং ১৯৭৭ congressional hearings এই নেটওয়ার্কের প্রমাণ দেয়, যা অসুস্থকর সত্যতা যোগ করে
=======================================
বিকৃত বিনোদনের জন্য একজন মানুষ কি কি করতে পারে??
ভাবুন তো!
কিন্তু, শিশু মেয়েদের পাচার করে এনে যৌনকর্ম সহ, তাদের গোপনাঙ্গের রেটিং করা এবং বাজে উপায়ে মল ভক্ষণ করাকে আপনি কোন ধরণের বিকৃত বিনোদন বলবেন!
এসব যেন প্রতদিনকার বিনোদন ছিলো ডোনাল্ড ট্রাম্প সহ বিশ্বের বড় বড় বিলিয়নিয়ারদের...
সম্প্রতি আলোচনায় আসা জেফ্রি এপ্সটেইন এর যাবতীয় কর্মকাণ্ড ফাইল আকারে প্রকাশ করেছে আদালত , সেখান থেকে প্রাপ্ত অনেক নথিপত্র,ছবি অনুযায়ী যেসব তথ্য সামনে আসে তা কোনো মানসিকভাবে সুস্থ মানুষ হজম করতে পারবেনা!
জেফ্রি এপ্সটেইন আর তার স্ত্রী মিলে শিশু মেয়েদের পাচার করে নিয়ে এসে নিজে ভোগ করতো এবং মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত বিশ্বের বড় বড় মানুষজনের মাঝেও বিলিয়ে দিতো, অর্থের বিনিময়ে!! কিছু নথি অনুযায়ী , তুরষ্ক অনেক সিরিয়ান , কুর্দি শিশুদের পাচার করতো!!!!!!
তারা, এসব শিশু মেয়েদের উপর শারীরিক অবর্ণনীয় নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হতো?
মোটেওনা, বরং যা একটা সুস্থ মানুষ কল্পনাও করবেনা, সেসব কাজ করতো এদের সাথে।
যাই হোক, এসব অপকর্মগুলোই আবার জেফ্রি এপ্সটেইন রেকর্ড রাখতো ব্লাকমেইল এর উদ্দেশ্যে!!
আর, জেফ্রি এপ্সটেইন মানেই হিজ্রায়েল!
আর এসব কারণেই, বিশ্বের বড় বড় রথী মহারথীগন হিজ্রায়েলের বিরুদ্ধে টু শব্দ করেনা...
এই একই ঘটনা সব দেশের রাজনীতিতেই থাকে, ব্লাকমেইল বা হানিট্রাপ এসব সেই পুরোনো রীতি। আদিমকালের রাজনীতিতেও এসব চলতো...!
আর এসব করেই, সবাইকে আয়ত্তে রেখেছে হিজ্রায়েল।
যাই হোক....সারাদিন ওয়েস্টার্নদের মানবিকতার গান না শুনে নিজে মন থেকে মানবিক হোক। টাকা পয়সাওয়ালা ওসব পশুরা আপনাকে-আমাকে মানবতার দৈববাণী শুনিয়ে নিজেরা কি করছে তা তো জানলেন-ই!
এদের চোখে ইসলাম শত্রু হবে সেটাই স্বাভাবিক। অমানুষদের কাছে "সুস্থ মানুষ" ভালো লাগবেনা এটাই সত্য।
আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দিক, আর এসব ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করুক..
আমিন।
=======================================
Recently online এ Jeffrey Epstein case নিয়ে আবার অনেক আলোচনা শুরু হয়েছে
পুরনো court documents, investigation history আর media reports ঘিরে মানুষ নতুন করে কথা বলছে।
এই বিষয়টা নিয়ে আমি আগে একটা detailed ভিডিও বানিয়েছিলাম। ভিডিওটা নতুন না হলেও, এর ভেতরে case background, timeline, আর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো এখনো অনেক helpful।
চাইলে দেখে আসতে পারো — বিশেষ করে যারা পুরো ঘটনা একসাথে বুঝতে চাও তাদের জন্য useful হবে। মতামত জানাতে ভুলবে না
https://youtu.be/C7OCIKjrW14?si=E5k2aF1LsVMZhLT4
মেসি
হকিংগস
কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইন–সংক্রান্ত যে সব নথি প্রকাশ করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ- এটা নিয়ে রীতিমতো বিশ্বে হৈচৈ পড়েছে।
আমরা যুগযুগ ধরে পশ্চিমা সভ্যতার আধুনিক জাহিলিয়াত নিয়ে সমালোচনা করেছি। গত বিংশ শতাব্দীতেই বিশাল ইসলামি লিটারেচার তৈরী হয় পাশ্চাত্যের সংস্কৃতি ও জীবনধারার বিরুদ্ধে। কিন্তু তবু অজানা থেকে যায় এ অসভ্যতার আরো বহু গোপন অধ্যায়।
এটা আলাপের একটা দিক।
আলাপের আরেকটা দিক হলো ;
আধুনিক নানা সংকট ও অস্থীর ঘটনাপ্রবাহের পিছনে ইয়া*হুদীবাদের অদৃশ্য হাত, যার ব্যাখ্য অত্যন্ত জটিল।
আমরা এটা নিয়ে আরো আলাপ করবো ইনশাআল্লাহ, আপাততঃ ফাঁস হওয়া এসব কাণ্ডের রহস্য কী? এটা স্বাভাবিক? না-কি ভূ- রাজনীতির সাথে যুক্ত, ইয়া*হুদী স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট
কোন নতুন বিষয়?
আল জাযিরার খ্যাতিমান এক সাংবাদিক আশঙ্কা প্রকাশ করে টুইট করেছেন, এসব নথি ফাঁস মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণের জন্য ব্ল্যাকমেইল করার জা*য়নবাদী ফন্দি কি না?
জন কিরিয়াকো সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা, তাদের কথা কতটুকু গ্রহণযোগ্য সেটা অবশ্য প্রশ্নসাপেক্ষ। কিন্তু আমরা আপাততঃ তাকে নিতে পারি, কেননা তিনি মার্কিন গোয়েন্দা নীতির সমালোচনা করে জেল খেটেছেন, আমেরিকার বিরুদ্ধে ইসরা*ঈলী গোয়েন্দাবৃত্তির সমালোচনায় তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও বক্তব্যও রয়েছে। এমন একটা ভিডিও পরবর্তী আমরা পোস্ট করবো।
নিম্নের ভিডিওতে তিনি দাবী করছেন - এপস্টেইন একজন ইহু*দি স্পাই ছিলেন
আবদুল আউয়াল মিন্টু।
ফেনী-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী।
এই আবদুল আউয়াল মিন্টু শিশু পাচারকারী চক্রের সাথে জড়িত মার্কিন রাজনীতিবিদের নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে অনুদান দিয়েছিল।
মার্কিন বিচার বিভাগ সম্প্রতি কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত বিপুল নথি প্রকাশ করেছে।
নথিতে দেখা যায়, জে|ফরি এপ|স্টেইনের শিশু পাচার চক্রের সঙ্গে মার্কিন রাজনীতিবিদ বিল রিচার্ডসন জড়িত রয়েছে।
সেই বিল-রিচার্ডসনের নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে ৫০০০ ডলার অনুদান দিয়েছিলেন আব্দুল আওয়াল মিন্টু।
জেফ|রী এপেস্টেইনের ফাইল থেকে বের হওয়া বিকৃত তথ্যগুলোঃ-👇
★ এরা জীবন্ত শিশুবাচ্চাদেরকে গরমতেলে ভেজে রোস্ট বানিয়ে ব্রয়লায়ের সাথে পরিবেশন করে খায়।
★ জীবন্ত মেয়েশিশুদের পেট চিরে নারিভুরি আলাদা করে অন্ত্র বের করে তা থেকে মল গিলে খেত।
★ কুমারি মেয়েদেরকে সংঘবদ্ধ ধর্ষন করে গর্ভবতী করে, তারপরে এভ্রোশন করে সেই ভ্রুন বের করে স্যুপ বানিয়ে খায়।
এছাড়াও আরো অনেক বিকৃত কাজের তথ্য উঠে এসেছে জে|ফারী এপেস্টেইনের ফাইল থেকে।
২০০৬ সালে রিচার্ডসন দ্বিতীয় মেয়াদে নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের গভর্নর নির্বাচনে অংশ নিয়ে গভর্নর নির্বাচিত হন।
সেই নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে অনুদান দাতাদের একটি তালিকা পাওয়া যায় EFTA02729080 শীর্ষক ফাইলে।
৭ মার্চ ২০০৬ সালে তৈরি করা উক্ত ফাইলের ২৬ নং পৃষ্ঠায় দেখা যায়, বাংলাদেশি ব্যবসায়ী আব্দুল আওয়াল মিন্টুর কাছ থেকে ৫ হাজার ডলার অনুদান পেয়েছিলেন রিচার্ডসন।
একই ক্যাম্পেইনের জন্য জেফরি এপস্টেইন তাকে অনুদান হিসেবে দিয়েছিল ৫০ হাজার ডলার।
Jeffery Epstein ছিল Israeli Intelligence Community হতে দায়িত্বশীল শীর্ষ পর্যায়ের Intelligence Manager। যার কাঁধে পৃথিবীর অধিকাংশ দেশের President, Prime Minister, Chief of Army Staff, Intelligence Director, Scientist, Artist, Researcher সহ পৃথিবীর সর্বোচ্চ স্থানে নীতি নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে সক্ষম বলে বিবেচিত সকল মানুষদের নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়েছিল।
Jeffrey Epstein আলোচ্য দায়িত্ব তথা অপারেশনটি পরিচালনার বিষয়ে নারী, শিশু, মাদক সহ সকল ধরনের বিকৃত ও পাশবিক কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। যার অনেক কিছু আপনাদের চিন্তায়ও আসবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের NYC এর Manhattan এ আলোচ্য লোকটির একটি বহুতল ও বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে। যেখান হতে বেশ দারুণ কিছু মানুষের সাথে লোকটির তোলা ছবির সন্ধান পাওয়া যায়। যাদের সাথে তার ছবি সে নিজ ভবনে রেখেছিলো, ওসব মানুষের কিছু অংশের তালিকা নিম্নে তুলে ধরছি আমি।
০১| মুহাম্মাদ বিন সালমান, রিয়াদ।
০২| সুলতান আহমাদ বিন সুলায়ম, DP World, UAE।
০৩| জন পল দি সেকেণ্ড, পোপ।
০৪| Noam Chomsky।
০৫| Fidel Castro।
০৬| Elon Musk।
০৭| President Donald J. Trump, United States of America।
০৮| President Bill Clinton, United States of America।
০৯| Ehud Barak, Israel।
১০|৷ Bill Gates।
(লেখাটি ০৬ই আগস্ট, ২০২৫ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। আমার Jeffrey Epstein বিষয়ক লেখাগুলি আজ পুনঃপ্রকাশিত হচ্ছে)
======================================
গেরেইট আম্রিকা
১ম মোড়ক -
এক নারী বলেন - প্রায় ৩৫ বছর আগে নিউ জার্সিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সাথে ওরাল সে*ক্স করতে বাধ্য করা হয়েছিল।
ওই নারী আরো জানান , ঘটনার সময় তার বয়স ছিল প্রায় ১৩-১৪ বছর এবং ওরাল সে*ক্স করার সময় তিনি ট্রাম্পকে কামড়ে দিয়েছিলেন। কামড় দেওয়ার পর মেয়েটির মুখে আঘাত করা হয়।
২য় মোড়ক-
আরেকজন নারী উল্লেখ করেন -
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প - "ক্যালেন্ডার গার্লস" নামে পার্টির আয়োজন করতেন। জেফরি এপস্টাইন সেখানে শিশুদের নিয়ে আসতেন এবং ট্রাম্প তাদের নিলামে তুলতেন । সেখানে ট্রাম্প আঙুল দিয়ে শিশুদের গোপনাঙ্গ মেপে দেখতেন এবং তাদের টাইটনেস অনুযায়ী রেটিং দিতেন। অতিথিদের মধ্যে বয়স্ক পুরুষেরা ছিলেন যার মধ্যে ইলন মাস্কও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
ডন জুনিয়র ট্রাম্প, ইভানকা ট্রাম্প এবং এরিক ট্রাম্পও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অ্যাটর্নি অ্যালান ডারশোভিৎজ এবং বব শাপিরোও সেখানে ছিলেন।
সে আরো জানায়, আমাদের রুমে নিয়ে যাওয়া হতো এবং ডোনাল্ড জে ট্রাম্পের সাথে যৌনকর্মে বাধ্য করা হতো। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন আমাকে ধ*র্ষণ করেন তখন আমার বয়স ছিল ১৩ বছর।
৩য় মোড়ক-
আরেকজন অভিযোগকারী জানান -
১৯৮৪ সালে যখন তার বয়স ১৩ বছর এবং তিনি গর্ভবতী ছিলেন, তখন তাকে যৌনকর্মে বাধ্য করা হয়েছিল।
তিনি আরও জানান যে তার সে*ক্স ট্রাফিকিং (যৌ*ন কাজে বাধ্য করা) এবং তার নবজাতক কন্যাকে হত্যা ও লাশ সরিয়ে ফেলার ঘটনায় উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা জড়িত ছিলেন। অভিযোগকারীর দাবি, ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে অর্থের বিনিময়ে নিয়মিত যৌ*নকর্মে বাধ্য করতেন এবং তার চাচা যখন তার নবজাতক শিশুকে হ*ত্যা করেন, তখন ট্রাম্প সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
৪র্থ মোড়ক-
একজন অনলাইন অভিযোগকারী জানিয়েছেন যে,
তিনি ১৯৯৫-১৯৯৬ সালের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার র্যাঞ্চো পালোস ভার্ডেসের ট্রাম্প গলফ কোর্সে একটি সে*ক্স ট্রাফিকিং(যৌ*ন কাজে বাধ্য করা) চক্রের শিকার এবং সাক্ষী ছিলেন।
তিনি জানান ঘিসলেন ম্যাক্সওয়েল ছিলেন এসব সে* ক্স পার্টির দালাল বা ম্যাডাম, যার গ্রাহকদের মধ্যে এপস্টাইন, রবিন লিচ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
অভিযোগকারী জানান তিনি সেখানে নানা যৌ*নকর্মে অংশ নিতে বাধ্য হয়েছিলেন এবং গুঞ্জন ছিল যে কিছু মেয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল যাদের হত্যা করে ওই গলফ কোর্সেই পুঁতে ফেলা হয়েছিল। তিনি আরও জানান ট্রাম্পের তৎকালীন নিরাপত্তা প্রধান তাকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন যে, তিনি যদি কখনো এসব নিয়ে মুখ খোলেন তবে তাকেও "অন্যদের মতো মেরে নয় নম্বর হোলের পেছনে সার হিসেবে ব্যবহার করা হবে।"
৫ম মোড়ক-
আরেকজন অভিযোগকারী দাবি করেছেন যে,
তার কাছে হাই-প্রোফাইল সে*ক্স পার্টি এবং ড্রাগ কার্টেলের সাথে লেনদেনের ভিডিও আছে। তিনি রবিন লিচকে একটি পার্টিতে এক কিশোরীকে শ্বাসরোধ করে হ*ত্যা করতে দেখেছেন বলেও দাবি করেছেন।
সর্বশেষ : নতুন বাংলাদেশে যারা আমে*রিকার গোলামী করছে তাদের কে নিয়ে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে। অসভ্যদের গোলামী করে এই দেশে সারভাইভ করা যাবে না।
======================================
এপস্টিন ফাইলস হলো ইজরালের সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্র।
সব গুরুত্বপূর্ণ মানুষের পেডোগিরি এবং নানা ধরনের নষ্টামির প্রমাণ রেখে ব্লাকমেইল করে কাজ হাসিল করে নেয়া ইজরালের একটা স্ট্রাটেজি। এগুলো হলো ঘুড়ির নাটাইয়ের মতো - কেউ বেশি উড়তে চাইলে সুতোয় টান পড়বে।
গাযায় গনহত্যা চলেছে, পশ্চিম চুপ থেকেছে - কখনো বিবেক জাগলেও বিপক্ষে যাবার সুযোগ নেই। তবে চুপ থাকতে থাকতে খসে পড়েছে সভ্যতার মুখোশ।
ইরানের সাথে ১২দিনের যুদ্ধে ট্রাস্প কি খুব খুশি মনে এসেছিলো? সে সময়ও এপস্টিন ফাইলের কিছু অংশ প্রকাশ করা হয়েছিলো - তারপর হামলা হয় এবং এপস্টিন নিয়ে আলোচনা থেমে যায়।
এবারও যখন ইরানে হামলার ডামাডোল, তখন ফাইলের একটা বড় অংশ প্রকাশিত হলো। এগুলো কি এমনি এমনি হচ্ছে? ওয়ার্ল্ড স্টেজে কোনকিছু এমনি এমনি হয় না। এখানেও হয়ত সুতোয় টান দেয়া হচ্ছে কারো কারো - হয়ত নতুন সমীকরণের ক্ষেত্র প্রস্তুত হচ্ছে।
অপারেশন তুফানুল আকসা পৃথিবীর গতি বদলে দিয়েছে। এর আগে যা মুখোশের আড়ালে থাকতো তার অনেক কিছুই উন্মুক্ত করে দিয়েছে গাযার রেজিস্ট্যান্স। পৃথিবী আর আগের সমীকরণে ফিরে যাবে না, তবে সমীকরণ কখনো শান্তিপূর্ণভাবে বদলায় না।
======================================
এপস্টিন ফাইলস হলো ইজরালের সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্র।
সব গুরুত্বপূর্ণ মানুষের পেডোগিরি এবং নানা ধরনের নষ্টামির প্রমাণ রেখে ব্লাকমেইল করে কাজ হাসিল করে নেয়া ইজরালের একটা স্ট্রাটেজি। এগুলো হলো ঘুড়ির নাটাইয়ের মতো - কেউ বেশি উড়তে চাইলে সুতোয় টান পড়বে।
গাযায় গনহত্যা চলেছে, পশ্চিম চুপ থেকেছে - কখনো বিবেক জাগলেও বিপক্ষে যাবার সুযোগ নেই। তবে চুপ থাকতে থাকতে খসে পড়েছে সভ্যতার মুখোশ।
ইরানের সাথে ১২দিনের যুদ্ধে ট্রাস্প কি খুব খুশি মনে এসেছিলো? সে সময়ও এপস্টিন ফাইলের কিছু অংশ প্রকাশ করা হয়েছিলো - তারপর হামলা হয় এবং এপস্টিন নিয়ে আলোচনা থেমে যায়।
এবারও যখন ইরানে হামলার ডামাডোল, তখন ফাইলের একটা বড় অংশ প্রকাশিত হলো। এগুলো কি এমনি এমনি হচ্ছে? ওয়ার্ল্ড স্টেজে কোনকিছু এমনি এমনি হয় না। এখানেও হয়ত সুতোয় টান দেয়া হচ্ছে কারো কারো - হয়ত নতুন সমীকরণের ক্ষেত্র প্রস্তুত হচ্ছে।
অপারেশন তুফানুল আকসা পৃথিবীর গতি বদলে দিয়েছে। এর আগে যা মুখোশের আড়ালে থাকতো তার অনেক কিছুই উন্মুক্ত করে দিয়েছে গাযার রেজিস্ট্যান্স। পৃথিবী আর আগের সমীকরণে ফিরে যাবে না, তবে সমীকরণ কখনো শান্তিপূর্ণভাবে বদলায় না।
======================================
"Sense of Epstein mail with western culture"
আমার একটা গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা হলো আমি নিজেকে প্রচুর প্রশ্নের সম্মুখীন করি। আমি কি করি, এর ফলাফল কি ,বাস্তবতা কি ,ভবিষ্যৎ কি এর দ্বারা কল্যাণ কি এগুলোকে প্রতিনিয়ত প্রশ্ন করি এটা গুড অর ব্যাড সাইন হতে পারে। ওদিকে যাচ্ছি না বাস্তবতায় ফিরে আসি।
“পশ্চিমা সংস্কৃতিতে একটি ধারণা আছে—যে দেশে হোটেল যত উন্নত, সে দেশে তত আধুনিকতা ও ভোগবাদ বিস্তার লাভ করে।”
কিছু সময় আমার দায়িত্ব ছিল এক পশ্চিমা ভদ্রলোকের খাওয়ার জন্য বিভিন্ন ডিস রান্না করা, তার খাবার রান্না করা ছিল খুবই কষ্টসাধ্য যা আপনাদেরকে বুঝাতে পারবো না। কিছু খাবার ছিল যেটার সাথে মাস্ট বি ওয়াইন দিয়ে রান্না করা লাগতো। ইউরোপিয়ান কুইজিন, বিশেষ করে ফ্রান্স কুইজিনে ওয়াইন দিয়ে রান্না একটা গুরুত্বপূর্ণ ও অতি সাধারণ বিষয়। উনি খুব দামী দামী খাবার খাইতো। আর ঐই ভদ্রলোক সম্পর্কে আমরা অবগত বিস্তারিত বললাম না।
সর্বোপরি এই কাজে আমাকে দিকনির্দেশনা দিত আমাদের প্রিয়, সম্মানিত এক্সিকিউটিভ শেফJashim Chef.
এবার বিশ্লেষণে আসি।
"তোমরা খাও ও পান কর, কিন্তু অপচয় করো না।"
সূরা আল-আ‘রাফ: ৩১.
"হে মানবমন্ডলী! পৃথিবীর মধ্যে যা বৈধ ও পবিত্র, তা হতে আহার কর এবং শাইতানের পদাঙ্ক অনুসরণ করনা, নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।"
সূরা আল-বাকারা:১৬৮
এখানে গভীর একটা প্রশ্ন আছে, খাবারের সাথে শয়তানের সম্পর্ক। এটা আল্লাহ সুবহানুতায়ালা আমাদেরকে স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছেন। আর এখানে শুধু মুসলিমদেরকে বুঝানো হয়নি, পুরো মানব জাতিকে বুঝানো হয়েছে।
বিশেষ করে বিলাসিতা এবং খাবার নিয়ে ইসলামের অনেক বিধি নিষেধ আছে। মদের কথা নাই বললাম এটা তো সরাসরি হারাম। তারমানে শয়তানের কানেকশনটা আল্লাহ তো আমাদেরকে খাবারের সাথে এমনিতেই বুঝাননি এর গভীরতা ব্যাপক।
এই যে খাবার, বিলাসিতা, পশ্চিমা সাংস্কৃতি এটা বিশ্বকে কি উপহার দিয়েছে সেই বিষয়টাই #Epstein mail এ উঠে এসেছে, এসেছে ওদের বাস্তবতাও ভয়াবহ সব চিন্তাধারা।
Mail এ যে বিষয়গুলো উঠে এসেছে কিছু বিষয় আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না, বিশেষভাবে শিশুদের মাংস রান্না করে খেত। তারপর শিশুদের পেট কেটে, পেটের ভিতরের মল খেত এরকম কিছু একটা ভয়াবহ ঘটনাও এসেছে। আর শিশুদের সাথে যৌনসঙ্গম সম্পর্কের কথা নাই বললাম এটা পরিষ্কার।
এই যে পশ্চিমা সাংস্কৃতি, রাজনীতি , অর্থনীতি মানুষ নিয়ন্ত্রণ করে বলে আমার মনে হয় না। আর এটা যে মানুষের উৎপত্তি এটাও বলা দুষ্কর।এর সাথে শয়তানের অবশ্যই গভীর সংযোগ আছে। আমার সাথে একমত না হতে পারেন, কিন্তু বাস্তবতা এটাই।
কারণ মানবজাতির প্রকাশ্য শত্রু শয়তান এটা আল্লাহ দ্বারা ঘোষণা করা। অস্বীকার করার সুযোগ নেই, একমাত্র শয়তানের অনুসারীরা ছাড়া সবার বিশ্বাস করা উচিত এই বাস্তবতা।
এই সকল ঘটনার মাধ্যমে পশ্চিমাদিপত্যবাদের পতনের ইঙ্গিত জোরালোভাবে আমাদের সামনে আসতেছে। পৃথিবীর দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে এজন্য আমাদের উচিত প্রচুর পড়ালেখা করা, আল্লাহর আনুগত্যে থাকা, কাফেলাবদ্ধ হওয়া, পশ্চিমা বাদ, মতবাদ, তন্ত্র -মন্ত্র(দাজ্জালীয় সিস্টেম) কে লাথি মারা।
যারা পশ্চিমাদিপত্যপদকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে না তারা আসলেই গোলক ধাঁধায় আটকে রয়েছে। হয়তোবা শয়তান হিসেবে, নয়তোবা অনুসারী হিসাবে।
"যারা মিথ্যা প্রমাণকে সত্যের পরিবর্তে গ্রহণ করে, তাদের জন্য বড় বিপদ আছে।"
সূরা আল-মুমিনুন: ৯১
======================================
পশ্চিম| এক অন্ধকারের গল্প।
পশ্চিম|দের আদর্শ ভেবে যারা ১৮ নিচে বিয়ে কে বন্ধ করেছে। পশ্চিম|দের কিছু বললে যারা জ*ঙ্গি ট্যাগ দেয় তারা জেনে রাখুক এই পশ্চিম|রা ছোট্ট বাচ্চাদের ধ'র্ষণ করে হ-ত্যা করে তাদের মাংস নিয়ে পার্টি করতো।
ঠিক শুনেছেন তারা মানুষ কতটা বিকৃত রুচি সম্পন্ন হলে একটি শিশুকে ছিন্নভিন্ন করে তার অন্ত্র বের করে সেই অন্ত্র থেকে মলমূত্র খেতে পারে! এগুলো সেই সুশীলমারানীদের চোখে পড়বে না কারণ তারাও এদের মতো বিকৃত মস্তিষ্কের
এরা শয়তানের পূজারি!
ছোট্ট শিশুদের ওরা খাবারের টেবিলে সাজিয়েছে!
বিশ্বাস হয়? চিকেন, বিফ, পোর্ক এগুলোর পাশাপাশি ওরা ছোট্ট শিশুদের শরীর প্লেটে হাজির করেছে!
শিশুদের রেইপ করতো তারা! জর্জ বুশ ও তার বাবা ও ইনক্লুডেড!
উফফ, কী বিকৃত রুচি!
অথচ এরা কিনা আপনাদের মানবতার সবক দেয়!
আল্লাহ যেন এদের প্রাপ্য শাস্তি দেন।
কী পরিমাণ ভয়ংকর সাইকো না হলে এই কাজ সম্ভব!
বড় বড় রাজনীতিবিদ ধনকুবেরদের পার্টিতে বাচ্চাদের মাংস সার্ভ করা হতো চিকেনের পাশাপাশি!
ট্রাম্প ইলন মাস্ক বিলগেটস থেকে শুরু করে 'বাঙ্গু ফেমিনিস্টদের একনজর দেখে ফেইন্ট হয়ে যাওয়া' জোহরান মামদানির মা-ও এই তালিকায় আছে। ওয়েস্টের সভ্যতার সবচে সুন্দর চিত্র পৃথিবী দেখলো।
যারা ওয়েস্ট থেকে নানা তন্ত্রমন্ত্র আমদানি করে এবং এর বিরোধিতা করলে পাবলিক প্লেসে সন্ত্রা*সী ট্যাগ দেয়, তাদের বোধবুদ্ধি এখনো উদয় হবে না। ওয়েস্টের মানুষের মতো মোল্লারা কি এত স্মার্ট হয়েছে হ্যাঁ!
=======================================
প্রথম কমেন্টের বাকি অংশ
শুধু বিল গেটসই না, জোহরান মামদানীর মাও এসব পাশবিক অনুষ্ঠানে যোগদান করতো। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামও পাওয়া গেছে এই ফাইলে।
শুধু তাই না, নারী পাচারকারী চক্রের সাথে জড়িত আমেরিকার রাজনীতিবিদদের ক্যাম্পেইনে অনুদানও দিয়েছিল বিএনপির নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু।
এমনকি এসবের সাথে জড়িত কিছু ব্যক্তির সাথে ড. মোহাম্মদ ইউনূসেরও ভালো সম্পর্ক আছে সেটা এই ফাইল থেকেই জানা যায়।
ফাইলটার একটা অংশে এটা উল্লেখও করা হয়েছে। বলা হয়েছে-
"কিছুদিন আগে ইসাবেল এবং আমি আমাদের খুব ভালো বন্ধু কার্টুনিস্ট ম্যাট গ্রোনিংকে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মোহাম্মদ ইউনূসের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম।
আর আগামী রবিবার (৩রা অক্টোবর), ইউনূস হতে যাচ্ছেন সিম্পসন লিজেন্ডের (The Simpsons) একটি অংশ।"
এই যে এতসব বড়সড় নেটওয়ার্ক, হাজার কোটি ডলারের লেনদেনের মধ্যে দিয়েই ঘটে চলছিল এসব নোংরা এবং জঘন্য সব কার্যক্রলাপ। এই ফাইল ফাঁস না হলে আমরা হয়তো জানতেও পারতাম না যে পশ্চিমারা কতটা জঘন্য।
আজকে এই ফাইলে যদি কোন হুজুরের নাম থাকতো, কোন মাওলানার নাম থাকতো তাহলে হয়তো দেশে দেশে মশাল মিছিল বের হতো, আমেরিকা থেকে হুশিয়ারি আসতো।
অথচ ক্ষমতার মসনদে থাকা আমেরিকার বিলিয়নিয়াররা এসব করেছে বলে পুরো বিশ্ব নিশ্চুপ।
যেসব পশ্চিমা নেতাদেরকে আমরা অনুসরণ করি, বিজ্ঞানীদের সম্মান করি, সেলিব্রিটিদের দেখলে আনন্দে আত্মহারা হই তাদের মানসিকতাই এমন জঘন্য, কলুষিত।
এই পশ্চিমারাই আমাদেরকে নারী অধিকার শিখায়, নারীর ক্ষমতায়ন শেখায় অথচ এরাই আবার ছোট ছোট বাচ্চা মেয়েদের নাড়িভুঁড়ি ছিঁড়ে খেতে দুইবার ভাবে না!
=====================================
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত বহুল আলোচিত এপস্টেইন ফাইলে পাওয়া একটি ই-মেইলে বাংলাদেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবির নাম উঠে এসেছে। ই-মেইলটিতে আইসিডিডিআরবিকে বাংলাদেশে একটি ‘অতি সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং সেখানে দীর্ঘমেয়াদি প্রোবায়োটিক গবেষণায় বিনিয়োগের একটি প্রস্তাবের কথা বলা হয়েছে।
প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, ই-মেইলটির বিষয় ছিল ‘আন্ত্রিক জীবাণুবিদ্যা-আইসিডিডিআরবি’। ই-মেইলটি কুখ্যাত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনকে তাঁর এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর পক্ষ থেকে পাঠানো হয় ১৭ এপ্রিল ২০১৪ সালে। ই-মেইলে প্রস্তাব করা হয়, বাংলাদেশে আইসিডিডিআরবিকে কেন্দ্র করে একটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে গবেষণা উদ্যোগ গড়ে তোলা যেতে পারে, যেখানে তুলনামূলক কম বিনিয়োগে ভবিষ্যতে উৎপাদিত যেকোনো প্রোবায়োটিক বা সংশ্লিষ্ট পণ্যের মুনাফা থেকে ৩ শতাংশ নিশ্চিত লাভ পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
-মেইলে আরও বলা হয়, আইসিডিডিআরবি একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মর্যাদাপ্রাপ্ত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ৫০১(সি)(৩) কাঠামোর আওতায় এ ধরনের বিনিয়োগ করছাড়ের সুবিধাও পেতে পারে। প্রস্তাবদাতা এটিকে ‘১০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এমন একটি অংশীদারত্বকে ‘বড় সাফল্য’ হিসেবে আখ্যা দেন।
এপস্টেইনসংক্রান্ত নথিতে পরে পাওয়া যায় ১৪ জুলাই ২০১৫ তারিখের একটি ‘আইমেসেজ’ কথোপকথন, যা এপস্টেইনের নিজস্ব যোগাযোগ বৃত্তের মধ্যেই হয়েছিল। সেখানে এক অজ্ঞাতনামা সহযোগী এপস্টেইনকে প্রশ্ন করেন, ‘বাংলাদেশে তুমি কী চেষ্টা করেছিলে? আমার মনে নেই।’ জবাবে এপস্টেইন লেখেন, ‘আমি একবার চেষ্টা করেছিলাম, মনে আছে—বাংলাদেশে সাহায্য করার জন্য, কলেরা ইত্যাদি নিয়ে। পরে কোটি টাকা জড়াল, কিন্তু ফলাফল ছিল ভয়াবহ—সবই খারাপ।’
এ ছাড়া এপস্টেইন ফাইলে অন্তর্ভুক্ত আরেকটি ই-মেইলে দেখা যায়, ২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি এপস্টেইনের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী বাংলাদেশ ও ভারতে ভ্রমণ করেছিলেন। যদিও ওই সফরের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা কার্যক্রম সম্পর্কে নথিতে বিস্তারিত উল্লেখ নেই।
=======================================
১ম ছবি-
এক নারী বলেন - প্রায় ৩৫ বছর আগে নিউ জার্সিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সাথে ওরাল সে*ক্স করতে বাধ্য করা হয়েছিল।
ওই নারী আরো জানান , ঘটনার সময় তার বয়স ছিল প্রায় ১৩-১৪ বছর এবং ওরাল সে*ক্স করার সময় তিনি ট্রাম্পকে কা’মড়ে দিয়েছিলেন। কা’মড় দেওয়ার পর মেয়েটির মুখে আ’ঘাত করা হয়।
২য় ছবি-
আরেকজন নারী উল্লেখ করেন - প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প - "ক্যা’লেন্ডার গার্লস" নামে পার্টির আয়োজন করতেন। জেফরি এপস্টাইন সেখানে শিশুদের নিয়ে আসতেন এবং ট্রাম্প তাদের নিলামে তুলতেন । সেখানে ট্রাম্প আঙুল দিয়ে শিশুদের গোপ’নাঙ্গ মেপে দেখতেন এবং তাদের টা’ইটনেস অনুযায়ী রেটিং দিতেন। অতিথিদের মধ্যে বয়স্ক পুরুষেরা ছিলেন যার মধ্যে ইলন মাস্কও অন্তর্ভু’ক্ত ছিলেন।
ডন জুনিয়র ট্রাম্প, ইভানকা ট্রাম্প এবং এরিক ট্রাম্পও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অ্যাটর্নি অ্যালান ডারশোভিৎজ এবং বব শাপিরোও সেখানে ছিলেন।
সে আরো জানায়, আমাদের রুমে নিয়ে যাওয়া হতো এবং ডোনাল্ড জে ট্রাম্পের সাথে যৌ’নকর্মে বাধ্য করা হতো। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন আমাকে ধ*র্ষণ করেন তখন আমার বয়স ছিল ১৩ বছর।
৩য় ছবি-
আরেকজন অভিযোগকারী জানান - ১৯৮৪ সালে যখন তার বয়স ১৩ বছর এবং তিনি গর্ভবতী ছিলেন, তখন তাকে যৌনকর্মে বাধ্য করা হয়েছিল।
তিনি আরও জানান যে তার সে*ক্স ট্রাফিকিং (যৌ*ন কাজে বাধ্য করা) এবং তার নবজাতক কন্যাকে হত্যা ও লাশ সরিয়ে ফেলার ঘটনায় উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা জড়িত ছিলেন। অভিযোগকারীর দাবি, ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে অর্থের বিনিময়ে নিয়মিত যৌ*নকর্মে বাধ্য করতেন এবং তার চাচা যখন তার নবজাতক শিশুকে হ*ত্যা করেন, তখন ট্রাম্প সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
৪র্থ ছবি-
একজন অনলাইন অভিযোগকারী জানিয়েছেন যে, তিনি ১৯৯৫-১৯৯৬ সালের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার র্যাঞ্চো পালোস ভার্ডেসের ট্রাম্প গলফ কোর্সে একটি সে*ক্স ট্রাফিকিং(যৌ*ন কাজে বাধ্য করা) চক্রের শিকার এবং সাক্ষী ছিলেন।
তিনি জানান ঘিসলেন ম্যাক্সওয়েল ছিলেন এসব সে* ক্স পার্টির দালাল বা ম্যাডাম, যার গ্রাহকদের মধ্যে এপস্টাইন, রবিন লিচ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
অভিযোগকারী জানান তিনি সেখানে নানা যৌ*নকর্মে অংশ নিতে বাধ্য হয়েছিলেন এবং গুঞ্জন ছিল যে কিছু মেয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল যাদের হত্যা করে ওই গলফ কোর্সেই পুঁতে ফেলা হয়েছিল। তিনি আরও জানান ট্রাম্পের তৎকালীন নিরাপত্তা প্রধান তাকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন যে, তিনি যদি কখনো এসব নিয়ে মুখ খোলেন তবে তাকেও "অন্যদের মতো মেরে নয় নম্বর হোলের পেছনে সার হিসেবে ব্যবহার করা হবে।"
৫ম ছবি-
আরেকজন অভিযোগকারী দাবি করেছেন যে, তার কাছে হাই-প্রোফাইল সে*ক্স পার্টি এবং ড্রাগ কা’র্টেলের সাথে লেনদেনের ভিডিও আছে। তিনি রবিন লিচকে একটি পার্টিতে এক কিশোরীকে শ্বা’সরোধ করে হ*ত্যা করতে দেখেছেন বলেও দাবি করেছেন।
📌 সর্বশেষ : নতুন বাংলাদেশে যারা আমে*রিকার গোলামী করছে তাদের কে নিয়ে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে। অস ভ্যদের গোলামী করে এই দেশে সারভাইভ করা যাবে না।






























































































মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন