বর্তমান বাংলাদেশ খেলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য উপযুক্ত হয়নি
বাংলাদেশে ইসলাম কায়েমের মডেল আফগান নয় তুরস্ক
যারা শরিয়া আইনের প্রয়োগ নিয়ে কথা বললেই ইমান নিয়ে টানাটানি করেন তাদের কাছে সরাসরি দুটি প্রশ্ন করি:
১. বাংলাদেশে ১২০০+ আইন আছে এবং তাতে অজস্র ধারা আছে সেই। সেই আইনগুলোর মধ্যে কতটুকু বা কয়টি আইন শরিয়ার সঙ্গে সাংঘর্ষিক, কয়টা অনুকূল এবং কয়টা সামঞ্জস্যপূর্ণ, সাংঘর্ষিক আইনের বিকল্প প্রস্তাবনা কী, এগুলো নিয়ে কি কোনও তথ্য আপনাদের কাছে চিহ্নিত আছে? যদি না থাকে তাহলে কেন করেন নাই, সুযোগ-সামর্থ্য হয় নাই, দেশে হাজারের বেশি ইফতাখানা থাকার পরও না? নাকি দেশের পুরো আইনি ব্যবস্থাকেই সেক্যুলার আইন বলে তাগুতি ব্যবস্থা মনে করেন?
২. এই যে আইনগুলো এতদিন চলেছে, চলছে, তাতে যে বিচার কত অর্ধশতক ধরে মুসলমানরা পাচ্ছে, আপনার আমার বাপ-ভাই আত্মীয়-স্বজন, লাখো ওলামায়ে কেরাম পেয়ে আসছেন, সেটা গ্রহণ করা বৈধ ছিল বা হয়েছে কি না। নাকি বাধ্য হয়ে শুকর খাওয়ার মতো বৈধ ছিল?
মতের পার্থক্যকে যারা ইমানের সংশয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তাদের অবস্থানটা আমি খোলামেলা বুঝতে চাই, তারা ইনিবিনিয়ে কত মানুষকে ইমান থেকে বের করতে চান?
ব্যক্তিগতভাবে ‘ইসলামি আইন ও বাংলাদেশি আইন: বৈপরীত্য ও সামঞ্জস্য‘ নিয়ে গবেষণার চেষ্টা করেছি। বহু জায়গায় প্রপোজাল দিয়েছি, বহু বড় মানুষকে নিজে আহ্বান করেছি যে, এটা পরিষ্কারভাবে হাজির করেন। আমার একার সামর্থ্য নেই। দুঃখের কথা হলো, এটা নিয়ে কারও কোনও চিন্তাই নাই।
একজন শীর্ষস্থানীয় আলেম আমার কথা শুনে স্পষ্ট বললেন, এ দেশের সংবিধানই তো শরিয়া বিরোধী, তুমি কী গবেষণা করবা? বললাম, পুরোটা, তাইলে প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন, আর না হলে কোনটা কোনটা, সেটা রেফারেন্সসহ হাজির করায় সহযোগিতা করেন। তিনি চুপ হয়ে গেছেন।
বাংলাদেশি আইনগুলোর শরিয়া অবস্থান কী, তা যদি সানুপুঙ্খ নির্ণয় করা যেত, আমার বিশ্বাস শরিয়া আইনের ক্যাচাল নব্বইভাগ সীমিত হয়ে আসত। তা কেউ করবে না, কারণ সেটা করলে তো আর উস্কানো যায় না। এখন সবাই অন্ধের মতো হাতড়াচ্ছে, পপুলার গলাবাজি করছে, ইমান নিয়ে টানছে, কারণ তাতে অনেক ক্রেজ, বিপুল আনন্দ।
যখন আমি/আমরা শরীয়াহ আইনের বিরোধিতা করি তখন সেটা ইসলাম বিরোধিতা না। রাষ্ট্রের উপর শরীয়াহ আইন প্রয়োগের প্রধান প্রশ্ন হলো - কার শরীয়াহ?
সৌদির শরীয়াহ? দিল্লীর? তুরস্কের? খারেজিদের শরীয়াহ নাকি ব্রুনেই এর শরীয়াহ আইন?
ইসলামি শাস্ত্র বলে আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান। বাঙলাদেশে শরীয়াহ আইন চালু হলে ঢিলা কুলুপ ক্লাব ফতোয়া বের করবে - পশ্চিম দিকে পা দিয়ে শোয়া গুনাহ।
ইসলামি শাস্ত্র বলে টিকটিকি বা অন্য কোন প্রাণী অকারণে হত্যা করা গুনাহ। ঢিলা কুলুপ ক্লাব বলবে, টিকটিকি মারলে ২০ নেকি।
ইসলামি শাস্ত্র বলে তায়েফের হতভাগ্যরা নবী (স.) কে পাথর মেরে রক্তাক্ত করেছে। বৌদ্ধ শাস্ত্র বলে - দেবদত্ত মহামতি বুদ্ধকে পাথর মেরে রক্তাক্ত করেছে। উভয় ক্ষেত্রেই দুই মহাপুরুষ আঘাতকারীদের ক্ষমা করেছেন। আল্লাহর কাছে বলেছেন, তুমি তায়েফবাসীকে গজব না দিয়ে বরং রক্ষা কর। ইসলামি শাস্ত্র বলে, নবী (স.) এর মত দয়াশীল হওয়ার চেষ্টা কর।
আর শরীয়াহ চালু হলে ঢিলা কুলুপ ক্লাব সত্য হোক, মিথ্যা হোক বিভিন্ন ব্লাশফেমি আইনে দীপু দাসদের পু/ড়িয়ে মারবে।
ইসলামি শাস্ত্র বলে উচ্চস্বরে কথা বোলো না। ধমক দিয়ো না। উত্তেজিত হয়ো না। ঢিলা কুলুপ ক্লাব স্বাভাবিক কন্ঠস্বরে, সুস্থ্য মানুষের মতো একটা ওয়াজ করতে পারে না।
ইসলামি শাস্ত্র বলে দেব-দেবীদের গালি দিও না। ঢিলা কুলুপ ক্লাব বলবে, বলেছে, "মূর্তি গড়তে নয়, মূর্তি ভাঙতে এসেচি। আমার নাম আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ..."
ইসলামি শাস্ত্র বলে শিশুদের প্রতি সদয় হও। নবী ইয়াতিম ছিলেন। ইয়াতিমের প্রতি ইনসাফ কর। ঢিলা কুলুপ ক্লাব ইয়াতিমদের কুত্তার মত পিটাবে, তাদের দিয়ে ভিক্ষা করাবে, সেই টাকায় হেলিকপ্টারে ওয়াজ করতে যাবে।
শিশুরা মসজিদে সামনের কাতারে দাঁড়ালে ধমক দিয়ে পেছনে পাঠাবে।
ইসলামি শাস্ত্র বলে মুসাফিরের জন্য সালাত সংক্ষিপ্ত। তার রোজা না রাখলেও চলবে। ঢিলা কুলুপ ক্লাব ৪ ঘন্টার বাস জার্নিতে ৩ বার বাস থামিয়ে, আল্লাহর আদেশের বরখেলাফ করে পুরো নামাজ আদায় করবে। অথচ কিবলা ঠিক রেখে চলন্ত বাসেই নামাজ পড়ার কথা।
ইসলামি শাস্ত্র বলে পিরিয়ড হলে রোজা রাখতে হবে না। ঢিলা কুলুপ ক্লাব বলবে, কন্ট্রাসেপটিভ পিল খেয়ে, জোর করে পিরিয়ড অফ করে, আল্লাহর নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে রোজা রাখো।
ইসলামি শাস্ত্র বলে শিশু কান্না করলে, কারও কষ্ট হলে নামাজ সংক্ষিপ্ত করে দিতে হবে। ঘর বন্ধ করে নামাজরত অবস্থায় কেউ দরজা নক করলে, দরজা খুলে দিতে হবে। এতে নামাজ ভাঙবে না।
অন্যদিকে ঢিলা কুলুপ কোম্পানি সেহেরির সময় উচ্চস্বরে মাইকে গান গাইবে। ওয়াজের মাইক সেট করে রোগী, পরীক্ষার্থী, শিশুদের কষ্ট দিবে।
ইসলামি শাস্ত্র বলে সমকামিতা গুনাহ, ধর্ষ/ণ গুনাহ। ঢিলা কুলুপ ক্লাব সমকামিতা করবে। আবার সবাই মিলে ধর্ষ/ককে সুরক্ষা দিবে। তার দোষটা গোপন রাখবে।
ইসলামি শাস্ত্র বলে, রাস্তায় নামাজ পড়লে কবুল হবে না। উলটো গুনাহ হবে। ঢিলা কুলুপ ক্লাব মসজিদের ফ্লোর ফাঁকা রেখে, রাস্তা অবরোধ করে নামাজ পড়বে।
ইসলামি শাস্ত্র বলে নবী (স.), তার সাহাবীরা, খলিফারা সবাই পেশাজীবী ছিলেন। ধর্ম পালনের, প্রচারের বিনিময়ে টাকা নেন নাই। ঢিলা কুলুপ ক্লাব ধর্মকে পেশা, ধর্মকে ব্যবসা, ধর্ম নিয়ে আলাদা ইকোনমি বানিয়েছে।
ইসলামি শাস্ত্র মেয়েদের ব্যবসা করতে উৎসাহ দিয়েছে। ঢিলা কুলুপ কোম্পানির ১০০০ বড় ব্যবসায়ীর মধ্যে একজন নারী পাওয়া যাবে না।
ঢিলা কুলুপ ক্লাবের কাছে মালয়েশিয়ার শরীয়াহ ঠিক না, ইন্দোনেশিয়া ভুল, ব্রুনেই গোমরাহ, সৌদি পথভ্রষ্ট, পাকিস্তান নাদান, দুবাই খ্রাপ, মরক্কো বাতিল।
তাদের শরীয়াহ হলো আফগানিস্তান। তাদের ভালো লাগবে সুদান। তাদের ইসলামিক স্বপ্ন সোমালিয়া। তাদের ফ্যাসিস্ট রেজিমের স্বপ্ন ইরান।
আমরা যখন শরীয়াহ আইনের বিরোধিতা করি, আমরা সৌদি, কাতার, কুয়েত, আমিরাত, ব্রুনেই, মরক্কো, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্কের বিরোধিতা করি না। আমরা ইসলামের বিরোধিতা করি না।
ঢিলা কুলুপ ক্লাবকে আপনার ধর্মের ঝান্ডা বহন করতে দিবেন? ওদের ব্যবসাকে আরও স্ট্রং করবেন?
ঢিলা কুলুপ ক্লাব আর দ্বীন ইসলাম কি সমার্থক শব্দ? আপনি ঢিলা কুলুপদের ইসলামের ভ্যানগার্ড মনে করতাছেন কেন?
ইসলাম কায়েম আছে কোথায়? খেলাফতকামী মুসলিম দেশগুলোতে? মোটেও নয়, ইসলাম কায়েম আছে যতগুলো দেশে সবগুলো অমুসলিম দেশ
কথিত খেলাফত কি পুতপবিত্র? মোটেও নয়, খেলাফতের নামেই কোটি মুসলিম নিহত হয়েছে অপর মুসলিমের হাতে
মুসলিম উম্মাহ ভাই ভাই", কোরান-হাদিসের এই নির্দেশ মুসলিমেরা ঐতিহাসিকভাবে ধরে রাখতে পারেনি। "বিভিন্ন মুসলিম শাসক কর্তৃক মুসলিম হত্যা"-র তালিকা সেই বাস্তবতার প্রমাণ, send the link to your friends :- "মুসলিম উম্মাহ" তত্ত্ব ও খেলাফতের ভ্রান্ত বয়ান
https://hasanmahmud.com/index.php/articles/islamic-bangla
https://www.facebook.com/share/p/ErRidXXvJEHmmvur/
https://najibbd.blogspot.com/2021/09/blog-post.html?m=1
https://youtube.com/@banglarislam1?si=p27SpnRdw5nAfKBc
https://www.youtube.com/live/vuwL8SqWJBM?si=NrHFUZhNGdqyBjnZ
https://www.lokayoto.org/2020/11/27/shariah-a-reading-list/?fbclid=IwY2xjawFDguVleHRuA2FlbQIxMQABHdW4cVBdM8NJ0MCi-doJdHxxqn7XlIU54ZEeB64eB4DA2E45-PXAm7uEWQ_aem_RwdnGVQwuu_GSGlTPYHHng
https://www.facebook.com/hasan.mahmud.161446?mibextid=ZbWKwL
https://youtu.be/3kxfK8nSB2k?si=h8ZYQ3BqYNFAkS0R
ইসলামপন্থীদের ইসলাম প্রতিষ্ঠার কল্পনাটা কেমন?! ইসলামি শরিয়ায় শাস্তিযোগ্য নয় এমন বিষয়েও তারা শাস্তি দিতে চায়। তাদের কাছে মূলত আইনপ্রয়োগ ও শাস্তিই ইসলাম।
যেমন কেউ নামাজ রোজা না করলে ইসলামি আইনে শাস্তির কোন বিধান নাই। কাউকে নামাজ পড়া ও রোজা রাখতে বাধ্য করারও কোন আইন নাই। কারণ এগুলার সাথে দুনিয়ায় বিশৃঙ্খলার সংযোগ নাই। শাস্তি পাবে পরকালে।
কিন্তু ইসলামপন্থীদের কল্পনা হচ্ছে যখন ইসলাম প্রতিষ্ঠা হবে তখন পুলিশ মানুষকে নামাজ পড়তে বাধ্য করবে, আজান দিলে দোকানপাট বন্ধ করে দিবে, রমজানে হোটেল খুললে শাস্তি দিবে। সৌদিতে ধর্মীয় পুলিশ কয়েকবছর আগেও মানুষকে নামাজ পড়তে বাধ্য করতো, দোকান বন্ধ করে দিত, আটক করে নিয়ে যেত। এখন এগুলা কমসে।
ইসলামপন্থীদের কল্পনা এমন কেন আল্লাহ জানে। মানুষকে জাহান্নামে যাওয়ার সুযোগ তো আল্লাহ দিয়েছেন। কেউ যেতে চাইলে বাধা নাই। যে পাপের হিসাবনিকাশ কেবলই পরকালে হবে সে পাপের শাস্তি দুনিয়াতে দিতে চাওয়াটা খোদার উপর খোদকারি।
সব মানুষকে জোর করে হেদায়েত করতে চাওয়া, জান্নাতি বানিয়ে ফেলতে চাওয়া ও দারোগাগিরী করা একটা অসুখ। আল্লাহ কোরআনে স্পষ্টভাবে এ ব্যাপারে সাবধান করে দিয়েছেন। আল্লাহ চাইলে তো সব মানুষকে হেদায়েত দিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু সেটা আল্লাহ করেননি।
মানুষকে এজেন্সি দেয়া হয়েছে। সে চাইলে জাহান্নামেও যেতে পারে। অন্যদের দায়িত্ব কেবল আহ্বান পৌঁছে দেয়া।
ধরেন এইমাত্র বাংলাদেশে ইসলামী হুকমত কায়েম হয়ে গেল,আল কোরআনের শাসন কায়েমকারীরা বাংলার মসনদ দখল করছেন।
এখন কি করবেন?
তার পরের দিন,সমস্ত সুদী ব্যাংক বীমা কি বন্ধ ঘোষনা করবেন?
তার পরেরদিন কি, সমস্ত সিনেমা, নাটক বন্ধ ঘোষনা করবেন?
সমস্ত গান, সমস্ত অপ্রোয়জনীয় বই,এফডিসি বন্ধ করে দিবেন?
মাজার সব ভেঙ্গে ফেলবেন?
শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া বন্ধ ঘোষনা করবেন?
স্মৃতি সৌদ ভেঙে ফেলবেন?
নারীদের বোরকা বাধ্যতামূলক করবেন?
নামাজ বাধ্যতামূলক করবেন?
স্কুল কলেজে কোরআনকে বাধ্যতামূলক করবেন?
সমস্ত টেলিভিশন বন্ধ ঘোষনা করবেন?
দাড়ি রাখা বাধ্যতামূলক করবেন?
সমস্ত মূর্তি ভেঙ্গে ফেলবেন?
ইহুদী রাষ্ট্রের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ ঘোষনা করবেন?
বৈশাখী মেলা বন্ধ ঘোষনা করবেন?
রবীন্দ্র সংগীত, লালন গীতি,ভাওয়া,ভাটিয়ালি গান বন্ধ ঘোষনা করবেন?
সাথে সাথে চোরের হাত কাটবেন?
কোরআনের শাসন কায়েমের কথা বলে ক্ষমতায় আসলেন,এখন এই সবতো সরাসরি কোরআন বিরোধী?
এখন কি করবেন?
এই সব বন্ধ ঘোষনা করলে,
একমাসও ক্ষমতায় ঠিকতে পারবেন না।
শতশত বছর ধরে অভ্যস্ত জাতীর সমস্ত সাংস্কৃতি, কীর্তি, শিক্ষা সামাজিক আঞ্চলিক আচার-আচরণ বন্ধ ঘোষনা করা এত সহজ না।
নায়ক নায়ীকা,ব্যাংকার,শিল্পী, লেখক নাট্যকার, সাহিত্যিক সহ লক্ষ লক্ষ মানুষের পরিবারের সমস্ত ইনকাম বন্ধ হয়ে যাবে।
তখন মানুষ জীবন বাজি রেখে বিদ্রোহী হতে বাধ্য হয়,
বাড়ীতে সন্তানের ভরনপোষণে অপারগ হলে মানুষ নিজের জীবনকে তুচ্ছ মনে করে।
তাই আস্তেধীরে অগ্রসর হতে হয়,মনের উপর চাপ প্রয়োগ না করে,একটি শান্তিময় মন তৈরী করতে হয়,
মানুষের উপর আইন প্রযোগ করার আগে,সেই আইনের প্রতি মানুষের ভালোবাসা থাকার মানসিকতা তৈরী করতে হয়,মানুষকে তৈরি করতে হয়।
যাকে বেকার বানাবেন, তার কর্মসংস্থান তৈরী করে দিতে হয়,চোরের হাত কাটার আগে চোরের অন্ন বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিতে হয়।
তিন বেলা উপবাস,ঘরে খাদ্যের অভাবে বাচ্চারা কান্না করতেছে,সে চুরি করতে বাধ্য হয় ।
সেই চোরকে হাত কাটবেন?
হযরত উমর রা. এর সময় অনেক দিন চোরের হাত কাটা বন্ধ ছিল, রাসুলুল্লাহ সাঃ এক সাহাবীকে মদ খাওয়ার শাস্তি দে নি ! কারণ শরিয়ত কায়েমের আগে তার বাস্তবতা বুঝার যোগ্যতা লাগে ।
আইন প্রয়োগ করার আগে,সেই আইনের প্রতি মানুষের ভালোবাসা শ্রদ্ধা কত % আছে তা দেখতে হয়,সোনার মানুষ তৈরি করতে পারলেই,সোনার মানুষরা একটি সোনালী অধ্যায় রচনা করতে পারে।
মূর্খ পণ্ডিত ও জাহেলদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে ডিপ কোনো জ্ঞান নেই, খালি বলে ইসলাম কায়েম করেন। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, মানুষকে কচুকাটা করে, ব্যাপকভাবে রক্তপাত করে হলেও ইসলাম পালন করতে হবে, এটা চরম খারেজীপনা ছাড়া আর কিছু না ।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন