ছারছীনা ও জামায়াতে ইসলাম


নেছারুদদীন ও আবু জাফর ছালেহ আজীবন ডান ইসলাম পন্থিদের সাথেই ছিলো, তাদের সাথে থেকে ৭১ এ রাজাকারদের প্রধান ঘাটি করেছিলো ছারছীনায়, যার ফলস্রুতিতে কোনো জামায়াত নেতাকে মুজিব জেলে না নিলেও আবু জাফরকে জেলে নিয়েছিলো, বাট মুহিববুললাহ কি করলো?  সে তার বাপ দাদার ঐতিহ্য ছিলছিলা আমলের উপর ছুরিকাঘাত করে রাজাকারীর বিচার থেকে বাচতে নাস্তিকলীগের পদলেহন করলো

১. প্রতিটা মাহফিলে মুজিবকে মামা মামা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলতো হোসাইন (তার বাবা জীবিত কালে)

২. ছারছীনা ছিলো রাজাকারদের অন্যতম ঘাটি, তাই আবু জাফর কে জেল খাটতে হয়েছিলো, মুহিববুললাহও জেল বিচার থেকে বাচার জন্য লীগের গোলামী করতে বাদ্ধ হয়েছিলো

৩. ছারছীনার ডোনেটরদের ৭০% লীগের বড় বড় ব্যাবসায়ী ছিলো, কালো টাকার মালিক

৪. ছারছীনা+দারুন্নাজাতের সকল শিক্ষক গর্বের সাথে লীগ কে ভোট দিত ও সেটা প্রচার করতো এবং মুরিদগনকেও ভোট দিতে বলতো এবং দিত

৫. কাফিল ছারছীনার প্রধান মুবাল্লিগ প্রধান মুবাহিস ও প্রধান আলেম, যে মাহফিলে প্রকাশ্যে জামায়াত বিএনপির বিরোধীতা করতো ও লীগকে ভোট দিতে বলতো

৬. কাফিল হাসিনাকে জান্নাতি ঘোষনা দিয়েছিলো, ইসলামের খেদমতে বঙুবন্ধু ও তার কন্যার অবদান নামে বই লিখে মুজিব ও হাসিনাকে সর্বকালের সর্বযুগের স্রেষ্ঠ মুসলিম খলিফার উপাধি দিয়েছিলো

ইত্যিহাদ মায়াল ইখতিলাফ কায়েদ সাহেব হুজুরের এই ফরজ কাজের বিরোধীতায় নামলো

পীর পুজারীদের মাথায় ঘিলু থাকেনা

জামায়াতের আকীদা খারাপ বলো তোমরা, এটি একটি মিত্থাচার কারন জামায়াত মউদুদীর আকীদার তাকলীদ করেনা, অথচ তোমাদের আকীদাই পীর মাজার পুজার শের্কী বেদাতী আকীদা আমল 

পীরগন দাবী করেন তারা সুন্নি (আশআরী ও মাতুরিদী) তাদের নিম্নোক্ত আকীদাগুলো আশআরী ও মাতুরিদী আকীদার কোন কোন কিতাবে রয়েছে? 

 ১. নবিজী স. নুরের তৈরী, হাজির নাজির, ইলমে গায়েবের অধিকারী, হায়াতুন নাবী

২. পীরকে ওলী আল্লাহ বলা
৩। পীরগন মরেন না তারাও জীবিত
৪। জীবিতদের চাইতেও তারা বেশী শক্তিশালী
৫। তারা দুনিয়া পরিচালনা করেন
৬। তারা জীবতকে সাহায্য করেন
৭। হাজত পুরন করেন
৮। কবরকে মাজার বলা মাজার বানানো
৯। মাজারে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়
১০। ইসতিগাছা, ইসতিয়ানা
১১। তারা ফয়েজ ও তাওয়াজজুহ দেন
১২। তারাও হাজির নাজির (অনেক জায়গায় উপস্থিত হন)
১৩। পীর মরার আগেই বলে দেয়া আমার পীর আমাকে পরকালে বাচিয়ে নিবে
১৪। ফানাফিশ শায়েখ
১৫। ফানাফিল্লাহ
১৬। ওয়াহদাতুল ওয়াজুদ ও ওয়াহদাতুশ শুহুদ
১৭। রাসুল স. তার বাবা মাকে জীবিত করে কালিমা পড়িয়েছেন
১৮। পীরদের জানাজায় ফেরেশতাগন শামিল হন

পীরগন দাবী করেন তারা হানাফী মাজহাবের অনুসারী, তাদের নিম্নোক্ত আমলগুলো কোন কোন হানাফি ফিকহের কিতাবে রয়েছে? 

১. কবরকে মাজার বলা।
২. মাজারে গিয়ে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়
৩. মৃত ব্যাক্তিকে জীবিত ও ওলী বলা
৪. ফয়েজ ও তাওয়াজজুহ নিতে মাজারে যাওয়া
৫. মাজারে ইসতিগাছা ইসতিয়ানা করা
৬. পীরের মুরিদ হওয়া, ৪ তরীকার মাদ্ধমে তাজকিয়াহ করা
৭. সুফি ও পীরকে ওলী আল্লাহ বলা
৮. ৪ তরীকায় হিন্দুদের চক্র (লতিফার জিকির) প্রবেশ করা
৯. শায়েখে তাসাওউর করা
১০. ফানাফিশ শায়েখ
১১. শবে বরাত, শবে মেরাজ, শবে কদরের নির্দিষ্ট নামাজ
১২. পীরের নামে দরুদ
১৩. চল্লিশা
১৪. কুরআন খতম, সবিনা খতম
১৫. মিলাদ কেয়াম
১৬. কদমবুচি
১৭. ওরশ ও ইসালে সওয়াব মাহফিল
১৮. গাউস, গাউসুল আজম, কিতুব, আবদাল, নকীব, আমীরে শরীয়ত আমীরে তরীকত ইত্যাদি লকব
১৯. টুপি, জুব্বা, পাগড়ি কে সুন্নাত বলা
২০. দাড়ীকে ওয়াজিব বলা
২১. প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজের পরে হাত তুলে সম্মিলিত মুনাজাত
২২. সেকুলার নাস্তিকলীগের দল করা ও ইকামতে দীন ও ইসলামী রাজনীতির বিরুধীতা করা

১. ঈদ-ই মিলাদুন্নবী পালন করা।

২.সকল মিলাদ।(কারোর মৃত্যুর পর তার জন্য মিলাদ/চল্লিশা/কুলখানি করলে বিদআত হয় আর দিন নিদিষ্ট করে যেমন চল্লিশা মরার ৪০ দিন পর করা হয়, এমন দিন নিদিষ্ট করে করলে শিরক + বিদআত দুটিই হবে)

৩.শব-ই বরাত পালন ও এর উদ্দেশ্যে রোজা থাকা।

৪. শব-ই মিরাজের সালাত বা সাওম বা এ উপলক্ষে কোন ইবাদাত করা।

৫. মৃত ব্যাক্তির জন্য- কুর’আন পড়া(মাদ্রাসা/হাফিজ খানা থেকে হুজুর/ছাত্র দিয়ে বা নিজে), কুলখানি, চল্লিশা, দু’আর আয়োজন, সওয়াব বখশে দেয়া।

৬. জোরে জোরে চিল্লিয়ে জিকির করা।

৭. হাল্কায়ে জিকির,ইসকের জিকির লাফালাফি,নাচানাচি জিকির।

৮. প্রচলিত/তথাকথিত পীর-মুরীদি মানা বিদাত ও শিরক।

৯. নামাজে মুখে মুখে উচ্চারণ করে নাওয়ায়তুয়ান বলে নিয়্যাত পড়া।(মনে রাখবেন নিয়াত করতে হয়। পড়তে হয় না। তাই নিয়াত মনে মনে করাই সুন্নত। কোন নিদিষ্ট শব্দ (যেমন নাওয়ায়তুয়ান) বলে নিয়াত করা যাবে না)।

১০. প্রসাবের পর ঢিলা কুলুখ নিয়ে ৪০ কদম হাঁটা, কাঁশি দেয়া উঠা বসা করা,লজ্জাস্থানে হাত দিয়ে হাটাহাটি ইত্যাদি নির্লজ্জতা।

১১. জায়নামাজের দুআ পড়া

১২.কবরে হাত তুলে সবাই একএে দূ’আ করা। ১৩.খতমে ইউনুস,তাহলীল, খতমে কালিমা, বানানো দরুদ পড়া, এবং যত প্রকার তাজবীহ খতম আছে সবই বিদাত, তাজবীহ দানা গননা করাও বিদাত।

১৩. ১৩০ ফরজ মানা।

১৪. ইলমে তাসাউফ বা সুফীবাদ মানা।

১৫.জন্মদিন, মৃত্যুদিবস,মা, বাবা দিবস বিবাহবার্ষিকী, ভ্যালেন্টাইন ডে, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, পহেলা বৈশাখ ইত্যাদি দিবস পালন করা।

১৬.আল্লাহকে “খোদা” বলা (কেননা খোদা শব্দে শিরক এর গন্ধ আছে) ।

১৭. অপরের কাছে তাওবা পড়া

১৮. বাতেনী এলেম বা তাওয়াজ্জুহ মানা।

১৯. ওরস পালন করা।কবর পাকা, কবর সাজানো, লাইটিং করা।

২০. এমন দু’য়া বা দুরুদ পড়া যা হাদিসে নাই যেমনঃ দুরুদে হাজারী, দুরুদে লক্ষী, দুরুদে তাজ, ওজীফা, দুরুদে জালালী

২১. ওয়াজ/মাহফিলে মিথ্যা বানোয়াট হাসির গল্প বলে মানুষকে হাসানো

২২। “আস্তাগ ফিরুল্লাহ [রব্বি মিন কুল্লি জাম্বি ৷ ওয়া ] আতুবুইলাইক লাহাওলা ওয়ালা কুয়াত্তা ইল্লা ‘আলিইল ‘আজিম”(এখানে রব্বি মিন কুল্লি জাম্বি অংশটুকু বিদআ’ত )

২৩। ৭০হাজারবার কালিমা খতম করা

২৪। ইসলামের নামে দলাদলি করা

২৫। বিদায় কালে ফি আমানিল্লাহ বলা।

২৬। জানাজা দেয়ার সময় কালিমা শাহাদাত পাঠ করা।

২৭। মৃত ব্যাক্তির কাজা নামাজের কাফফারা দেয়া বা আদায় করা।

২৮।  কুর’আনকে সবসময় চুমু খাওয়া।

২৯। কুর’আন নীচে পড়ে গেলে লবণ কাফফারা দেয়া,সালাম করা, কপালে লাগানো ইত্যাদি।

৩০। দুই হাতে মোসাফা করা, মোসাফা শেষে বুকে লাগানো বিদাত।

৩১)কারোর গায়ে পা লাগলে গাঁ ছুঁয়ে সালাম করা।

৩২। ইছালেহ সোয়াব নামে ওয়াজ ও দোয়া করা।

৩৩। কোরআন, সহীহ্ হাদীসের বাহিরে যত দোয়া, দুরুদ, জিকির, কালেমা আছে সবই বিদাত।

৩৪। টুপি ছাড়া নামাজ পড়লে সোয়াব কম হয়, পাগড়ি মাথায় দিয়ে নামাজ পড়লে বেশী সোয়াব/ নেক হয় এই ধারণা করে পাগরী বা টুপি পরা বিদাত।

৩৫। রোযার সময় নাওয়াতুআন আছুম্মাগাদাম পড়া।

৩৬। কদম বুসি করা।

৩৭। খতমে ইউনুস, তাহলীল, খতমে কালিমা, বানানো দরুদ পড়া।

৩৮। ওরস পালন করা।

৩৯। জাক-জোমক ভাবে খাৎনার অনুষ্ঠান করা।

৪০। শুধু আল্লাহ বা ইল্লাল্লাহ যিকর: এটা খুবই গর্হিত ও আপত্তিজন কাজ।

৪১।  জামায়াতবদ্ধ দরূদ বা সুরেলা সালাত-সালাম: নবীর শানে সালাত ও সালামের এই নবপদ্ধতি নিঃসন্দেহে বিদআ’ত। রাসূলুল্লাহ সা. যেভাবে উম্মাতকে দরূদ শিখিয়েছেন সেভাবেই দরূদ পড়তে হবে।

৪২)কোন বুযুর্গের মাযারে মৃত্যুবার্ষিকী বা ওরস পালন: ওরস পালন খুবই গর্হিত ও আপত্তিজনক কাজ, যদিও পীরপন্থীদের কাছে খুবই প্রিয়।

৪৩)কবর পাকাকরণ বা সজ্জিত করা ও উৎসবের আয়োজন।

৪৪)আযান ইকামতের মধ্যে বা অন্য যেকোনো সময় রাসুল সা. এর নাম শুনলে বৃদ্ধা আঙ্গুলে চুমু দিয়ে চোখে লাগানো।

৪৫) জানাযা ও দাফনের পর কবরের উপর চার কুল, সমবেত দু’আ, বা ব্যক্তিগত ইস্তেগফার বা দুআ ছাড়া সবই বিদআ’ত।

৪৬) দাফনের পর কবরের কাছে আযান দেয়া। ১৭) কবরে ফুল দেয়া, বাতি জ্বালানো (এগুলো অনেক সময় শিরক এ পরিণত হতে পারে)

৪৭)প্রথম মহররম রাত্রিতে নেকির আশায় অনুষ্ঠান করা।

৪৮)রমাদান মাসে “বদর দিবস” পালন করা। ২০)ঈদের পরে “ঈদ পূণর্মিলনী” অনুষ্ঠান করা।

৪৯। আজানের সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর নাম আসলে চোখে দুই বৃদ্ধ আঙুলি দিয়ে দুই চোখের মধ্যে লাগিয়ে চুমু খাওয়া।

৫০)মসজিদে নববীর সবুজ গম্বুজ দেখা মাত্রই দুরূদ ও সালাম পাঠ করা ।

৫১। কোন ইসলামী মাহফিলের দুআ, দুরূদ ও যিকরের সওয়াব রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম – এর কবরে, সকল ওলিদের রুহে ও মৃতদের কবরে পাঠিয়ে দেয়।

৫২।  সুন্নতী পোশাকের নামে বিশেষ ধরনের পোশাক পরা ।

৫৩। নতুন নতুন দুরূদ এর আবিস্কার করা এবং তা পড়া। 

৫৪। আশেকে রাসূল বলে দাবী করা । জসনে জুলুস করা।

৫৫।  বালাগাল উলা বি কামালিহি, কাশাফাদ্জা বি জামালিহি…. ইত্যাদি বলা বিদ’আত ।

৫৬। সালাতুল আওয়াবীন নামে মাগরিবের পরে ৬ রাকাত সলাত আদায় করা(এই নামাজ অন্য সময় পড়তে হয়, মাগরিবের সময় নয়)

৫৭। সালাতের পর আমল করে মাথায় বা কপালে হাত রাখা ।

৫৮।  উমরী কাযা সালাত আদায় করা।

৫৯)খুতবা বা অন্য সময় লাল বাতি জ্বালিয়ে রাখা এবং লিখে রাখা যে। লাল বাতি জ্বলন্ত অবস্থায় সালাত আদায় করা নিষেধ।

৬০)রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর কবরে গিয়ে কান্নাকাটি করাকে সওয়াব মনে করা।

৬১) জামাত শুরু হয়ে গেলেও বা ইকামত হয়ে গেলেও সুন্নাত পড়া।

৬২) সফরে কসর না পড়ে নিয়ম মত সালাত আদায় করা।

৬৩) সালাতের কাতারে শিশুদের রাখা মাকরূহ মনে করা।

৬৪) সালাত শেষে জায়নামাযকে চুমু খাওয়া।

৬৫)সালাত শেষে জায়নামাযের কোনা ভাজ করে রাখা।

৬৬)সালাত শেষে অতিরিক্ত একটি সাজদা দেয়া ।

৬৭). আশুরার দিন সাতদানার শিরণী পাকান সওয়াবের কাজ মনে করা।

৬৮)ভুল হলে তওবা তওবা বলে দুই গালে থাপ্পর দিয়ে তওবা করা।

৬৯)খাবার আগে ওযু করলে দারিদ্র দূর হয় বলে মনে করা


বিস্তারিত দেখুন নিচের লিংক পোষ্ট এ 

https://najibbd.blogspot.com/2025/03/blog-post_23.html 




১. কবরকে মাজার বলা

২. কবর ওয়ালাকে জীবিত+ওলী বলা

৩. কবর ওয়ালার ওসিলা দিয়ে দোয়া করা

৪. কবর ওয়ালার কাছে ফয়েজ ও তাওয়াজজুহ নিতে যাওয়া

৫. পীর কবর থেকে মুরীদ কে
 সাহায্য করতে পারে

৫. পীর পরকালে বেহশতে নিয়ে যাবে বলে প্রচার করা

৬. মুশরিক রেজভীদের সাথে সখ্যতা রাখা

৭. দেওবনদীদেরকে ওহাবী বলা ও গালাগালি করা

 হেফাজতে ইসলাম সরকারের কাছে দাবী করেছিলো এদেশের লাখ লাখ মাজারে যে নাচ গান বেহায়াপনা শেরেক বেদাত চলে তা যেনো বন্ধ করা হয়, ছারছীনা তখন হেফাজতকে মাহফিলে গালাগালি করে ভন্ড পীর ও দরবারগুলোর রক্ষক ও গডফাদারের ভুমিকা পালন করেছিলো (এ জন্য ওসমান গনি সালেহীকে দাওরায় হাদীস পরীক্ষাও দিতে দেয়া হয়নি কয়েকটি মাদরাসায়, পরে হাত পা ধরে মাফ চেয়ে পরীক্ষা দিয়েছিলো)

৮. ইকামতে দীনের বিরোধীতা করা ও নাসতিক লীগকে তোষামদ করা

৯. ফানা ফিশশায়েখের নামে পীর পুজা করা, মাজার পুজা করা, মিলাদ কেয়াম, চললিশা, বিভিন্ন বানোয়াট দরুদ ও ওজিফা সহ শত শত শেরেক বেদাত আকীদা আমলের চর্চা করা

১০. ইসালে সওয়াব মাহফিলের নামে মাজার দিয়ে কোটি টাকার ব্যাবসা করা 

 পাঠ্য পুস্তকে মাজার পুজার তালিম দিয়ে পুরো জাতিকে মাজার পুজারী বানিয়েছে ছারছীনা 

বোন, ভাই, চাচাদেরকে ওয়ারিশি সমপদ থেকে বঞ্চিত করা

সহ শত শত দীন ধর্ম ও শরীয়ত বিরোধী কাজে লিপ্ত  ছারছাীনা দরবার


বিস্তারিত দেখুন নিচের লিংক পোষ্ট এ 

https://najibbd.blogspot.com/2021/06/blog-post.html?m=1


জামায়াতকে যারা মওদুদীবাদ বলেন তারা ভুল বলেন, কারন জামায়াত মওদুদীর তাকলীদ করেনা,  প্রশ্ন করতে পারেন তবে জামায়াত কেনো মওদুদীর কিতাবাদী পড়ে, দেখুন জামায়াতে শুধু মওদুদী নয় সকল আলেমেরই কিতাবাদী তারা পড়েন, বাট কোনো একক আলেম/মানহাজ/মাসলাকের তাকলীদ করেনা, আধুনিক রাষ্ট্র ব্যাবস্থা দর্শনের বিপরীতে ইসলামী রাষ্ট্র দর্শনের যৌক্তিকতা উপলব্ধি করতেই মওদুদীর কিতাবাদী পড়ে, বাট ইসলামের আভ্যন্তরীন আকাইদী ও ফিকহী বিষয়ে তারা মওদুদীর তাকলীদ করেনা, তাদের লখ্য ও উদ্দেশ্য মওদুদী বা কোনো একক ব্যাক্তির আকীদা ফিকাহকে রাষ্ট্রিয়ভাবে কায়েম করা নয়, বরং জামায়াত যে উদ্যেশ্য নিয়ে কাজ করে সেটাকে এক কথায় বলা যায় রাম বাম সেকুলারদের চক্রান্ত থেকে মুসলিম জনগনের অধিকারগুলোকে সংরক্ষন করা, সত নেতৃত্ত তৈরী করা দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়া ও এককভাবে ক্ষমতায় যেতে পারলে আলেমগনের মাদ্ধমেই হানাফী মাজহাব দিয়ে দেশ পরিচালনা করা, তাই যারা জামায়াতের বিরোধীতা করেন তারা ভুলের মাঝে আছেন

মওদুদীবাদ বলতে কিছুই নেই, পীর পুজারীগন পীর পুজা করে,দেওবনদীগন আকাবীর পুজা করে তাই তারা মনে করে জামায়াতও মনে হয় তাদের মতই নেতা পুজারী দল, জামায়াত মওদুদীর পুজাও করেনা, তাকলীদও করেনা, অনুসরনও করেনা, মওদুদী ছিলো হানাফী বাট জামায়াতে হানাফী, আহলে হাদীস, দেওবন্দি, ব্রেলভী, সালাফী, আহলে কুরআন, মুতাজিলা,  শিয়া সবাই আছে, মওদুদী ছিলো গনতন্ত্র বিরোধী বাট জামায়াত গনতান্ত্রিক, মওদুদীর অনুসরন করতে মওদুদী নিজেই নিষেধ করে গেছেন, জামায়াত মওদুদীকে পুছেওনা, মওদুদী কাফের হলেও জামায়াতের কিছুই আসে যায় না, জামায়াত হানাফী মাজহাব দিয়ে দেশ চালাতে চায়, তাই জামায়াত হানাফী মাজহাবের দল কোনো আকীদার দল নয়, কোনো আলেমের তাকলীদে শাখছি জামায়াত করেনা সে যতবড় আলেম ইমাম মুজতাহিদ বুজুর্গ হোক না কেন


‘মওদূদীর ইসলাম’ বলতে আসলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নাই। মওদূদী রহ. মুসলিমদের জন্য একটা পলিটিকাল ফ্রেমওয়ার্ক দিয়েছেন।  কোটি মুসলিম সেই ফ্রেমওয়ার্ককে এডপ্ট করেছে। হাজারো মুসলিম জীবন দিয়েছে, জেল-জুলুম খেটেছে। সেই ফ্রেমওয়ার্ক ভুল কী শুদ্ধ, সেই আলাপে যাওয়া যেতে পারে। কিন্তু মওদূদী “নতুন ইসলাম” ইনভেন্ট করেছেন, এইটা ফালতু আলাপ। মওদূদীর আগেও সাইয়েদ কুতুব, হাসান আল বান্নাহরা এরকম ফ্রেমওয়ার্ক দিয়েছেন। এগুলো উনাদের ইজতিহাদ। ইজতিহাদ ভুল হলেও সাওয়াব পাবেন, সঠিক হলে ডাবল সাওয়াব পাবেন। কিন্তু, ‘মওদূদীর ইসলাম’ বলে একটা গ্রুপকে ডিলেজিটিমাইজ করার চেষ্টা করা একটা হঠকারিতা। 


জামায়াতের মধ্যে বিভিন্ন আকীদা ও ফিক্বহের অনুসারী আছেন। জামায়াত এই ব্যাপারে বাকি সবার চেয়ে বেশি ইনক্লুসিভ। জামায়াতের মধ্যে হানাফী আছে, সালাফি আছে, আছারী আছে, মাতুরীদীও আছে। কিন্তু, তারা একটা আমব্রেলার নিচে থাকে। সেই আমব্রেলাটা হলো ‘ইকামাতে দ্বীন’ এর আমব্রেলা। অর্থাৎ, বিভিন্ন মাসলাক ও আকীদার মানুষজন দ্বীন ইসলাম কায়েম করার একটা আন্দোলনে একত্রিত হয়েছে একটা জায়গায়। এরা মওদূদীর আকীদা ধারণ করে না। ফলে, এদেরকে মওদূদীর ইসলাম বলার সুযোগ আসলে নাই। 


তাহলে মওদূদীর ইসলামটা আসলে কী? মওদূদীর ইসলাম মূলত পলিটিকাল ইসলাম। আমরা দেখেছি কলোনিয়ালিজমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় মুসলমান তার রাজনৈতিক কর্তাস্বত্তা হারিয়েছে। ক্ষমতা কাঠামো থেকে মুসলমানদের ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। কলোনাইজাররা যাওয়ার পরেও রাষ্ট্র ক্ষমতায় রয়ে গেছে কলোনিয়াল সিস্টেম। এখন এই সিস্টেমের ভেতর সাধারণ মুসলিমরা একরকম অসহায়ের মত। তার ভয়েসের কোনো দাম নাই। মেজরিটি হয়েও তার জীবন হয়ে থাকে কৃতদাসের মত। রাষ্ট্র কীভাবে চলবে সেখানে বক্তব্য দেয়া তো দূর কী বাত, সে নিজে সমাজে কীভাবে চলবে, সেটাও ঠিক করে দেয় সর্বগ্রাসী সেকুলার রাষ্ট্র। আর এই জায়গায় বিদ্রোহ করে মওদূদীর পলিটিকাল ইসলাম। সে রাষ্ট্র কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করে বসে। সে রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে চায়। মুসলমানের কর্তাসত্ত্বা ফেরত আনতে চায়। ফলে সেকুলার জমিদারিত্ব হুমকির মুখে পড়ে। এদেরকে দমন করা জরুরী হয়ে পড়ে। 


এখন, যেহেতু পলিটিকাল ইসলাম ক্রমেই নিপীড়িত মুসলমানের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে পড়ে, তাই একে কেবল পেশিশক্তি দিয়ে দমন করা কঠিন হয়ে যায়। তখনই, অল্টারনেটিভ স্ট্র‍্যাটেজি নিতে হয়। আওয়ামীলীগ জামায়াতকে দুইটা জিনিস দিয়ে দমন করতো। এক. একাত্তর ইস্যু। দুই. ইসলাম ইস্যু। একাত্তর ইস্যু দিয়ে দীর্ঘকাল আওয়ামীলীগ জামায়াতকে দমন করার চেষ্টা করেছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে শক্তি প্রয়োগ করতে সফল হলেও জনমনে সে জামায়াতের ব্যাপারে ঘৃণা উৎপাদন করতে সক্ষম হয়নাই। কারণ, জামায়াতকে সাধারণ মুসলিমরা তাদের ভয়েস হিসেবেই দেখেছে। ফলে, জামায়াতের কণ্ঠরোধ করাকে তারা নিজেদের কণ্ঠরোধ করাই ভাবতো। এজন্য, আওয়ামীলীগ ইসলাম ইস্যুও ব্যবহার করে। তারা বলে, ‘নীল নদের পানি যেমন নীল না, জামায়াতে ইসলামীও তেমন ইসলাম না’। এজন্য তারা এই ‘মওদূদীর ইসলাম’ টার্মটা ব্যবহার করতো। মওদূদীর আকীদা ভ্রান্ত আকীদা। জামায়াতে ইসলামী এই কারণে ভ্রান্ত। এদের ইসলামকে প্রকৃত ইসলাম ভাবা যাবে না। আওয়ামীলীগের এই ন্যারেটিভকে কওমী ঘরানার একটা বড় অংশ তাদের ইসলামী চেতনার জায়গা থেকে সমর্থন দিতো। কেননা, তারা বহু বছর থেকে এটাই জেনে এসেছে যে, মওদূদীর আকীদা আসলেও ভ্রান্ত। ফলে, জামায়াতে ইসলামী একটা ভ্রান্ত দল। 


এখন, এই বয়ান বিশ্বাস ও প্রচার করার কারণে জামায়াত ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ‘মূলধারার’ ইসলামের তেমন কিছু আসবে যাবে না, এমনটা তারা ভাবতেন। কিন্তু, দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। জামায়াতকে দমন করা শেষে শুরু হলো সাধারণ ইসলামপন্থীদের দমন-পীড়ন। হেফাজতে ইসলাম শাপলা চত্ত্বরে গেল নবীপ্রেমের জন্য। তখন হেফাজতকে বলা হলো, ‘জামায়াতী মুদ্রার অপর পিঠ’। রাতের আঁধারে হত্যা করা হলো শত শত আলেম ওলামা ও মাদ্রাসা ছাত্রদের। এরপর শুরু হলো ইসলামপন্থীদের ‘জ-গি’ বানিয়ে গুম-খুন করা, সামান্য প্রতিবাদ করলেও জেলে ঢুকিয়ে দেয়া। ফলে, মওদূদীর ইসলামকে দমন করার ফলাফল দীর্ঘমেয়াদে রূপ নিলো ইসলাম দমনে। কিন্তু, যতক্ষণে কওমী ঘরানার আলেম-ওলামারা তা বুঝলেন, ততক্ষণে দেরি হয়ে গেল। 


ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামীলীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ইসলামপন্থীদের জন্য একটা ব্রিদিং স্পেস তৈরি হলো। দেখা গেল, দীর্ঘদিন নির্যাতিত হওয়ার ফলে জামায়াতে-ইসলামী এবং ছাত্রশিবিরের জনপ্রিয়তা বেড়ে গেল বহুগুণে। গণঅভ্যুত্থানের পরপরই বিভিন্ন পক্ষ পুরনো কায়দায় ৭১ ইস্যু দিয়ে জামায়াত-শিবিরকে ঘায়েল করার চেষ্টা করায় সেটা ব্যাকফায়ার করলো। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে শিবির ল্যান্ডস্লাইড ভিক্টরি পেল। ৭১ ইস্যু ব্যর্থ হওয়ায় এখন দ্বিতীয় ট্যাকটিক সামনে আনা হয়েছে। ‘মওদূদীর ইসলাম’ – সেই পুরনো আওয়ামী ন্যারেটিভ। বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ এই কথাটি বলেছেন। কোথায় বলেছেন? হেফাজতে ইসলাম আয়োজিত এক সমাবেশে। আবারও হেফাজত পুরনো ভুলটিই করছে। মনে রাখতে হবে, যারাই ‘মওদূদী ইসলাম’ জুজু এনেছে, তাদের কারো উদ্দেশ্যই ভালো ছিলো না। তাদের আল্টিমেট টার্গেট ছিলো ‘পলিটিকাল ইসলাম’, যখনই কোনো মুসলিম ‘রাজনৈতিক’ হয়ে উঠেছে, তারা কোনো না কোনো কার্ড ব্যবহার করে তাদেরকে ডিলেজিটিমাইজ করার চেষ্টা করেছে। হেফাজত আবারও সেই টোপ গিলছে। ‘এখন বুঝবি না, পরে বুঝবি, সব হারায়ে তারপর বুঝবি’। 


নির্যাতিত ব্লগার শফিউর রহমান ফারাবী তার ফেসবুকে একটা স্টোরি দিয়েছেন। লিখেছেন, ‘জামায়াতবিরোধিতাই পরে ইসলামবিরোধিতায় রূপ নেয়’। এই ব্যাপারটা নিয়ে একটু ভাবলেই হবে এই আরকি।




বিস্তারিত দেখুন নিচের লিংক পোষ্ট এ 

https://najibbd.blogspot.com/2025/08/blog-post.html?m=1


https://najibbd.blogspot.com/2017/03/blog-post_78.html?m=1


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নির্ভেজাল ইসলামের স্বরুপ সন্ধানে

ইসলাম ও গনতন্ত্র

বর্তমান বাংলাদেশ খেলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য উপযুক্ত হয়নি